শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৬ পি.এম
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী দাবি করেছে যে, আফগান তালেবানের একাধিক নিরাপত্তা চৌকি ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। এই অভিযানগুলি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান ও পারাচিনার সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত হয়।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর আঙ্গুর আড্ডা এলাকায় আফগান বাহিনীর উসকানিমূলক ও বিনা প্ররোচনায় গুলিবর্ষণের জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করে। সূত্রগুলো দাবি করেছে যে, পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের ফলে আফগান তালেবান সদস্যরা তাদের অবস্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এ সময় তালেবান বাহিনীর বেশ কয়েকজন হতাহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
এর আগে, গত বুধবার দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের আঙ্গুর আড্ডা এলাকায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে আফগান বাহিনীর হামলা ঘটে। এই হামলায় একই পরিবারের একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হন। ঘটনার পর পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়ে তালেবানের একাধিক চেকপোস্ট ধ্বংস করে।
নিম্ন দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, আফগান তালেবান বাহিনী বিনা উসকানিতে আঙ্গুর আড্ডা বাজার ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকায় গুলি চালায়। এ সময় একটি মর্টার শেল ওই এলাকায় আঘাত হানলে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন এবং পাঁচজন আহত হন। হামলায় বেশ কয়েকটি দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডেপুটি কমিশনার আরও বলেন, সীমান্তে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনারা হামলার কঠোর জবাব দিচ্ছে। নিরাপত্তা সূত্রের মতে, তাৎক্ষণিক পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সীমান্তের ওপারে আফগান তালেবানের একাধিক চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে।
আঙ্গুর আড্ডা সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই এ ধরনের আন্তঃসীমান্ত সহিংসতার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলের শেষের দিকে সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী আফগান তালেবানের অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।
এর আগে, গত ফেব্রুয়ারিতে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ পরিচালনা করে। ইসলামাবাদ বারবার কাবুলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে যে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেন কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাতে না পারে।
সূত্র : জিও নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি জয়ের স্বাদ পেল। এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের ‘বি’ গ্রুপে টানা দুই হারের পর আজ তারা ইউল্যাবের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছে। হতাশা ভুলে আজকের ম্যাচে তারা সফল হয়েছে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ১-০ গোলের ব্যবধানে ইউল্যাবকে পরাজিত করেছে। জয়সূচক গোলটি করেছেন ইমতিয়াজ মারুফ।
এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে ইউল্যাবের একটি সুযোগ এসেছিল। কিন্তু তাদের এক খেলোয়াড়ের নেওয়া ভলি বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। বিপরীতে, ১০ মিনিটে ব্র্যাকের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে মারুফ বক্সের মধ্যে থেকে শটটি সঠিকভাবে নিতে পারেননি।
প্রথমার্ধের ৫০ মিনিটে দুই দলই আরো কিছু সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, কিন্তু খেলোয়াড়রা সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্য ড্রতে শেষ হয়।
বিরতির পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যে খেলাটি চলতে থাকে, তবে কোন দলই গোলের দেখা পাচ্ছিল না। অবশেষে ৪০ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইউল্যাবের রক্ষণভাগ বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে মারুফ বক্সের মধ্যে বল পান সতীর্থের আলতো টোকায়। চলতি বলেই ডান পায়ের জোরালো বাঁকানো শটে তিনি গোল করেন। তার সেই গোলের মাধ্যমে ব্র্যাক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার সদর উপজেলায় বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ছয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং তিনজনের আহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই শোক প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৩০ অক্টোবর বিকেলে পাবনা সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের সোনাপাতি বিলে বৃষ্টির সময় আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রপাতে ছয়জন কিশোর ও তরুণের মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করুন। একই সঙ্গে বজ্রপাতে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় একটি করে স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলিত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডে যুবসমাজ ও পল্লবী থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে ১২টি স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই, পল্লবী ও রূপনগরের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় একটি করে স্পোর্টিং ক্লাব ও একাডেমি গড়ে উঠুক। শুধু ক্লাব গঠন করলেই হবে না, সারা বছর নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করতে হবে। এ জন্য খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সার্বিক সহযোগিতা সরকারিভাবে এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’
তরুণদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, যুবসমাজ চাইলে সমাজের সব ধরনের বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি শৃঙ্খলিত সমাজ গড়ে তুলতে পারে। তরুণরা খেলাধুলায় মনোযোগী হলে মাদকসহ সামাজিক অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে এ সামাজিক পরিবর্তনে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পল্লবী ও রূপনগরে পাঁচটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের অনুমোদন পাওয়া গেছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত এসব মাঠের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া রূপনগরের একটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই জায়গায় ৩২টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া থাকায় বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্লটের বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্য জায়গায় প্লটের ব্যবস্থা করে দিলে তাঁরা মাঠের জন্য জায়গাটি ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে। তবে মাঠটি খেলার উপযোগী করতে সেখানে কৃত্রিম ঘাস, চারপাশে সীমানাপ্রাচীর ও আলোর ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, এলাকার মানুষের পানির সংকট সমাধানে কয়েকটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। আরও কয়েকটি স্থানে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি এলাকার সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানেও তিনি কাজ করছেন।
চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা অন্যায় করে, চাঁদাবাজি ও দখলের সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। সে যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ আমার নাম কিংবা দলের নাম ব্যবহার করে অন্যায় করলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন। তাদের আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপপ্রচারের পথে না গিয়ে সত্যকে ধারণ করতে হবে। একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
আমিনুল হক আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ইতিমধ্যে পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রকৃত অসহায় ও সুবিধাপ্রাপ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করতে স্থানীয়দের সহযোগিতা চান তিনি।
অনুষ্ঠানে নগর বিএনপি নেতা গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মাহবুব আলম মন্টু, কর্মসূচির আয়োজক পল্লবী থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সৈয়দ হাসান সোহেলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে মিরপুর সেকশন-১১-এর ব্লক-বি আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদুল হুদা কমপ্লেক্স ও ডুইপ প্লটে তিনটি গভীর নলকূপ এবং তালাব ক্যাম্পে মৃত ব্যক্তিদের গোসলের জন্য নির্মিত গোসলখানা উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং নির্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নবনির্মিত কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং শম্ভুগঞ্জ ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
এই অবকাঠামোটি পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে এবং আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সফলভাবে চালু করা হয়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন লাইন ও উপকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে, যা প্রায় ২০ লাখ মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সঞ্চালন লাইনটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, ত্রিশাল ও নেত্রকোনার কিছু অংশে দীর্ঘদিনের লো-ভোল্টেজ সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হয়েছে। পূর্বে গ্রীষ্মকালে সংশ্লিষ্ট ১৩২ কেভি নেটওয়ার্কের ভোল্টেজ সর্বনিম্ন ১০২ থেকে ১০৫ কেভিতে নেমে আসলেও বর্তমানে তা বেড়ে ১২০ থেকে ১২১ কেভিতে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া, গ্রীষ্ম মৌসুমে ওই অঞ্চলের ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সঞ্চালনগত যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা-ও দূর হয়েছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ আরও জানায়, নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে বছরে গড়ে ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ পর্যন্ত সিস্টেম লস কমতে পারে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের ভিত্তি মজবুত হওয়ার ফলে ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিল্পকারখানা, অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাকশিল্প ও রাইস মিলসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতের সম্প্রসারণে বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ