বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৪ পি.এম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি বিশেষ অভিযানে একই ফ্লাইটে আসা ৭ যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে মোট ৩৮.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। আটককৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর এবং ব্যাগেজ সংগ্রহের সময় গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করেন এবং সেখান থেকে বিদেশী মদ উদ্ধার করেন।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের সি-শিফট জানতে পারে যে, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী Air India-এর AI2183 ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে বিদেশি মদ বহন করা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে পূর্বপরিকল্পিত নজরদারি জোরদার করেন।
ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে এবং ব্যাগেজ সংগ্রহ করার পর গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করেন।
তল্লাশির ফলস্বরূপ আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজ্জামেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, মো. নাফিজ সাবাতের ব্যাগ থেকে ৩.৫০ লিটার, আল-আমিন শেখের ব্যাগ থেকে ৩.৫০ লিটার এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
মোট ৭ যাত্রীর কাছ থেকে ৩৮.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭,৭০,০০০ টাকা। একই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের একাধিক যাত্রীর ব্যাগেজে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ পাওয়ার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
আটক বিদেশি মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিষয়টি সংঘবদ্ধভাবে সংগঠিত কি না এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত- তা উদঘাটনে একটি বিশেষ তদন্ত দল অনুসন্ধান করবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/এআরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে বিদ্রোহ করতে রাজি নন হুলিয়ান আলভারেজ, বার্সেলোনায় যাওয়ার জন্য। গত গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজারে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছিল, সেগুলোকে তিনি এখন পেছনে ফেলে কেবল সামনে এগিয়ে যেতে চান।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এল নাসিওনাল’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, এই আর্জেন্টাইন তারকা আপাতত ক্লাব পরিবর্তন নিয়ে কোনো ঝামেলায় জড়াতে ইচ্ছুক নন।
তবে আগামী গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আলভারেজের ম্যানচেস্টার সিটিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত জোরালো। গুঞ্জন রয়েছে, আগামী গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সিটি ছাড়তে পারেন আর্লিং হ্যাল্যান্ড।
আলভারেজকে না পাওয়ার কারণে এবার হ্যালান্ডের দিকে নজর দিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। এই কারণে, নিজেদের সাবেক ফরোয়ার্ড আলভারেজকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে ম্যানসিটি, এবং ইতোমধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে।
গ্রীষ্মে বার্সার সঙ্গে গুঞ্জন থাকলেও, শেষ পর্যন্ত সাবেক ক্লাব সিটিতেই আলভারেজের প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে তৈরি করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা অন্য কারও কণ্ঠরোধ করার সুযোগ না থাকে।
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে ব্যবহৃত হয়েছে। নতুন আইনে এ ধরনের অপব্যবহারের সুযোগ না রাখার জন্য সরকার সতর্ক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে এখনও খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে। কিছু শব্দের দ্বৈত অর্থ থাকতে পারে। তাই কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে আইনটির অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্কভাবে কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭-২০ বছরে দেখা গেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ কিছু আইন সংবাদমাধ্যম বা সংবাদপত্রকে দমিয়ে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
আইনের খসড়া নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং পরবর্তী পর্যায়েও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আইনটির কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার কারণে গণমাধ্যম বা অন্য কারও ওপর নিপীড়ন কিংবা অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না হয়, সেটিই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
সাইবার সুরক্ষা আইনের মূল লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করা এবং অনলাইন পরিবেশকে নিরাপদ রাখা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে গালাগাল ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বেড়েছে। এসব বিষয় কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, একই সঙ্গে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন বিষয়গুলো আইনের মধ্যে আনতে পারার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করার বিষয়েও আলোচনা চলছে। দুটির মধ্যে সংঘাত না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, তারা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন যে, এই আইন কোনোভাবেই কারও কণ্ঠরোধ বা নিপীড়নের জন্য তৈরি করা হচ্ছে না।
আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট পেলেই যাচাই না করে শেয়ার করে দেওয়া, মানহানিকর বক্তব্য প্রচার বা পুনরায় প্রচারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, যেকোনো কনটেন্ট পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, মানহানিকর বক্তব্য বা মানহানির বিষয় পুনরায় প্রচার করাও যে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে, এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরির জন্য একটি কর্মসূচি নেওয়া হবে। সেখানে সংবাদমাধ্যমসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, আইনটি এমনভাবে প্রণয়ন করাই তাদের লক্ষ্য, যাতে ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের কোনো সুযোগ না থাকে এবং একই সঙ্গে মানুষের সম্মানহানি বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি না হয়।
বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান জানিয়েছে যে, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ (হুথি) কোনো পক্ষের নির্দেশে কাজ করে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমায়েল বাঘাই উল্লেখ করেছেন যে, আনসারুল্লাহ একটি স্বাধীন ইয়েমেনি শক্তি এবং তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজস্বভাবে গ্রহণ করে।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইসমায়েল বাঘাই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "মার্কো রুবিওর মিথ্যা সত্যকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না।"
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, "আনসারুল্লাহ একটি স্বাধীন ইয়েমেনি শক্তি, যারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেয়। তারা কারও কাছ থেকে আদেশ নেয় না এবং কারও প্রক্সি হিসেবেও কাজ করে না।"
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার মূল কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ ও আধিপত্যবাদী নীতি। তিনি বলেন, যদি ওয়াশিংটন সত্যিকার অর্থে শান্তি চায়, তাহলে তাদের অঞ্চলে "ক্ষতিকর ও অস্থিতিশীল হস্তক্ষেপ" বন্ধ করা উচিত।
তিনি বলেন, বোমা হামলা ও বাইরের চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ইয়েমেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। প্রকৃত শান্তির জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সম্মত রোডম্যাপের ভিত্তিতে অর্থবহ আলোচনা শুরু করতে হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইয়েমেনি বাহিনীর হামলার পেছনে ইরানের ভূমিকা থাকার অভিযোগ করেন। তার ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরান আনসারুল্লাহকে স্বাধীন ইয়েমেনি শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল দেশটির তৎকালীন সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সরকারকে পুনর্বহাল করা এবং ইয়েমেনের ওপর অবরোধ আরোপ করা। ইয়েমেনি বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। সূত্র: তাসনিম নিউজ।
বিডি-প্রতিদিন/এমএল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পল্লবী ও রূপনগরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিনের পানির সংকট দূর করার লক্ষ্যে নতুন পানির পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি পাম্পের জন্য স্থান বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আরও কিছু জায়গা বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক জানিয়েছেন, পল্লবীতে একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাঁধের সি ব্লকে গভীর নলকূপ ও মিনি রোড নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। আমিনুল হক বলেন, "পল্লবী ও রূপনগরের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে পানির সমস্যায় ভুগছেন। তাঁদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন এলাকায় পানির পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, বাউনিয়াবাঁধের সি ব্লকের পাশাপাশি ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ যেসব এলাকায় পাম্পের প্রয়োজন, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে পাম্প স্থাপন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, "ইতিমধ্যে কয়েকটি পানির পাম্পের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি জায়গা বরাদ্দের কাজ চলছে। ঢাকা ওয়াসাও এসব পাম্পের কাজ দ্রুত শুরু করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি পাম্পের কাজ শুরু হয়েছে।" আমিনুল হক আশ্বাস দেন যে, আগামী পাঁচ বছরে পল্লবী ও রূপনগরের পানির সংকটসহ অন্যান্য নাগরিক সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করবে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও চান।
পানির সংকট নিরসনের পাশাপাশি পল্লবী ও বৃহত্তর মিরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। আমিনুল হক বলেন, "পল্লবী এলাকায় একটি হাসপাতাল নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল অনুমোদনের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল নির্মাণের জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণে স্বাস্থ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ শুরু হয়েছে।"
তিনি বলেন, "পল্লবীসহ বৃহত্তর মিরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি সরকারি হাসপাতাল। ইনশা আল্লাহ, আপনাদের জন্য সেই হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।" নিজেকে এলাকার সন্তান হিসেবে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, "বর্তমান সরকার আপনাদের পাশে আছে। আমি আপনাদের এলাকার সন্তান হিসেবে সব সময় আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব।"
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পল্লবী থানা বিএনপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হাজী মো. বাদশা মিয়া। সঞ্চালনা করেন ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আসলাম হোসেন গাজী।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম মন্টু, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, পল্লবী থানা যুবদলের আহ্বায়ক নূর সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দল পল্লবী থানার সদস্যসচিব রবিউল করিম বাবু, মহিলা দলের নেত্রী সৈয়দা দিলারা পলি এবং বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে এ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ