রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, ১ হাজার ৩৪১ শিশুর শরীরে নতুন করে হাম উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২২৮ শিশু। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৮৮ হাজার ২৮ শিশু।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১৩ শিশু। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ শিশু।
১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ শিশু। একই সময়ে, সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ শিশু।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে কারো মৃত্যু হয়নি, এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।’
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে নাহিদ ইসলাম এই কথা বলেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক আরও জানান, ‘রাতের আঁধারে জুলাইয়ে আমাদের রাজপথের সহযোদ্ধা জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে।’
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে দুই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে, চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল। আবার এবার ঘটনাটি ঘটেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে। প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের হতে পারে?’
নাহিদ বলেন, ‘কোনো স্থাপনা যদি অবৈধ হয়ে থাকে, কেউ দখল করে রাখে তা উদ্ধারের জন্য আইন-আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ আছে। আইনি পথ বাদ দিয়ে সারা দেশে ক্ষমতাসীনদের এমন উন্মত্ত আচরণ কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?’
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব এখন শুরু হয়নি। শুরু হয়েছে পাঁচ আগস্ট বিকাল থেকে। যখন গোটা দেশের তারুণ্য বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর তখন বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারা দেশে ফ্যাসিবাদীদের চাঁদাবাজি, দখলবাজির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। আরও ভয়াবহ হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শোষণের সাম্রাজ্য দখল করেই এরা ক্ষান্ত হয়নি। চাঁদাবাজি-দখলবাজির পরিমাণ ও আওতা কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। আঠারো কোটি মানুষ আজ এদের কাছে জিম্মি।’
‘সরকার বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে, এসবের বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে আমরা বলতে চাই, অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত হয়নি, বরং চক্রান্ত ও ইভিএম ‘হাইজ্যাক’ করে দলটিকে হারানো হয়েছে। তিনি বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিল করে পুরোনো ভোটার তালিকার ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানায় পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
এই প্রথম কলকাতার বাইরে রাজনৈতিক সমাবেশে শনিবার উপস্থিত হন মমতা, নির্বাচনে পরাজয়ের পাঁচ মাস পর। পুলিশ সভার অনুমতি না দেওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হুগলির শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে মমতা বলেন, ‘এসআইআর বাতিল করে পুরোনো ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই এই বাংলায় আবার ভোট নিতে হবে। শুধু বাংলাই নয়—বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানাতেও নতুন করে নির্বাচন করতে হবে। ইভিএম হাইজ্যাক করে এবং এসআইআরের অপব্যবহার করে ওরা ভোটে জিতেছে। ভোটে আমরা হারিনি, বরং চক্রান্ত করে আমাদের হারানো হয়েছে। সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও উপজাতিদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মানুষ এখনো আমাদের সাথেই আছে।’
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সম্পর্কে মমতা মন্তব্য করেন যে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে জুলুম করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমারের নাম ‘ভ্যানিশ কুমার’ তিনিই দিয়েছিলেন এবং এই এসআইআরের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় ৯২ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে ‘ভ্যানিশ’ (বাদ) করে দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘আইনের রক্ষক হয়ে ভক্ষক’ হিসেবে কাজ করেছেন এবং অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই মানুষ এই সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভান্ডার, রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম চলছে। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা হচ্ছে এবং সর্বত্র চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে।
কুনাল ঘোষের গাড়িতে হামলা
এদিকে শ্রীরামপুরের জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে উত্তরপাড়ায় হামলার মুখে পড়েন তৃণমূলের বিধায়ক কুনাল ঘোষ। একদল বিক্ষোভকারী তাঁর গাড়ির সামনে কালো পতাকা প্রদর্শন করে স্লোগান দেয় এবং ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে কুনালের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনি কাঁধে চোট পান বলে দাবি করেন। পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় তিনি কলকাতায় ফিরে যান। এ ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন তিনি। তবে বিজেপির দাবি, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল।
অন্যদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার হাজরা মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে কংগ্রেস। সমাবেশ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর চেষ্টা করা হলে পুলিশ তা জব্দ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তামিলনাড়ুর একজন নারী ইনফ্লুয়েন্সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে গহনা, নগদ অর্থ ও পরিবারের ভ্রমণের ছবি-ভিডিও পোস্ট করতেন। সম্প্রতি, তার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ঢুকে প্রায় ১ কোটি (বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা) রুপি মূল্যের স্বর্ণ ও হীরার গহনা এবং নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা।
পুলিশ এখন তদন্ত করছে, ওই নারীর অনলাইন পোস্ট দেখে কি চোরেরা এই চুরির পরিকল্পনা করেছিল।
ভুক্তভোগী ইনফ্লুয়েন্সারের নাম মধুমিতা। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা সাড়ে চার লাখেরও বেশি। তিনি নিয়মিত নিজের বিপুল পরিমাণ গহনা ও টাকার ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতেন।
স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মধুমিতা ও তার পরিবার কেনাকাটার জন্য বাইরে যান। এই সুযোগে ঘরের পেছনের দরজার তালা ভেঙে ভেতরের আলমারি লুট করে নেয় চোরেরা। তারা প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণালংকার, মূল্যবান হীরার গহনা এবং ৫০ হাজার নগদ রুপি নিয়ে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, চুরির কিছুদিন আগে মধুমিতা বিছানায় টাকার বান্ডিল ছড়িয়ে এবং গায়ে প্রচুর গহনা জড়িয়ে বেশ কিছু রিলস ও ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। এমনকি তিনি পরিবার নিয়ে কখন বাইরে যাচ্ছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন—সেই তথ্যও নিজের ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
পুলিশের ধারণা, চোরেরা হয়তো দীর্ঘদিন ধরে তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজর রাখছিল। তারা জানতে পেরেছিল, তিনি কখন বাড়িতে থাকবেন না এবং কোথায় গহনা রাখা আছে, তা তার অনলাইন পোস্ট থেকেই জানা গেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, এর আগে একটি ভিডিওতে মধুমিতা দাবি করেছিলেন যে কীভাবে নিজের মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদে রাখতে হয় তা তিনি ভালো করেই জানেন। চুরির এই ঘটনার পর তার সেই পুরোনো ভিডিওটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের হিমালয়ে আবারও একটি ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। মানাং জেলার নার ফু অঞ্চলে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং হিমাল পর্বতের শিবিরে তুষারধসে অন্তত ১৪ জন নেপালি নিখোঁজ হয়েছেন।
নিখোঁজদের মধ্যে শেরপা, পর্বতারোহী দলের সহায়ক কর্মী এবং রান্নার কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি, যা উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে।
রোববার সকালে হিমলুং হিমালের শিবির থেকে প্রথমে আটজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না বলে জানা যায়। পরে নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়ায়। হিমালয়ান হলিডেজ ট্রেকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিভূতি চন্দ্র ঠাকুর জানিয়েছেন, নিখোঁজ সবাই নেপালি। বিদেশি পর্বতারোহীরা এখনও ওই পর্বতে পৌঁছাননি।
বিদেশি দল পৌঁছানোর আগে নেপালি কর্মীদের একটি দলকে পাহাড়ে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের কাজ ছিল শিবির প্রস্তুত করা, পথ পরিষ্কার করা, অভিযানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং দড়ি স্থাপনের কাজ করা। সেই দলের সদস্যরাই তুষারধসের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুর জানান, রোববার সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে হিমলুংয়ে থাকা এক শেরপা হেলিকপ্টার পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করেন। তখন আটজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর নিখোঁজের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়ায়।
উদ্ধারকাজের জন্য বেসরকারি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে কাঠমান্ডু ও পোখরায়। নেপালের সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা চলছে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে কোনো হেলিকপ্টার এখনো হিমলুংয়ের দিকে উড়তে পারেনি। স্থলপথেও দ্রুত উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছাতে পারছে না। ফলে আকাশপথে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
নেপালের পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালক রামকৃষ্ণ লামিছানে জানিয়েছেন, সরকার উদ্ধার তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে রান্নার কর্মী, শেরপা গাইড এবং অন্যান্য সহায়ক কর্মীরা রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হিমলুং হিমাল তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি মানাং জেলার নার ফু এলাকায় অবস্থিত। দুর্গম এই পর্বতে হেলিকপ্টার চলাচলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমতির প্রয়োজন হয়। ফলে খারাপ আবহাওয়ার সঙ্গে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক জটিলতাও উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তুলেছে।
গত কয়েক দিন ধরে নেপালের পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি ও তুষারপাত চলছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড়, প্রবল বাতাস এবং উঁচু এলাকায় তুষারপাতের সতর্কতা জারি করেছিল নেপালের পর্যটন বিভাগ। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পর্বতারোহী ও পর্যটকদের অভিযান স্থগিত রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।
খারাপ আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে নেপালের অন্যান্য পর্বতারোহণ অভিযানে। মানাসলু ও ধবলগিরি অভিযানের একাধিক দল নিচে নেমে এসেছে। কোথাও অভিযান স্থগিত, কোথাও আবার পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হিমলুংয়ের ঘটনায় এখন মূল লক্ষ্য নিখোঁজ ১৪ জনকে খুঁজে বের করা। কিন্তু পাহাড়ে অব্যাহত তুষারপাত এবং হেলিকপ্টার উড়তে না পারায় সময় যত গড়াচ্ছে, উদ্বেগ ততই বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ