রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৩ পি.এম
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জনপ্রশাসন ও খাদ্যপ্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে জয়পুরহাট জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত থেকে ও মোনাজাতে অংশ নেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ওহাব, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান উজ্জ্বল প্রধান, জেলা শ্রমিক দলের শফিকুল ইসলাম, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মনজুরে মওলা পলাশসহ দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে শিগগিরই আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে ইইউয়ের সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় সম্মতি নেওয়া হবে। এরপর দুই পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হবে।
রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ইইউয়ের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশনসহ ২৭ সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ইইউয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পথে যেসব বাধা রয়েছে, তার বেশিরভাগই সমাধানের পথে। বিশেষ করে ইইউয়ের উত্থাপিত নন-ট্যারিফ বাধা দূর করতে সরকার কাজ করছে।
বাংলাদেশ ও ইইউয়ের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ইইউর উত্থাপিত নন-ট্যারিফ বাধা দূর করার অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
এফটিএ নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা কবে শুরু হবে? এ প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ইইউয়ের সঙ্গে এফটিএ ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে এ বিষয়ে অভিন্ন স্বার্থের জায়গাগুলো খুঁজে দেখতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে ইইউয়ের সদস্য দেশগুলোর সম্মতি প্রয়োজন। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর সমর্থন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া হবে। এরপর দুই পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমরা ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ, ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য।
সম্ভাব্য এফটিএ নিয়ে ইইউয়েরও ইতিবাচক সাড়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের পর ইউরোপীয় কমিশন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হলে চলতি সপ্তাহ থেকেই যৌথ কারিগরি আলোচনা শুরু হতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইইউয়ের মধ্যে এফটিএ হলে তা শুধু শুল্ক কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ই-কমার্স, মেধাস্বত্বের সুরক্ষা, মানবাধিকারসহ সীমান্তের বাইরের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ও আলোচনায় আসবে।
ইইউ সাধারণত অংশীদারদের সঙ্গে উচ্চাভিলাষী বাণিজ্য চুক্তি করে উল্লেখ করে মাইকেল মিলার বলেন, সম্ভাব্য এফটিএ নিয়েও বিস্তৃত পরিসরে আলোচনা হবে। যথাসময়ে এসব বিষয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী, ব্যবসায়ী ও অন্যান্য অংশীজনকে বিস্তারিত জানানো হবে।
ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করতে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ ও ইইউ উভয়ই লাভবান হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা ও জনগণের প্রয়োজন বিবেচনা করে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়।
তিনি বলেন, জ্বালানি (এলএনজি) ও খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, পণ্যের গুণগত মান এবং অপচয়ের হার বিশ্লেষণ করে সরকারি ক্রয় কমিটি সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব দ্বারা পরিচালিত নয়, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই সব সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের সাবেক মন্ত্রী ও জাতিসংঘে সাবেক রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদানকে লিকুদ পার্টি থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহান্তে লিকুদ আন্দোলনের মহাপরিচালক ডেভিড শারানকে এরদানকে দল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু। এর মাত্র কয়েক দিন আগে আসন্ন নেসেট নির্বাচনে তার স্বতন্ত্র দল ‘ইউনিটি’ নির্বাচনী বাধা পেরোতে পারবে না—এমন সিদ্ধান্তে দলটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এরদান।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপকে এরদানের প্রতি ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হিসেবে দেখছে। জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব শেষে ইসরায়েলে ফেরার পর থেকেই একের পর এক রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছেন এরদান।
ইসরায়েলে ফেরার পর নেতানিয়াহু তাকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান পদে এরদানের সম্ভাব্য নিয়োগেও আপত্তি জানান তিনি। আসন্ন নির্বাচনে লিকুদের নেসেট প্রার্থী তালিকায়ও এরদানের জন্য কোনো আসন সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে তিনি ‘ইউনিটি’র নেতৃত্বে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
তবে সেই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নির্বাচনী বাধা অতিক্রমের সম্ভাবনা না থাকায় সপ্তাহান্তে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একসময় লিকুদের প্রাথমিক নির্বাচনে অন্যতম জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এরদান এবার দলেও ফিরতে পারছেন না। নেতানিয়াহুর নির্দেশে তাকে লিকুদ থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলোর ধারণা, এরদানের প্রতি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ক্ষোভও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত শুরু হওয়ার সময় এরদান দেশটির জননিরাপত্তামন্ত্রী ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল তিনটায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন, কাউখালী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাইসুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাইসুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষার্থীদের শুধু লেখাপড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া চর্চার কোনো বিকল্প নেই। মাদক ও সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতাগুলো থেকে আগামী দিনের সফল ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, "সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে অত্যন্ত চমৎকারভাবে প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ ও ক্রীড়ানৈপুণ্য সত্যিই প্রশংসনীয়। আগামীতে আমরা আরও বড় পরিসরে ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি।
প্রতিযোগিতার সাফল্য ও সার্বিক ব্যবস্থার বিষয়ে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, "সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সুশৃঙ্খলভাবে চার টি ইভেন্টের খেলা শেষ করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আমরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য বিশেষ গাইডলাইন প্রদান করব।
এবারের প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখার প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দাবা, কাবাডি, হ্যান্ডবল ও সাঁতার—এ চার ইভেন্টে বালক ও বালিকা পৃথক বিভাগে প্রতিযোগীরা তাদের ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, একাডেমি সুপারভাইজার রিয়াজুল হক, রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক মোঃ তানভীর আহমেদ, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কিরণ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান মিজান এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ প্রতিটি ইভেন্টের বালক ও বালিকা বিভাগের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের সামনে থাকা জনমিতিক লভ্যাংশ (পপুলেশন ডিভিডেন্ট) কাজে লাগানোর জন্য কর্মক্ষম জনগণের দক্ষ ও শিক্ষিত মানবসম্পদে পরিণত হওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিশাল কর্মক্ষম জনগণের যথাযথ শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে।
আজ জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘পার্লামেন্টস রোল ইন রিয়্যালাইজিং পপুলেশন ডিভিডেন্টস, এসডিজিস এন্ড আইসিপিডিস কমিটমেন্টস' শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।
স্ট্রেনদেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইন ইন্টিগ্রেশন অব পপুলেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইস্যুস (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না; দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে তার বিশাল কর্মক্ষম জনগণকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দক্ষ, শিক্ষিত ও উৎপাদনশীল জনগণই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল শক্তি।
তিনি আরও বলেন, আগামী প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জন্য জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ও সক্ষমতাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। দক্ষতা, শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।
চিফ হুইপ বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হওয়ায় জনসংখ্যা ও উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু মানুষ পাঠানোই যথেষ্ট নয়; দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করে তাদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পাঠাতে হবে। দক্ষ কর্মীরা বিদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবেন, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও কার্যকর সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা গেলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশের উৎপাদনশীলতা ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ