শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৫ পি.এম
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে, যা দেশের আগামী বছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দেবে। এ বিষয়ে এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিচাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একটি সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন।
মিচাল ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের জন্য ইউরোপের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, "দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহায়তা চালিয়ে যেতে হবে এবং তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেই আসতে হবে।"
গত বছরের ডিসেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ২০২৬ ও ২০২৭ সালে ইউক্রেনের আর্থিক চাহিদার বড় অংশ মেটাতে ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। তবে কিয়েভ জানিয়েছে, আগামী বছরে তাদের ৭ হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থের ঘাটতি হতে পারে, যা প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় ও সরকারের নিয়মিত খরচ মেটাতে প্রয়োজন।
ইউরোপের কিছু দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে জব্দ থাকা রাশিয়ার সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনকে অর্থায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু বেলজিয়ামে থাকা এসব সম্পদের বড় অংশের কারণে দেশটি এবং ইইউর অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের আপত্তির ফলে এই প্রস্তাব আটকে রয়েছে।
মিচালের মতে, ইউক্রেনকে নতুন ঋণ দেওয়াই হতে পারে সবচেয়ে সম্ভাব্য সমাধান। তিনি বলেন, "ইউরোপ এর আগেও বহুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। ফলে এ ধরনের ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউরোপের কাছে পরিচিত।"
এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলতি বছরের শেষ হওয়ার আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ২০২৭ সালের জন্য ইউক্রেনকে অতিরিক্ত অর্থায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন। তিনি মনে করেন, আগামী বছর ইউরোপের অনেক দেশে নির্বাচন থাকায় আগেভাগে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ইউক্রেনকে দেওয়া আগের ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণের অর্থ জোগাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের সম্মিলিত বাজেটের বিপরীতে ঋণ নিচ্ছে। নতুন ঋণের অর্থ কীভাবে জোগাড় করা হবে, এ বিষয়ে মিচাল বলেন, "ইউরোপ শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করবে। পরিস্থিতি সবচেয়ে কঠিন পর্যায়ে পৌঁছালেও ইউরোপ সমাধানের পথ বের করতে পারে।"
রাশিয়ার ২০২২ সালের পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যয় মেটাতে পশ্চিমা দেশগুলোর আর্থিক সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ফলে আগামী বছরের সম্ভাব্য অর্থ ঘাটতি পূরণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন সিদ্ধান্ত কিয়েভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ—এমন প্রশ্ন তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের আটকের তীব্র সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘটনাকে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ বলে অভিহিত করেন।
দিল্লিতে সিজেপির প্রস্তাবিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলকে কেন্দ্র করে দীপককে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কেজরিওয়াল। তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভকারীদের ভয় পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিয়ে আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাকিস্তানে চলে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এর আগে এক পোস্টে দীপকের আটককে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে কেজরিওয়াল প্রশ্ন তুলেছিলেন, ভারতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ?
এর আগে অভিজিৎ দীপকে নিজ বাসা থেকে আটকের পর অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী এক সাংবাদিকের বরাতে জানা গেছে, পুলিশ সেন্ট্রাল পার্কের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং বিক্ষোভকারীদের এলাকা ছেড়ে যেতে নির্দেশ দেয়। এ সময় পার্কের কাছে চার থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কনট প্লেস ও এর আশপাশে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে ঘিরে দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জনের মাঝে চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন আলোচনায় আসেন। মামুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কারণে তার ‘কথিত প্রেমিকা’ তিশা দাবি করেছেন যে, তাদের সাত বছরের প্রেম ও বিয়ে ভেঙে গেছে। তিশার অভিযোগ, দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও বিয়ের কয়েক দিন আগে মামুন সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান।
তিশার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মে তাদের বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর বিয়ের আয়োজন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের কয়েক দিন আগে মামুন তাকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কেন এমন সিদ্ধান্ত, তা জানতে চেয়েও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাননি বলে দাবি করেছেন তিশা।
গণমাধ্যমকে তিশা বলেন, "যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।"
তিশার অভিযোগ, মামুনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য তিনি একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেছেন। পরিবারের সদস্যরাও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কোনো প্রচেষ্টাতেই কাজ হয়নি। পরে সাবিলার সঙ্গে মামুনের সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার পর থেকে মামুনের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিশা বলেন, "ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আমার বড় ক্ষতি করল। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।"
তিশা জানান, তাদের বিয়ে আরও আগে হওয়ার কথা থাকলেও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ের কারণে তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শাকিব খানের মতো তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনি বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন বলে দাবি করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত তার জীবনে বড় আঘাত হয়ে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
তিশার ভাষ্য, তার পরিবার এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি তাতে সম্মতি দেননি। তবে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে মামুনের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি বলে অভিযোগ তার।
এদিকে সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়েও সম্প্রতি নানা আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন তারা। তবে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারা আলাদা থাকছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে দুজনের কেউই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবিলা ও শাকিব খানকে ঘিরেও নানা আলোচনা ছড়িয়েছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সূত্রে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সাবিলা নূর, নেহাল সুনন্দ তাহের ও আবদুল মামুনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা ও মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিশা। সিনেমাটির পরিচালক আজমান রুশোর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। পরে গণমাধ্যমকে এক বার্তায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
আজ শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সৈকত এলাকায় এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণ করেন চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৬) প্রণয় চাকমা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫) সুবল চাকমা, সংশ্লিষ্ট জোনের কর্মকর্তা, সুপারিনটেনডেন্ট, পতেঙ্গা থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, আনসার বাহিনী এবং চসিকের স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যরা।
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ এবং নান্দনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে চসিক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জামায়াতে ইসলামীর বরগুনা জেলা শাখার সাবেক সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানকে দেখতে গেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি হাসপাতালে গিয়ে গুরুতর আহত শামীম আহসানের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরামর্শ দেন। পরে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে মহান আল্লাহর দরবারে শামীম আহসানের পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।
হাসপাতাল থেকে বের হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে মানুষকে নাজেহাল করেছেন।" তিনি আরও জানান, "এর আগেও আরেকজনের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অনেকের বাড়িঘরে হামলা, দোকানপাটে লুটপাট এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার তালিকা আমাদের কাছে রয়েছে।"
তিনি বলেন, "এ ঘটনার পরপরই আমি সরকারদলীয় চিফ হুইপকে ফোন করেছি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছি। আমি আশা করি, সরকার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। আমরা আর এ ধরনের ঘটনা দেখতে চাই না। আমরা চাই না, কেউ ফুলের পাপড়ি দিয়েও কাউকে আঘাত করুক। রাজনীতি হবে রাজনীতির ভাষায়, সন্ত্রাসের ভাষায় নয়। আমাদের প্রত্যেকেরই আলাদা রাজনৈতিক আদর্শ ও কর্মসূচি রয়েছে।"
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "আমরা একটি সুস্থ ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ চাই। এ বিষয়ে কারও কোনো বক্তব্য বা অভিযোগ থাকলে তা উপস্থাপনের জন্য জাতীয় সংসদে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। আমি সবাইকে সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ