ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তার পুনর্বাসনে সিদ্ধান্ত


সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তার পুনর্বাসনে সিদ্ধান্ত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা সামলানো সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ জন কর্মকর্তাকে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে তাদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার কথাও রয়েছে।

সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। একইসঙ্গে, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

নতুন আদেশের আওতায় সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বিমানবাহিনীর ১৪ জন অফিসার, যাঁরা অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) তাঁদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে। এই কর্মকর্তাদেরকে তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের বকেয়া বেতন-ভাতা, অন্যান্য আর্থিক সুবিধা এবং প্রয়োজন হলে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে।

জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত তিন বাহিনীতে চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাহিনী সদর দপ্তর পৃথকভাবে পর্ষদ গঠন করে।

পরে ৩ মে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি সংশ্লিষ্ট আবেদন, প্রস্তাব ও সুপারিশ বিস্তারিত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রদান করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মান-মর্যাদা এবং প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহাল করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেনারেল আমিনুল করীমকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, অকালীন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিনা ইবনে জামালী, রিয়ার অ্যাডমিরাল মোস্তাফিজুর রহমান এবং এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনসহ মোট ১৫০ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, বকেয়া বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিগত সরকারের আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া বহু সামরিক কর্মকর্তা চাকরি পুনর্বহাল ও ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার একই প্রক্রিয়ায় আরও ১৪১ জন বঞ্চিত কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি প্রদান করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির ছয় শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


ডিএমপির ছয় শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মোহাম্মদ সারোয়ার আলমের দ্বারা জারি করা এক অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, যিনি ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন) (অতিরিক্ত দায়িত্বে) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আদেশ অনুযায়ী, মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মিজানুর রহমানকে (সেকেন্ড ইন কমান্ড/২ আইসি) আইসিটি বিভাগে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সেকেন্ড ইন কমান্ড/২ আইসি) মো. আল আমিন হোসাইনকে গোয়েন্দা-রমনা বিভাগে (রমনা জোনাল টিম) স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সেকেন্ড ইন কমান্ড/২ আইসি) আবু সাঈদকে গোয়েন্দা-তেজগাঁও বিভাগে (মোহাম্মদপুর জোনাল টিম) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সেকেন্ড ইন কমান্ড/২ আইসি) এস. এ. এম. ফজলে-ই-খুদাকে গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে (পশ্চিম জোনাল টিম) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া, ডিএমপির অর্থ বিভাগে কর্মরত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বাজেট) মো. সজল হোসেনকে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের (সিটিটিসি) দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে কর্মরত সহকারী পুলিশ কমিশনার (সুবুজবাগ জোন) জাহাঙ্গীর ফেরদৌসকে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রেনিং), এফঅ্যান্ডডি বিভাগ, ডিএমপিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে চোরাই মোবাইল ডিসপ্লেসহ একজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


ভূরুঙ্গামারীতে চোরাই মোবাইল ডিসপ্লেসহ একজন আটক

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করেছে।

এ সময় পুলিশ চোরাকারবারি সোহাগ মন্ডলকে (২১) আটক করেছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য সাড়ে তিন লাখ টাকা হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশ কর্তৃক।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই আলিউল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মাহমুদ গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমানের ছেলে সোহাগ মণ্ডলের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, জব্দ করা ডিসপ্লেগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এসব পণ্য রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাচার করার চেষ্টা চলছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ চালানের মূল হোতা বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালানের একটি সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। এই রুট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মিত ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে দেশে এনে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে।

ভূরুঙ্গামারী-কচাকাটা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তি এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় মামলা করা হবে। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির মরদেহ নেওয়া হলো হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


খামেনির মরদেহ নেওয়া হলো হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলে

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনটি, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়া, ঠিক সেই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাষ্টিং’ (আইআরআইবি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটি জানায়, শহীদ নেতা খামেনির মরদেহটি অঘোষিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঠিক সেই স্থানেই আনা হয়েছে, যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।

এদিকে সাবেক এই সর্বোচ্চ নেতার বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস’ (আইআরজিসি)। তাদের তথ্যমতে, রাজধানী তেহরানে ৪ ও ৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বহু-দিনব্যাপী এই গণ বিদায় অনুষ্ঠানে রেকর্ড সংখ্যক—প্রায় ২ কোটি পর্যন্ত মানুষের সমাগম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

ইরান সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টে জানানো হয়, জাতিসংঘের মহাসচিব ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপে আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির শাহাদাতবরণে শোক প্রকাশের পাশাপাশি তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, হরমুজ প্রণালী পরিস্থিতি, লেবাননের যুদ্ধবিরতি এবং চলমান নানান আলোচনা নিয়ে কথা বলেন।

খামেনির স্মরণে ঘানায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস থেকেও বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে তেহরানে তৎকালীন ঘানার রাষ্ট্রপতি জন ড্রামানি মাহামা ও আয়াতুল্লাহ খামেনির মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠকের কথা স্মরণ করে এই শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এক্স-এর একটি পোস্টে দূতাবাস উল্লেখ করেছে, তৎকালীন বৈঠকে খামেনি কোনো তেল চুক্তি বা বাণিজ্য স্মারককিপি নিয়ে কথা বলেননি; বরং আফ্রিকায় কী ঘটছে—তা নিয়েই তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলায় আহত শিক্ষককে মাদারীপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


হামলায় আহত শিক্ষককে মাদারীপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্ব শত্রুতার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারি শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কালকিনি উপজেলার পশ্চিম আলীপুর এলাকার আড়িয়াল খাঁ নদের খেয়াঘাট এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাজধানী ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত রাজন শিকদার এটি ১৫৮নং চর আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি কালকিনি পৌরসভার দক্ষিণ রাজদী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মাজেদ শিকদারের পুত্র। অভিযুক্ত লিপি বেগম এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং পূর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়নের চর আলীপুর গ্রামের শাহ আলম মোল্লার স্ত্রী।

ভুক্তভোগী এবং তার স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, লিপি বেগমের সাথে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে টিফিন বিতরণ নিয়ে রাজন শিকদারের বিরোধ তৈরি হয়। এই নিয়েই প্রায়ই তাদের মধ্যে তর্কবির্তক হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে লিপি বেগম শিক্ষার্থীদের কিছু টিফিন তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে রাজন আপত্তি জানান। এরপর দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে বিদ্যালয় ছুটি শেষে রাজনের ওপর লিপি বেগমের ভাই মিলন মোল্লার বিরুদ্ধে অতর্কিতে হামলার অভিযোগ ওঠে। পিটিয়ে রাজনের ডান পা ভেঙে দেয়া হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। রাজনের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় রাজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনার দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। তবে অভিযুক্ত লিপি বেগম অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষক রাজন শিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায়ই শিক্ষার্থীদের টিফিনের প্যাকেট বাড়িতে নিয়ে যায় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক লিপি বেগম। প্রতিবাদ করায় আমার ওপর হামলা করে লিপির ভাই মিলন মোল্লা ও তার লোকজন। আমার এক পা ভেঙে দিয়েছে। আরেক পা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত। আমি এ ঘটনার কঠিন বিচার চাই।’

অভিযুক্ত লিপি বেগম বলেন, ‘রাজন শিকদার আমার সাথে প্রায়ই খারাপ আচরণ করে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করে বারান্দায় গিয়ে বসে থাকে। আমি প্রতিবাদ করলে তিনি মাঝে মধ্যে আমার ওপর চড়াও হন। তার ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা আমি জানি না।’

এই বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য মিলন মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মাদারীপুরের কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, ‘শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় দোষিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%