বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৯ পি.এম
দেশে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি নিসরনে কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোমে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের জন্য চীনের প্রস্তাবটি বর্তমানে রিভিউয়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। ইতোমধ্যে চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রদত্ত প্রস্তাবটিতে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা থেকে বুধবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ওই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নেয়।
সেদিন সরকারি ক্রয় সভার বৈঠকে এ প্রস্তাবটি আলোচনা করা হয়। সেখানে দেখা যায়, মহেশখালীতে জিটুজি পদ্ধতিতে কুতুবজোম এফএসআরইউ স্থাপনের লক্ষ্যে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোং লিমিটেড (সিএনইই) যে দর দিয়েছে, তা অনুমোদনের প্রস্তাব কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নথি অনুযায়ী, সুপারিশকৃত দরদাতা সিএনইই। তাদের প্রস্তাবিত ব্যয় ছিল ১৫ বছর মেয়াদে প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, অথবা ২০ বছর মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা। দেশের জ্বালানি সরবরাহের সংকটের প্রেক্ষিতে বিএনপি সরকার আরও একাধিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে গত ১৯ জুন সিএনইই কুতুবজোমে একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দেয়। এতে দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট, সর্বোচ্চ সক্ষমতা ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবের তথ্য অনুযায়ী, এফএসআরইউ স্থাপনে ১৫ বছরের চুক্তিতে প্রতিষ্ঠানটি দৈনিক ৩ লাখ ৪২ হাজার ডলার নেবে। বর্তমানে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের জন্য সরকারের দৈনিক খরচ ২ লাখ ৫৪ হাজার ডলার। সামিট এলএনজি টার্মিনালের জন্য খরচ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১১৫ ডলার। এর মানে হলো, কুতুবজোমে এফএসআরইউ নির্মাণের ক্ষেত্রে সিএনইই-কে বর্তমান ব্যয়ের চেয়ে ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ বেশি দিতে হবে এই চুক্তির আওতায়। তবে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, বর্তমানে যে দুটি টার্মিনাল রয়েছে সেগুলো বিগত ২০১৮ সালে চালু হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পগুলোর প্রস্তাব অনেক আগে এসেছে। বৈশ্বিক সংকটের কারণে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। ফলে, আগের দুটি টার্মিনালের সাথে বর্তমানে নির্মিত হতে যাওয়া টার্মিনালের দৈনিক ফি এক হতে পারে না। এটি অবশ্যই বেশি হবে।
এছাড়া, এই ধরনের প্রকল্পে শুধুমাত্র দৈনিক ফি হিসাব করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। প্রকল্পের সক্ষমতা, অর্থায়ন ব্যয়, নির্মাণ ব্যয়, পরিচালন ব্যয়, চুক্তির মেয়াদ, ঝুঁকি বণ্টন ও হস্তান্তর শর্তসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সরকার তৃতীয় এলএনজি টার্মিনালের বিষয়ে ভেবেচিন্তে অগ্রসর হচ্ছে।
তবে বিওও এবং বিওওটি মডেল নিয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। জ্বালানি খাতের একজন কর্মকর্তা জানান, চীনা প্রস্তাবটি যখন আসে, তখন বিকল্প কোনো প্রস্তাব সরকারের কাছে ছিল না। এর মধ্যে মার্কিন কোম্পানির একটি নতুন প্রস্তাব এসেছে। সেটি বিবেচনায় নিয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান যেভাবে প্রকল্প রিভিউ করতে পারবে, তেমনি সরকারের জন্যও সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে।
দেশে জ্বালানির সঙ্কট চলছে। এই সংকট কাটাতে সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এর জন্য পায়রা, মোংলা ও হিরনপয়েন্টে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে এবং বিনিয়োগকারী খোঁজা হচ্ছে। তবে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে 'স্বচ্ছ' প্রতিযোগিতার কথা বলে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত ৭ সেপ্টেম্বর এফবিসিসিআই কার্যালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এফএসআরইউ স্থাপনে ‘স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক’ প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট খেলা আবিষ্কারের সমস্ত কৃতিত্ব ইংল্যান্ডের ঝুলিতে থাকলেও, ক্রিকেটের অতি পরিচিত এবং জনপ্রিয় ঐতিহ্য ‘টি-ব্রেক’ বা ‘চা-বিরতি’ চালুর কৃতিত্ব কিন্তু ইংলিশদের নয়! প্রাথমিক যুগের টেস্ট ম্যাচগুলোতে কোনো চা-বিরতির আনুষ্ঠানিক নিয়মই ছিল না। তথ্য বলছে, ১৮৮১-৮২ সালের ঐতিহাসিক অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়াই প্রথম এই চা-বিরতির প্রচলন করেছিল।
পরবর্তীতে ১৮৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়া দল যখন ইংল্যান্ড সফরে যায়, তখন অজি অধিনায়ক জো ডার্লিং আনুষ্ঠানিকভাবে চা-বিরতির প্রস্তাব দেন। ইংরেজরা তার সেই ইচ্ছাকে সম্মান জানালেও শুরুতে কিছুটা ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। বিরতি দেওয়া হলেও খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে প্যাভিলিয়নে যেতেন না; বরং মাঠেই তাদের জন্য চা ও হালকা নাশতা নিয়ে আসা হতো। ১৯০২ সালের অ্যাশেজেও এই নিয়ম বহাল ছিল। তবে ১৯০৫ সালে প্রথমবারের মতো ক্রিকেটাররা আনুষ্ঠানিকভাবে চা পানের উদ্দেশ্যে মাঠ ছেড়ে প্যাভিলিয়নে যাওয়ার সুযোগ পান। যদিও এর পরও বেশ কিছু বছর মাঠে বসে চা খাওয়ার ছবি ও ঐতিহ্য দেখা গেছে।
তবে চা-বিরতির সূচনা নিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি আকর্ষণীয় তথ্যও প্রচলিত আছে। টেস্ট খেলুড়ে দেশ না হলেও স্কটল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। ধারণা করা হয়, উনিশ শতকের শেষ দিকে স্কটিশ ম্যাচগুলোতে চা পানের চল শুরু হয়। ১৮৯২ সালের মে মাসে গ্লাসগোর টিটউডে নর্থাম্বারল্যান্ড ও গ্লাসগো অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্টের মধ্যকার ম্যাচে মধ্যাহ্নভোজের পর প্রথম চা-বিরতির লিখিত প্রমাণ মেলে।
সময়ের বিবর্তনে টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে ক্রিকেটেও ঢুকে পড়েছিল এই ঐতিহ্য। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৬০ ওভারের প্রথম তিনটি বিশ্বকাপসহ তৎকালীন ওয়ানডে ম্যাচগুলোতে দুইবার বিরতি দেওয়া হতো—প্রথম ইনিংসে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে চা-বিরতি। অবশ্য আধুনিক ওয়ানডেতে দুই ইনিংসের মাঝে দীর্ঘ বিরতি রাখায় এই নিয়ম আর উঠে গেছে। বর্তমানে চা-বিরতি মূলত পাঁচ দিনের টেস্ট ক্রিকেটেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কালের পরিক্রমায় চায়ের মেন্যুতে এসেছে বৈচিত্র্য। এখন আর শুধু এক কাপ চায়ে সীমাবদ্ধ থাকে না এই বিরতি। বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার, স্যান্ডউইচ ও হরেক পদের নাশতার ব্যবস্থা করা হয় এবং অনেক সময় বিশ্বখ্যাত শেফদের দায়িত্ব দেওয়া হয় ক্রিকেটারদের খাবার তৈরির।
খেলোয়াড়দের এই বিরতির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার অলি পোপ একবার এক সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘অনেকে হয়তো চা পছন্দ করেন, তবে আমি সাধারণত স্যান্ডউইচের সঙ্গে কফি খেতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়নের জন্য একটি আট সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। নতুনভাবে গঠিত এই কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৩ অক্টোবর এই কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী দুই মাসের মধ্যে তারা এ বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ছাড়াও নবগঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বিমানবাহিনী প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক।
কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটি প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) দ্বারা প্রণীত ‘ই-জাতীয় সংসদ প্রজেক্ট (e-JSP)’ এর দ্রুত এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১০ সদস্যের ‘ই-পার্লামেন্ট বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নির্দেশনার ভিত্তিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে সংসদ সদস্যদের নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সংসদ সদস্য এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ, সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিনকাসেম, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং সংসদ সদস্য আন্না মিন্জ। এই নবগঠিত কমিটির সচিব হিসেবে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মহাপরিচালক (বিঅ্যান্ডআইটি)।
গঠিত কমিটির মূল কার্যপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে ইউএনডিপি প্রণীত ‘ই-জাতীয় সংসদ প্রজেক্ট’ শীর্ষক আধুনিকায়নের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করা। পাশাপাশি দেশে আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর ই-পার্লামেন্ট গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যাবতীয় বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার এই কমিটিকে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ই-পার্লামেন্ট প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠু ও মসৃণভাবে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে কমিটি চাইলে প্রয়োজন অনুসারে পরে আরো সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়নে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন অটোমেশন পদ্ধতিতে করা হবে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, পক্ষপাতিত্ব কিংবা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে তাঁদের পছন্দ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হচ্ছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা অন্য কোনো প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই।
তিনি জানান, অটোমেশন পদ্ধতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে পুরো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকার এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে চায়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন করা হলেও অতীতে, বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে, এ ক্ষেত্রে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে দলীয় বিবেচনায় বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছিল। অতীতে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও ভঙ্গুর অবস্থার চিত্র সংবাদমাধ্যমেও বারবার উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ