ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বাড়ি থেকে ১ কোটি টাকার সম্পদ চুরি


কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বাড়ি থেকে ১ কোটি টাকার সম্পদ চুরি

ভারতের তামিলনাড়ুর একজন নারী ইনফ্লুয়েন্সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতভাবে গহনা, নগদ অর্থ ও পরিবারের ভ্রমণের ছবি-ভিডিও পোস্ট করতেন। সম্প্রতি, তার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ঢুকে প্রায় ১ কোটি (বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা) রুপি মূল্যের স্বর্ণ ও হীরার গহনা এবং নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা।

পুলিশ এখন তদন্ত করছে, ওই নারীর অনলাইন পোস্ট দেখে কি চোরেরা এই চুরির পরিকল্পনা করেছিল।

ভুক্তভোগী ইনফ্লুয়েন্সারের নাম মধুমিতা। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা সাড়ে চার লাখেরও বেশি। তিনি নিয়মিত নিজের বিপুল পরিমাণ গহনা ও টাকার ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মধুমিতা ও তার পরিবার কেনাকাটার জন্য বাইরে যান। এই সুযোগে ঘরের পেছনের দরজার তালা ভেঙে ভেতরের আলমারি লুট করে নেয় চোরেরা। তারা প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণালংকার, মূল্যবান হীরার গহনা এবং ৫০ হাজার নগদ রুপি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, চুরির কিছুদিন আগে মধুমিতা বিছানায় টাকার বান্ডিল ছড়িয়ে এবং গায়ে প্রচুর গহনা জড়িয়ে বেশ কিছু রিলস ও ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। এমনকি তিনি পরিবার নিয়ে কখন বাইরে যাচ্ছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন—সেই তথ্যও নিজের ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।

পুলিশের ধারণা, চোরেরা হয়তো দীর্ঘদিন ধরে তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজর রাখছিল। তারা জানতে পেরেছিল, তিনি কখন বাড়িতে থাকবেন না এবং কোথায় গহনা রাখা আছে, তা তার অনলাইন পোস্ট থেকেই জানা গেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এর আগে একটি ভিডিওতে মধুমিতা দাবি করেছিলেন যে কীভাবে নিজের মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদে রাখতে হয় তা তিনি ভালো করেই জানেন। চুরির এই ঘটনার পর তার সেই পুরোনো ভিডিওটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিমালয়ে তুষারধসে নিখোঁজ ১৪ নেপালি, উদ্ধারকাজে বিঘ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


হিমালয়ে তুষারধসে নিখোঁজ ১৪ নেপালি, উদ্ধারকাজে বিঘ্ন

নেপালের হিমালয়ে আবারও একটি ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। মানাং জেলার নার ফু অঞ্চলে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং হিমাল পর্বতের শিবিরে তুষারধসে অন্তত ১৪ জন নেপালি নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজদের মধ্যে শেরপা, পর্বতারোহী দলের সহায়ক কর্মী এবং রান্নার কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি, যা উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে।

রোববার সকালে হিমলুং হিমালের শিবির থেকে প্রথমে আটজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না বলে জানা যায়। পরে নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়ায়। হিমালয়ান হলিডেজ ট্রেকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা বিভূতি চন্দ্র ঠাকুর জানিয়েছেন, নিখোঁজ সবাই নেপালি। বিদেশি পর্বতারোহীরা এখনও ওই পর্বতে পৌঁছাননি।

বিদেশি দল পৌঁছানোর আগে নেপালি কর্মীদের একটি দলকে পাহাড়ে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের কাজ ছিল শিবির প্রস্তুত করা, পথ পরিষ্কার করা, অভিযানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং দড়ি স্থাপনের কাজ করা। সেই দলের সদস্যরাই তুষারধসের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুর জানান, রোববার সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে হিমলুংয়ে থাকা এক শেরপা হেলিকপ্টার পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করেন। তখন আটজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর নিখোঁজের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়ায়।

উদ্ধারকাজের জন্য বেসরকারি হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে কাঠমান্ডু ও পোখরায়। নেপালের সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা চলছে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে কোনো হেলিকপ্টার এখনো হিমলুংয়ের দিকে উড়তে পারেনি। স্থলপথেও দ্রুত উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছাতে পারছে না। ফলে আকাশপথে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

নেপালের পর্যটন বিভাগের মহাপরিচালক রামকৃষ্ণ লামিছানে জানিয়েছেন, সরকার উদ্ধার তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে রান্নার কর্মী, শেরপা গাইড এবং অন্যান্য সহায়ক কর্মীরা রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হিমলুং হিমাল তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি মানাং জেলার নার ফু এলাকায় অবস্থিত। দুর্গম এই পর্বতে হেলিকপ্টার চলাচলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমতির প্রয়োজন হয়। ফলে খারাপ আবহাওয়ার সঙ্গে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক জটিলতাও উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তুলেছে।

গত কয়েক দিন ধরে নেপালের পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি ও তুষারপাত চলছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড়, প্রবল বাতাস এবং উঁচু এলাকায় তুষারপাতের সতর্কতা জারি করেছিল নেপালের পর্যটন বিভাগ। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পর্বতারোহী ও পর্যটকদের অভিযান স্থগিত রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।

খারাপ আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে নেপালের অন্যান্য পর্বতারোহণ অভিযানে। মানাসলু ও ধবলগিরি অভিযানের একাধিক দল নিচে নেমে এসেছে। কোথাও অভিযান স্থগিত, কোথাও আবার পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হিমলুংয়ের ঘটনায় এখন মূল লক্ষ্য নিখোঁজ ১৪ জনকে খুঁজে বের করা। কিন্তু পাহাড়ে অব্যাহত তুষারপাত এবং হেলিকপ্টার উড়তে না পারায় সময় যত গড়াচ্ছে, উদ্বেগ ততই বাড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন জরুরি: নারী ফোরাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন জরুরি: নারী ফোরাম

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের পর এর বিধিমালা প্রণয়ন দ্রুততার সঙ্গে জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তামাকবিরোধী নারী ফোরামের সদস্যরা। তারা উল্লেখ করেছেন, আইনের বিধান কার্যকর করার জন্য বিধিমালা প্রণয়ন অপরিহার্য। তাই সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়নের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নারী মৈত্রী আয়োজিত ‘সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬: প্রত্যাশা ও অর্জন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তারা সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬)’ পাস করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তারা একই সঙ্গে সংশোধিত আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তামাক ব্যবহারকারী দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি, যা ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ভারতে এই হার ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন।

টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫-এর তথ্য তুলে ধরে সভায় বলা হয়, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া কয়েক লাখ মানুষ পঙ্গুত্বের শিকার হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, তামাক ব্যবহারের কারণে মৃত্যু, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি মিলিয়ে বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। অর্থাৎ তামাক থেকে পাওয়া রাজস্বের তুলনায় এর অর্থনৈতিক ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি।

এমন বাস্তবতায় গত ১০ এপ্রিল ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬)’ পাস হয়। বক্তারা বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে সংশোধিত আইন পাস একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে আইনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিধিমালা প্রণয়নেও একই মাত্রার গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

নেওয়াজ হালিমা আরলি এমপি বলেন, “বর্তমান সরকার তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্যকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বর্তমান সরকার তার নীতিগত ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাব, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেন বিধিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায়।”

ফরিদা ইয়াসমিন এমপি বলেন, “বাংলাদেশ ২০০৩ সালে WHO FCTC-তে স্বাক্ষর করেছে, যা তামাক নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য চুক্তি। তবে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে FCTC-এর সব গুরুত্বপূর্ণ দিকের প্রতিফলন এখনও নেই। বিশেষ করে তামাকশিল্পের প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য নীতি সুরক্ষা, তামাকজাত পণ্যের উপাদান ও নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ, জনসচেতনতা এবং তামাক ছাড়তে সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংশোধিত আইনে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বিধিমালা প্রণয়নের সময় FCTC-এর বাধ্যবাধকতা ও বাস্তবায়ন নির্দেশিকাগুলো বিবেচনায় নিয়ে দেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।”

হেলেন জেরিন খান এমপি বলেন, “সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকোসহ উদীয়মান নিকোটিন ও তামাকজাত পণ্যের নিয়ন্ত্রণ এবং খুচরা শলাকা ও খোলা তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো আইনে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এসব পণ্য বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তামাক ও নিকোটিন ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। একইভাবে খুচরা শলাকা বিক্রির ফলে তামাকজাত পণ্য তরুণদের জন্য সহজলভ্য হয়ে উঠছে। তাই বিধিমালা প্রণয়নের সময় এসব সীমাবদ্ধতা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”

সেলিনা সুলতানা এমপি বলেন, “সংশোধিত আইনে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহণে শর্তসাপেক্ষে নির্ধারিত ধূমপান এলাকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তামাক কোম্পানিগুলো যাতে বিভিন্ন কূটকৌশল অবলম্বন করে এই সুযোগের অপব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে বিধিমালায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর নির্দেশনা থাকতে হবে।”

নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহিন আকতার ডলির সভাপতিত্বে সভায় তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম, তামাকবিরোধী শিক্ষক ফোরাম, তামাকবিরোধী নারী সাংবাদিক ফোরাম ও তামাকবিরোধী ইয়ুথ ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা দ্রুত যথাযথ বিধিমালা প্রণয়ন করে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও সুস্পষ্ট ও কার্যকর করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝি নেই, রশিই ভরসা; কুমার নদে ১০ গ্রামের মানুষ পার হচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


মাঝি নেই, রশিই ভরসা; কুমার নদে ১০ গ্রামের মানুষ পার হচ্ছেন

ফরিদপুরের সালথায় কুমার নদের উপর একটি সেতুর অভাবের কারণে ১০ গ্রামের মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। গট্টি ইউনিয়নের বড়দিয়া ও দিয়াপাড়া এলাকার ঘাটে কোনো মাঝি নেই। নদী পার হতে হলে নৌকার সঙ্গে বাঁধা রশি টেনে মানুষকে নিজেদেরই নৌকা পার করতে হয়।

বিশেষ করে নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও অসুস্থ ব্যক্তিরা বেশি বিপাকে পড়েন। অনেক সময় নারীদের একজন পুরুষের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। কুমার নদের পূর্ব পাড়ে বড়দিয়া বাজার, মেহেরদিয়া, নারায়নদিয়া, ছোট লক্ষনদিয়া ও বড় লক্ষনদিয়া এবং পশ্চিম পাড়ে দিয়াপাড়া, রসুলপুর, রঘুয়ারকান্দি, জয়ঝাপ ও বালিয়া গট্টি গ্রামের মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করে চলাচল করেন।

দুই পাড়ে একাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা হাসপাতাল রয়েছে। প্রতিদিন এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হতে হয়। বর্ষায় নদীতে ঢেউ ও স্রোত বৃদ্ধি পেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। অনেক সময় নৌকা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসও মিস হয়ে যায়।

স্থানীয় কলেজছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, “ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েদের রশি টেনে নৌকা পার হওয়ার সুযোগ নেই। তাই ঘাটে পুরুষের অপেক্ষায় থাকতে হয়। অনেক সময় সেই অপেক্ষায় ক্লাসও মিস হয়ে যায়। দ্রুত এখানে ব্রিজ নির্মাণ করা না হলে এই দুর্ভোগের কোনো সমাধান হবে না।”

কৃষক আব্দুর রহমান, স্থানীয় বাসিন্দা লূতফর রহমান ও ব্যবসায়ী নজরুল শেখ মন্তব্য করেন, “শত বছর ধরে রশি টেনে নৌকায় ১০ গ্রামের মানুষ নদী পার হচ্ছেন। নদীর দুই পাড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। কৃষকদের ফসল নিয়ে ১০-১৫ কিলোমিটার ঘুরে বাজারে যেতে হয়। একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, সময় ও খরচ কমবে; পাশাপাশি পুরো এলাকার বেচাকেনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, বড়দিয়া–দিয়াপাড়া এলাকায় কুমার নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হলে ১০ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া জানান, “গট্টি ইউনিয়নের কুমার নদের বড়দিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় অনেকেই আমার কাছে দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এ ছাড়া মন্ত্রী মহোদয়ের ডিও লেটারও পেয়েছি। প্রস্তাবটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, এখানে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ করতে পারবো।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আড়াই কেজির বেশি ওজনের রুপালি ইলিশ ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


নোয়াখালীর হাতিয়ায় আড়াই কেজির বেশি ওজনের রুপালি ইলিশ ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি

নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে একটি বড় আকারের রুপালি ইলিশ, যার ওজন ২ কেজি ৬০০ গ্রাম।

মাছটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজার ঘাটে নিলামে ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের জেলে মো. রাজিব হোসেন ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে একটি ছোট ট্রলারে করে কবিরার চরের কাছে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে যান। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে তাঁদের জালে ধরা পড়ে এই বড় আকারের মাছটি।

পরে রোববার সকালে মাছটি নামার বাজার ঘাটে নিয়ে আসা হলে এটি দেখতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। বড় আকারের ইলিশটি নিলামে তোলা হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দর হাঁকাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকা ওঠে। পরে ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন।

এনায়েত মৎস্য আড়তের মালিক এনায়েত হোসেন বলেন, সকালে জেলেরা মাছটি ঘাটে নিয়ে আসেন। এত বড় ইলিশ দেখে আড়তে থাকা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকা ওঠে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন মাছটি কিনে নেন।

স্থানীয় এক জেলে জানান, আমরা ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাই। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে জালে বড় এই মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো দাম পাওয়ায় আমাদেরও ভালো লেগেছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। সাগরে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্বাভাবিক। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা এবং জাটকা সংরক্ষণ করা জরুরি। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%