০৫:৪৫ পি.এম
ভারতের আসামের নগাঁও জেলায় একটি রিজার্ভ পুলিশের (সিআরপিএফ) সদস্য আত্মহত্যা করেছেন, এর আগে তিনি দুই সহকর্মীকে হত্যা করেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে সাতটার দিকে নগাঁও জেলার কাটিমারিতে অবস্থিত সিআরপিএফের ৩৪ ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পে এই নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে।
নগাঁওয়ের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (হেডকোয়ার্টার) পারমিতা সরকার জানান, ক্যাম্পের প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনরত এএসআই/জিডি বল্লানি প্রেমাবরম আচমকা তার সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে তিনি নিজের ওপরও গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন এইচভি/জিডি বিষ্ণু প্রসাদ বাঘেল এবং এসআই/জিডি রামনাওয়াল সিং যাদবও।
আরও পড়ুন: ভোটার নিবন্ধন কড়াকড়ি, নাগরিকত্ব প্রত্যাশীদের জন্য জরুরি নিয়ম
অন্যদিকে, গোবিন্দ শ্রীপুল নামের এক সহকর্মী গুরুতর আহত হন, যিনি প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর সিআরপিএফ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্যাম্পে এসে তদন্ত শুরু করেন।
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে নগাঁওয়ের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার পার্থ প্রতিম দাস জানান, অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা এএসআই বল্লানি প্রেমাবরম মঙ্গলবার সকালে সিআরপিএফ ক্যাম্পের প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সে সময় তার কাছে সরকারি অস্ত্র ছিল না। পরে তিনি গার্ডরুম থেকে একটি ইনসাস রাইফেল নিয়ে কোয়ার্টার গার্ডের পেছনে যান।
সেখানে তিনি প্রথমে সহকর্মী বিষ্ণু প্রসাদ বাঘেলকে লক্ষ্য রেখে গুলি চালান, যার ফলে বাঘেল ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারপর প্রেমাবরম রামনাওয়াল সিং যাদবকে গুলি করেন, যিনি নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য লখনউ থেকে ক্যাম্পে এসেছিলেন। তিনিও ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এরপর অভিযুক্ত এএসআই আরেক সহকর্মী গোবিন্দ শ্রীপুলকে গুলি করে গুরুতর আহত করেন। সবশেষে প্রেমাবরম ক্যাম্পের ব্যারাকে গিয়ে নিজের ওপর গুলি চালান, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৬৬২ জন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন