ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কোকেনকাণ্ডে নিষিদ্ধ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার, জানা গেল এত দিন পর


কোকেনকাণ্ডে নিষিদ্ধ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার, জানা গেল এত দিন পর

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন, যিনি মাঠে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত, এবার ভিন্ন কারণে আলোচনায় আসছেন। কোকেন সেবনের দায়ে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ক্রিকেট রেগুলেটর তাকে এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। ৩৬ বছর বয়সী এই ব্যাটার ইতিমধ্যে সেই শাস্তি ভোগ করেছেন। সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।

ক্রিকেট রেগুলেটর একটি বিবৃতিতে জানায়, ‘ক্রিস লিনের ওপর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। তিনি শাস্তি মেনে নিয়েছেন। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।’

গত ১৮ জুলাই ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্ল্যাস্টের ফাইনাল ডে-তে নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলেছিলেন লিন। ওই দিন তার নমুনা সংগ্রহ করে মাদক পরীক্ষা করা হয়। ফ্রান্সের একটি স্বীকৃত পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে কোকেনের বিপাকজাত উপাদান বেনজয়লেকগোনিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: গোড়ালির চোটে সিলেট টেস্টে সাদমানের খেলা অনিশ্চিত

গত ৩১ জুলাই লিনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করার কথা জানায় ক্রিকেট রেগুলেটর। পরে ২০ আগস্ট লিন স্বীকার করেন, ১৫ ও ১৬ জুলাই তিনি কোকেন সেবন করেছিলেন। তবে তার দাবি ছিল, প্রতিযোগিতার বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে এবং এর সঙ্গে মাঠের পারফরম্যান্সের কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রাথমিকভাবে লিনকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দেওয়া হলেও মাদকাসক্তি নিরাময় কর্মসূচি সম্পন্ন করায় শাস্তি কমিয়ে এক মাস করা হয়। ৩১ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪ ওয়ানডে ও ১৮ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ক্রিস লিন। ২০১৮ সালে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর তিনি আর কখনো ডাক পড়েননি। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টির পরিচিত মুখ লিন এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি।

আরও পড়ুন: হাসান মাহমুদের ৬ উইকেটের পরও উইন্ডিজের চ্যালেঞ্জিং ৩৫৬ রান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যুনতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার তারিখ ৯ নভেম্বর নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


ন্যুনতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার তারিখ ৯ নভেম্বর নির্ধারণ

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে আগামী ৯ নভেম্বর দ্বিতীয় সভায় বসতে চলেছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শিল্প শাখা থেকে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, আগামী সোমবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানী।

সভায় আলোচনা হওয়ার সম্ভাব্য বিষয়গুলোর মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। প্রথমত, পোশাকশিল্পের শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা পৃথকভাবে তাদের প্রস্তাবিত মজুরি হারের লিখিত প্রস্তাব জমা দেবেন। দ্বিতীয়ত, পোশাকশিল্পে নিয়োজিত সব গ্রেডের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি হার নিয়ে আলোচনা হবে।

গত ১ নভেম্বর তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য ৬ সদস্যের ‘নিম্নতম মজুরি বোর্ড’ গঠন করে সরকার। বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আগের সভায় মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তারা আগামী সভায় তাদের প্রস্তাবিত মজুরি কাঠামো জমা দেবেন।

মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর সেগুলো পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশের তৈরি পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রস্তাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন

শেরপুর জেলার পাঁচ উপজেলায় শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা, বাজারে আগাম সবজি তুলে ভালো দাম পাওয়ার আশায়। বিশেষ করে গারো পাহাড়ি অঞ্চলের তিন উপজেলায় আগাম সবজির আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অসময়ের বৃষ্টি ও পোকামাকড়ের আক্রমণের ঝুঁকি সত্ত্বেও অধিক লাভের প্রত্যাশায় কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সবজি খেতের পরিচর্যায়।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। কিছুদিন আগে যেসব জমিতে ধানের আবাদ ছিল, সেসব জমিতে এখন শোভা পাচ্ছে বাঁধাকপি, ফুলকপি, করলা, শিম, টমেটো, বেগুন ও লাউসহ নানা ধরনের শীতকালীন সবজি। শীত পুরোপুরি আসার আগেই এসব সবজি বাজারে তুলতে পারলে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা।

ঝিনাইগাতী উপজেলার আদর্শ কৃষক আনোয়ার হোসেন, শ্রীবরদী উপজেলার শাহিন মিয়া, নকলা উপজেলার আলহাজ্ব জাকির হোসেন চঞ্চল ও নালিতা বাড়ী উপজেলার আমিরুল ইসলাম ইনকিলাবকে বলেন, "আশা করি সবজি চাষে এবার ভাল লাভবান হবো। তাই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সবজি ক্ষেতে কাজ করে যাচ্ছি।"

শেরপুর সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এবার আগাম বেগুন, আলু, বাঁধাকপি ও ফুলকপিসহ হরেক রকম সবজি চাষ করেছেন। আগাম সবজি উৎপাদনে খরচ কিছুটা বেশি হলেও বাজারে চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ার আশায় তারা বাড়তি পরিশ্রম করছেন। তবে ফসল ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত বৈরী আবহাওয়া ও রোগবালাইয়ের আশঙ্কা তাদের ভাবিয়ে তুলছে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর শেরপুর জেলায় প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। কৃষকদের মধ্যে আগাম সবজি চাষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে সার, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম কমানো গেলে উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমবে বলে স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন। এতে কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সাধারণ ভোক্তারাও তুলনামূলক কম দামে সবজি কিনতে পারবেন।

শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, "শীতকালীন সবজিকে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সঠিক পদ্ধতিতে বালাইনাশক প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছেন।"

এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চমূল্যের আগাম সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টদের আশা, কৃষকদের পরিশ্রম, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে শেরপুরে আগাম শীতকালীন সবজি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। এতে কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি ভোক্তা পর্যায়ে ও যথা সময়ের আগেই সবজির চাহিদা পূরণ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরের সদরপুরে সাড়ে চার বছরেও ৪ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ শেষ হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


ফরিদপুরের সদরপুরে সাড়ে চার বছরেও ৪ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ শেষ হয়নি

ফরিদপুরের সদরপুরে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও সম্পন্ন হয়নি, যার ব্যয় প্রায় ৪ কোটি টাকা। ২০২২ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের নির্মাণকাজে এখন পর্যন্ত দুই কিলোমিটারেরও কম অগ্রগতি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিল বাবদ ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা তুলে নিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা, যা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এই কাজটি পেয়েছে এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সড়কটি ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত।

সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির নির্মাণের প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। কিন্তু বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে।

পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে বাসিন্দাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, "বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে।"

ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, "সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক।"

দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, "সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।"

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব।"

এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, "আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে।"

বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, "প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুজতবা খামেনির বার্তা পুতিনের কাছে পৌঁছে দিলেন নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


মুজতবা খামেনির বার্তা পুতিনের কাছে পৌঁছে দিলেন নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাই

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজাই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎটি রুশ রাজধানী মস্কোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, মস্কোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ক্রেমলিনে তাদের মধ্যে বৈঠকটি হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, রেজাই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির একটি বার্তা প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তবে, সেই বার্তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

তেহরান ও মস্কো দীর্ঘকাল ধরে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। তবে, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পুতিন ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই দেশের সম্পর্কের সমীকরণে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%