বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
০৪:২২ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছীতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ রবিবার (৯ আগস্ট) এক বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা চত্বর থেকে বের করা হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় আদিবাসী নেতা আকাশ পাহান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৪৮-নওগাঁ-৩ মহাদেবপুর বদলগাছী আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বদলগাছী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সংবাদ কর্মীরা এবং স্থানীয় আদিবাসী সমপ্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে আদিবাসী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ৯৭ বারের মতো পিছিয়ে গেছে। এবার আদালত আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন ডেট ঠিক করেছেন।
রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এজন্য আদালত পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের নতুন সময় নির্ধারণ করেছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। স্থানান্তরিত এসব টাকা ফিলিপাইন পাঠানো হয়েছিল।
দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থ পাচার হয়েছে, এমন ধারণা তখন সংশ্লিষ্টদের ছিল। পরে, ওই বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের ওই মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।
মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। কিন্তু বারবার সময় নিয়ে তারা তদন্তের প্রতিবেদন দিতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের খোয়া যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপিন্সের স্থানীয় মুদ্রা পেসোর আকারে আশ্রয় নেয় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দিলেও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এখনও পাওয়া যায়নি।
রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর, ২০১৯ সালে ওই অর্থ উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে একটি মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই মামলার খারিজে আবেদন করে আরসিবিসি। ২০২২ সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের আদালতে আরসিবিসির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলা খারিজ করে দেয়। রায়ে বলা হয়, ওই মামলা বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ ওই আদালতের নেই। এরপর, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে মামলা করা হওয়ার তথ্য জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে এক, দুই ও পাঁচ টাকার ধাতব মুদ্রা এবং ছোট মূল্যমানের পুরোনো নোট কার্যত লেনদেনের বাইরে চলে যাচ্ছে। বৈধ মুদ্রা থাকার পরেও দোকান, কাঁচাবাজার, গণপরিবহন, ফার্মেসি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এই পয়সাগুলি গ্রহণ করতে অনীহা দেখা দিয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতার হাতে বৈধ খুচরো টাকা থাকা সত্ত্বেও তা গ্রহণ না করার কারণে পণ্য কেনা অথবা ভাড়া পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে। যে কারণে ব্যবসায়ীরাও ব্যাংকে খুচরো টাকা জমা দিতে গিয়ে নানা জটিলতার অভিযোগ করছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবস্থাপনা, সচেতনতার অভাব এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা খুচরো টাকার সংকটকে একটি জাতীয় সমস্যায় পরিণত করেছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিনের ছোট ছোট লেনদেনে খুচরো টাকা নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। দোকানদাররা অনেক সময় এক বা দুই টাকার মুদ্রা নিতে অস্বীকার করছেন। কেউ পাঁচ টাকার কয়েন নিলেও, বেশি পরিমাণে নিতে চাইছেন না। গণপরিবহনে যখন যাত্রীরা খুচরো ভাড়া দিতে যান, তখন পরিবহনকর্মীরা তা ফিরিয়ে দিচ্ছেন। যা যাত্রী এবং পরিবহনকর্মীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।
রেলগেট হকার্স মার্কেটের লোকমান স্টোরের মুদি দোকানি জানান, প্রতিদিনই তার কাছে বিপুল পরিমাণ কয়েন জমা হচ্ছে। কিন্তু পাইকারি বাজারে এসব মুদ্রা সহজে নেওয়া হচ্ছে না। ব্যাংকে জমা দিতে গিয়েও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি গ্রাহকদের কাছে খুচরো নিতে নিরুৎসাহিত করছেন। একই ধরনের অভিযোগ জানিয়েছেন আরও অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বৈধ মুদ্রা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে ব্যবসায়ীরা আইন লঙ্ঘন করছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, পণ্যের দাম পরিশোধের জন্য যথেষ্ট অর্থ থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র খুচরো হওয়ার কারণে তাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মাঝে বৈধ মুদ্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।
ফেনীর সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার পলাশ সূত্রধর বলেন, খুচরো টাকা গ্রহণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অধিক পরিমাণ মুদ্রা গণনা ও সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জনবল, বিশেষায়িত যন্ত্র এবং অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। অনেক শাখা প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কয়েন জমা হলেও দ্রুত তা প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে গ্রাহকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা অসন্তোষের সৃষ্টি করছে।
ফেনী সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আফরোজা বানু জানান, দেশের প্রচলিত সব বৈধ মুদ্রা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য। কেউ ইচ্ছামতো বৈধ মুদ্রা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারে না। কিন্তু বাস্তবে আইন প্রয়োগের দুর্বলতা এবং জনসচেতনতার অভাবে এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। ছোট মূল্যমানের মুদ্রা বাজারে সচল না থাকলে দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, খুচরো টাকা অচল হয়ে পড়ার আরেকটি কারণ হল বাজারে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার। এখন অনেক প্রতিষ্ঠান খুচরো ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধে উৎসাহিত করছে। তবে একটি বড় জনগোষ্ঠী এখনও নগদ লেনদেনের ওপর নির্ভরশীল, তাই খুচরো টাকার গুরুত্ব কমেনি।
ফেনী চেম্বার অব কমার্সের জুনিয়র সহসভাপতি সাঈদুর রহমান জুয়েল বলেন, ব্যাংকগুলোতে খুচরো টাকা জমা ও উত্তোলনের জন্য পৃথক কাউন্টার চালু করা, পর্যাপ্ত মুদ্রা গণনা যন্ত্র স্থাপন এবং নিয়মিতভাবে বাজারে খুচরো মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধ মুদ্রা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।
ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, খুচরো টাকা গ্রহণে অস্বীকৃতি গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। বৈধ মুদ্রা সম্পর্কে মানুষের আস্থা নষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, ব্যবসায়ীক সংগঠন এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত হল, খুচরো মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ব্যাংক শাখায় দ্রুত মুদ্রা গ্রহণ ও বিনিময় ব্যবস্থা চালু, বাজারে নিয়মিত খুচরো সরবরাহ এবং ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা ছাড়া এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পাশাপাশি বৈধ মুদ্রা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে কার্যকর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিদিনের ক্ষুদ্র লেনদেন একটি দেশের অর্থনীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করে। বৈধ খুচরো মুদ্রা গ্রহণে অনীহার কারণে সেই লেনদেন ব্যাহত হলে, তার প্রভাব শুধু সাধারণ মানুষের পকেটে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ধীরে ধীরে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাজারব্যবস্থা এবং আর্থিক শৃঙ্খলার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই অচল হয়ে পড়া খুচরো টাকা আবার সচল করার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত লোহিত সাগর উপকূলের কৌশলগত আল-মাখা সমুদ্রবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা হুথিদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্দরে ঘটেছে।
এই বিষয়ে ইয়েমেন টুডে টিভি ও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সাবা টিভির বরাতে সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা বিস্তারিত জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বন্দরের পরিচালক জানান, বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র বন্দরের বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এখনও হামলার দায় স্বীকার করেনি হুথি গোষ্ঠী।
প্রসঙ্গত, আল-মাখা বন্দর হলো ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাতে এই বন্দর ও উপকূলীয় এলাকাগুলো বিভিন্ন পক্ষের সামরিক তৎপরতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন ও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ইনজেকশন মওজুদ না থাকা এবং দায়িত্ব অবহেলার কারণে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীনকে তাৎক্ষনিক বদলির নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ সকালে, সকাল ১০টায়, তিনি হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে বিভিন্ন অনিয়ম দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং সিভিল সার্জনকে তাৎক্ষনিক বদলির জন্য মুঠোফোনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এ সময় তিনি হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন এবং চলমান পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুরো হাসপাতালটি ঘুরে দেখেন।
এ সময় চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যাহ সেলিম, হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়, হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদন্নবী মাছুম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ