ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদে জ্বালাময়ী বক্তব্যে যা বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ


সংসদে জ্বালাময়ী বক্তব্যে যা বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বসুন্ধরার পুত্র সোবহান দেশে ঢোকার সাহস পাইনি, আনভীর দেশে ঢুকতে পারেনি। কিন্তু, এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সোবহানের পুত্র সদর্পে দেশে ঢুকেছে।

বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুদক বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমরা এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাই। আমরা জানতে চাই, আন্ডার টেবিল কোনো ধরনের সমঝোতা হয়েছে কিনা? যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়? সেটা বাংলাদেশের জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এই বসুন্ধরা গ্রুপ, যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে, মিডিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গুম, খুন ও হত্যার বৈধতা দিয়েছে, তাদের খুঁটির জোর কোথায়, সেটাও আমাদের জানতে হবে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গুম-খুনের বিরুদ্ধে বৈধতা অর্জন করা ব্যক্তিদের বিএনপির পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশোধ পরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। তবে, প্রতিশোধ পরায়ণ না হওয়া এবং সুবিচার নিশ্চিত না করা একটি বিষয় নয়।

আরও পড়ুন: গোদাগাড়ী মডেল থানার পুলিশ গরু চুরির অভিযোগে উজ্জল নামে চোরকে গ্রেপ্তার করেছে

তিনি আরো বলেন, যেসব মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সুবিচার চাই। আমরা প্রতিহিংসার কথা বলছি না।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর ব্যাংকগুলোর টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। সেই পাচার করা টাকা কিভাবে উদ্ধার করা হবে, সেটার বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট পলেসি পাইনি। ঋণ খেলাপিদের সাথে সংসদে শেয়ার করতে হয়, এ জন্য আমরা লজ্জা পাই।

তিনি বলেন, আমরা শুনতে পেয়েছি এবং দেখতে পাই সরকারি দলের অনেকেই আমাদের কাছে এসে মাঝে মাঝে দুঃখ প্রকাশ করে। তারা বলেন, আমরা জেল খেটেছি, কষ্ট করেছি, আমাদের সন্তানদের সাথে থাকতে পারিনি। কিন্তু, সরকারের কিছু কিছু মানুষ বসুন্ধরার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে। তারা মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে, যে মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে। সংসদের ক্ষমতাসীন দলের অনেকেই এখানে যুক্ত। এটা শুধু আমাদের জন্য নয়, বরং তাদের সহকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, সেটা আমরা জানি।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস দিন, না হলে বিল নেয়া বন্ধ করুন: সংসদে কামাল হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


গ্যাস দিন, না হলে বিল নেয়া বন্ধ করুন: সংসদে কামাল হোসেন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন ঢাকা-৫ আসন থেকে বলেছেন, "গ্যাস দিন, না হলে বিল নেয়া বন্ধ করুন।"

তিনি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এই কথা বলেন।

কামাল হোসেন বলেন, "আমার এলাকায় গ্যাস লাইন আছে। কিন্তু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। মা-বোনদের রান্নায় দুর্গতির কোনো শেষ নেই। আমরা সিটিকরপোরেশনের ট্যাক্স দিচ্ছি কিন্তু সেবা পাচ্ছি না।"

এর আগে গাজীপুর-৪ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন বলেছেন, দুর্নীতিকে প্রমোট করার জন্য সারোয়ার আলমের মতো একজন সৎ ও ক্লিন ইমেজের ডিসিকে সিলেট থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরো এ বলেন, "স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম থেকে ডিম, রুটি ও কলা বাবদ প্রতি সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচিতে প্রতিদিন নতুন নতুন দুর্নীতির খবর আসছে।"

জামায়াতের এই এমপি বলেন, "দুর্নীতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাকা পাচারকারীরা এখন বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে : সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


টাকা পাচারকারীরা এখন বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে : সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রকাশিত শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে যে, ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। যারা এই পাচার করেছে তারা আজ গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিতে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে।

তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার মালিকের ছেলে সুবহান আনভীর দেশে ঢোকার সাহস পায়নি। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে এই ধর্ষক সদর্পে দেশে ঢুকেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছে, সেটির অগ্রগতি কী হয়েছে, সেটা আমরা জানতে চাই। কোনো আন্ডারটেবিল (টেবিলের নিচে) সমঝোতা হয়েছে কি না, সেটা বাংলাদেশ জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর কথা বলা হচ্ছে, আবার বলা হচ্ছে—ট্যাক্স বাড়ানো হবে; এটা সাংঘর্ষিক। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম দিনশেষেও কমবে না, কারণ এই ট্যাক্সের বোঝাটি দিনশেষে সাধারণ মানুষের ওপরেই চেপে বসবে।

এনসিপির এই এমপি বলেন, আমরা সরকারি দল থেকে নির্বাচনের আগে একটি প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম—আগামী পাঁচ বছরে এক কোটির ওপরে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক মাসে দেড় লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান। সেই হিসেবে এই চার মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিল ৬ লাখ। অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন, এই চার মাসে কয়টি কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে? আদৌ কি ৬ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে? নাকি নির্বাচনের আগে সেটি শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল?

তিনি বলেন, আমরা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট কর্মসূচি পাইনি যে, কীভাবে ব্যাংকগুলোকে দলীয়করণমুক্ত করা হবে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ব্যাংকের টাকা ঋণের নামে যেভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, সেই পাচারকৃত টাকা কীভাবে উদ্ধার করা হবে—সেটার সুস্পষ্ট কোনো পলিসি (নীতিমালা) দেখতে পাচ্ছি না।

তিনি বলেন, জনগণের টাকা নিয়ে বিলাসিতা বন্ধ করতে হবে এবং ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে হবে। আমরা লজ্জা পাই একই সংসদে একসঙ্গে বসার জন্য, কারণ তারা জনগণের টাকা মেরে আবার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে আসে। এমন একটি আইন প্রণয়ন করতে হবে, যেন তারা নির্বাচিত হওয়ার পরেও যদি ঋণখেলাপি হয়, তবে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গুম-হত্যাকে বৈধতা দিয়েছে। তাদের খুঁটির জোর কোথায়, সেটাও আমরা জানতে চাই। সরকারি দলেরই অনেকে আমাদের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, তারা কষ্ট করেছেন, জেল খেটেছেন, কিন্তু তাদের দলেরই কিছু মানুষ বসুন্ধরার অ্যাডভাইজর (উপদেষ্টা) হিসেবে কাজ করে।

তিনি বলেন, যে মিডিয়া তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে আজকে সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্য যুক্ত। এটি তাদের সহকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। এই বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া লেলিয়ে দেওয়া হয়। যারা ব্যাংক দখল করেছে, গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করেছে এবং গুম-খুনের বৈধতা উৎপাদন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সরকারের কাছ থেকে কঠোর অ্যাকশন দেখতে চাই।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধপরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু প্রতিশোধপরায়ণ না হওয়া আর সুবিচার নিশ্চিত না করা—দুটি এক বিষয় নয়। আমরা চাই তিনি গুম-খুনের সুবিচার করবেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করবেন এবং যারা মিডিয়ার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সুবিচার নিশ্চিত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন কারাগার থেকে ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত দেশবাসীর উদ্দেশে ঐক্য ও সংহতির বার্তা দিয়েছেন মাদুরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


মার্কিন কারাগার থেকে ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত দেশবাসীর উদ্দেশে ঐক্য ও সংহতির বার্তা দিয়েছেন মাদুরো

মার্কিন কারাগারে বন্দি থাকার পরেও ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত দেশবাসীর উদ্দেশে নিকোলাস মাদুরো, ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট, ঐক্য ও সংহতির বার্তা দিয়েছেন। তার ছেলে গুয়েরাও মাঠে নেমে এই বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছেন।

গত বুধবার (২৪ জুন) ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

ভূমিকম্পটি কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬৪ জনে পৌঁছেছে। সেই সাথে, আরও ৯৭১ জন আহত হয়েছেন বলে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্থানীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।

এই বিপর্যয়ের ফলে অন্তত ১১ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলেও জানা গেছে। উদ্ধার অভিযানের কাজ অব্যাহত থাকায় নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে মানবিক ও রাজনৈতিক সংকট যেন আরও গভীর হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে, নিউইয়র্কে মার্কিন ফেডারেল হেফাজতে থাকা সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। তার অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে তিনি দেশের জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ ঐক্য, সংহতি ও সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রমে সহায়তা চেয়েছেন। সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি বিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও জাতীয় সংহতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

কিছু মাসের হুমকি-ধামকির পর, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করে মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ধরে নিয়ে যায় ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

মাদুরো এবং সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসবাদ ষড়যন্ত্রসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, এবং বর্তমানে তাদের মার্কিন আইনে বিচার করা হচ্ছে। তবে তারা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিচার পর্যন্ত নিজেদের নির্দোষ দাবি করছেন।

এদিকে, উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির অগ্রিম চিত্র তুলে ধরেছেন মাদুরোর ছেলে নিকোলাস মাদুরো গুয়েরা। গুয়েরা জানিয়েছেন, সান বার্নাডিনো, পিন্টো সালিনাস ও এল পারাইসো এলাকার পাশাপাশি চাকাও ও বারুতা পৌরসভাতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লা গুয়াইরা ও ফ্যালকন রাজ্যও যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান গুয়েরাও।

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো দেশজুড়ে ঘটে যাওয়া ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা গ্রহণ করেছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ক্ষতির প্রকৃত পরিমাপ নির্ধারণে আরও সময় লাগবে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ভূমিকম্পটি নতুন করে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড়লোকদের হাজার টাকা দিয়ে লাভ নেই, গরিবের ১০০ টাকাই সচল রাখে অর্থনীতি : সংসদে ড. রেজা কিবরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


বড়লোকদের হাজার টাকা দিয়ে লাভ নেই, গরিবের ১০০ টাকাই সচল রাখে অর্থনীতি : সংসদে ড. রেজা কিবরিয়া

দেশের অর্থনীতি সচল ও গতিশীল রাখতে কোটিপতিদের তোষণ বন্ধ করে প্রান্তিক মানুষের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক উপদেষ্টা ও হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেছেন, দেশের কোনো কোটিপতি বা ধনী মানুষকে অতিরিক্ত হাজার টাকা দিলে তা অর্থনীতিতে কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলে না।

কিন্তু একজন গরিব মানুষকে মাত্র ১০০ টাকা দিলেও তিনি সঙ্গে সঙ্গে তা বাজারে খরচ করেন। এটি মূলত অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন ৪৫ বছরের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই অর্থনীতিবিদ দেশের বর্তমান ভঙ্গুর ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ নিয়ে সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া অর্থনীতিতে আয়ের সুষম বণ্টনের (ইনকাম ডিস্ট্রিবিউশন) বাস্তবমুখী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ধনী ব্যক্তিদের অতিরিক্ত এক বা দুই হাজার টাকা দিলে তারা হয়তো তা খরচই করবেন না। টাকা ব্যাংকে বা আলমারিতে জমা পড়ে থাকবে।

কিন্তু প্রান্তিক বা গরিব মানুষের তাৎক্ষণিক খরচের প্রবণতা গ্রামীণ অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ বাজারকে গতিশীল রাখে।

সুতরাং, অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%