শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২০ এম
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে স্থানীয় নির্বাচনের আগাম ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পুনর্বিন্যাসের পর, চরফ্যাশনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটার এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণার তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ জনপদে রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সীমানা জটিলতা নিরসন এবং মেয়াদ শেষ হওয়া ৮টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নির্বাচনী মাঠে প্রবেশ করেছেন।
চরফ্যাশন উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়ন সম্পূর্ণ আইনি জটিলতামুক্ত এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সেগুলো হলো- চরমাদ্রাজ ইউনিয়ন, নুরাবাদ ইউনিয়ন, চরকলমি ইউনিয়ন, হাজারি গঞ্জ ইউনিয়ন, জাহানপুর ইউনিয়ন, এওয়াজপুর ইউনিয়ন, ঢালচর ইউনিয়ন ও আহম্মদপুর ইউনিয়ন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই ৮টি ইউনিয়নে ভোটের জন্য প্রশাসনিক ও আইনি সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো সময় আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
এদিকে, এই নির্বাচনকে সামনে রেখে চরফ্যাশন উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য (মেম্বার) এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রার্থীরা প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত গণসংযোগ, কুশল বিনিময় থেকে শুরু করে প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা এবং অনানুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। হাট-বাজার ও চায়ের দোকানগুলো সম্ভাব্য প্রার্থীদের ছবি সংবলিত শুভেচ্ছা ব্যানার, ফেস্টুন এবং পোস্টারে ছেয়ে গেছে। গ্রামের প্রধান প্রধান মোড় ও চায়ের দোকানগুলোতে এখন একটাই আলোচনা, কে হচ্ছেন কার প্যানেলের প্রার্থী এবং কার পাল্লা কতটুকু ভারী।
অন্যদিকে, তৃণমূলের সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে তাদের পছন্দের সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে নিজস্ব হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে এমন নেতৃত্বকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। সাধারণ ভোটাররা চান একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যার মাধ্যমে সৎ, যোগ্য এবং জনবান্ধব প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রানুযায়ী, এই ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোট কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ এবং অন্যান্য লজিস্টিকসগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে সবুজ সংকেত পেলেই যেকোনো দিন এই ইউনিয়নগুলোর নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তফসিল ঘোষণার পর এই নির্বাচনি আমেজ ও আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। চরফ্যাশনের এই নির্বাচনি আবহ তৃণমূলের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নওগাঁ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন নওগাঁ জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে জেলার নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীন বরণ ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবরে এ আয়োজন করা হয়। এসময় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদেরকে বরণের পাশাপাশি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের প্রবীণ শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করে সংগঠনটি।
অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলার সন্তান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে নবনিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় ও নবনিযুক্ত তিনজন প্রভাষককে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
সমিতির সভাপতি মো. সৈকত ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোয়াইব আহম্মেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান ও একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান, জার্নালিজম বিভাগের নবনিযুক্ত সভাপতি সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয়, ফোকলোর বিভাগের প্রভাষক নুসরাত নাইম নির্জনা ও মো. ফয়সাল হোসেন এবং ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক মো. হাসান আলী। এছাড়াও জেলার অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, আমরা যদি নওগাঁর অতীত দেখি, এই নওগাঁ থেকে গোটা বাংলা শাসন করা হয়েছে একসময়। কিন্তু আমরা আমাদের ঐতিহ্য সারা বাংলাদেশে তুলে ধরতে পারিনি। নবীনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দিন যত যাচ্ছে, কর্মক্ষেত্র সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তোমাদেরকে সে অনুযায়ী প্রস্তুত হতে হবে।
ইবি উপাচার্যের বিভিন্ন উদ্যোগে নওগাঁর শিক্ষার্থীদেরকে সবার আগে আহ্বান করে তিনি বলেন, জাপান, কোরিয়ার মতো দেশগুলোর জনশক্তি দরকার। আমাদের মানুষ আছে। কিন্তু মানুষের দক্ষতার অভাব। আমি চাই, নওগাঁর সমস্ত শিক্ষার্থী দক্ষ জনশক্তি হোক। আমাদের নিজেদের উন্নতিই হবে নওগাঁর উন্নতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুটিং প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে আর্মি শুটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন, যিনি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
এই প্রতিযোগিতা ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে পাঁচ দিনব্যাপী চলেছিল, যেখানে মোট ৬টি ইভেন্টে ৭টি ডিভিশনের ৮৪ জন শুটার অংশগ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম সেনা শুটিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং ঘাটাইল সেনা শুটিং ক্লাব রানার-আপ হয়।
যশোর সেনা শুটিং ক্লাবের সৈনিক মো. ইউসুফ আলী শ্রেষ্ঠ শুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
এ সময় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিট ও সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্য এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বাংলাদেশের সমুদ্র অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির (Blue Economy) উন্নয়নে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (BMU) শিক্ষার্থীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. নিয়ামত এলাহির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই আশাবাদ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের অগ্রগতি, ব্লু ইকোনমিতে দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি উচ্চশিক্ষায় গবেষণার অগ্রগতি ও সম্ভাবনাও আলোচনা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা দেশের ব্লু ইকোনমির অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দেবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন সামুদ্রিক দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মেরিটাইম হাব হিসেবে গড়ে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জামালপুর সমিতি, ঢাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার জন্য সংবর্ধনা প্রদান করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অনুষ্ঠানে জামালপুরের নির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দ, জামালপুর সমিতির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং জামালপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার।" তিনি বলেন, "দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সংগ্রামে আমি জামালপুরবাসীকে আমার পাশে পেয়েছি। এজন্য আমি আজীবন আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।"
জামালপুরের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, লাওচাপড়াকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঝিনাইগাতীতে পর্যটন হোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জামালপুরের পর্যটন স্পটগুলোকে পরিকল্পিতভাবে তুলে ধরা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ জামালপুর ভ্রমণে আগ্রহী হন।
এ সময় মন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারকে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "তার নেতৃত্ব শুধু তার নিজের জন্য নয়, গোটা জামালপুরবাসীর জন্যও ছিল এক বিরাট পাওয়া।"
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, "জামালপুরবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা ছাড়া আজকের এ অবস্থানে আসা সম্ভব হতো না। আমি সবসময় জামালপুরের জনগণের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। ২০০১ সালে জামালপুরবাসী আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দিয়েছেন।"
মন্ত্রী বলেন, "যদি সৎ পথে চলা যায়, সত্য কথা বলা যায় তবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। এর প্রমাণ আমি নিজেই। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি আজ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী।"
তিনি আরও বলেন, "যমুনা নদীর ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প বর্তমানে একনেকে রয়েছে। প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর মাধ্যমে জামালপুরের সাধারণ মানুষ নদীভাঙনের কবল থেকে সুরক্ষা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।"
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী সকলকে দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আসুন, আমরা সবাই মিলে এই দেশটাকে ভালোবেসে দেশের জন্য যার যার অবস্থান থেকে কাজ করি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ