ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বরিশালে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে


বরিশালে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৯৫০ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবারের পাশের হার এবং জিপিএ-৫ উভয়ই কমেছে। বরিশাল বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা ফলাফল ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার এমপির কাছে আবেদন

ফলাফল প্রকাশের সময় তিনি উল্লেখ করেন, "এবারের ফলাফল যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার প্রতিফলন ঘটেছে।"

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বোর্ডের অধীনে ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে মোট ৫৭ হাজার ৯১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ছাত্র ছিলেন ২৬ হাজার ৭৫৫ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ১৫৭ জন। পাশ করেছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর বরিশাল বোর্ডের পাশের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। সেই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ হাজার ৬৭৪ জন শিক্ষার্থী। এক বছরের ব্যবধানে পাশের হার প্রায় ১৮ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭২৪ জন হ্রাস পেয়েছে।

আরও পড়ুন: ভোলার বোরহানউদ্দিনে ৩৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ, ইউএনও বলছেন ২৪-বাকি ৯ কোথায়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শূন্যপাস প্রতিষ্ঠান একীভূত করার পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


শূন্যপাস প্রতিষ্ঠান একীভূত করার পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে, যেখানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী শূন্যপাস প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফল উন্নত করা। প্রয়োজনে, শূন্যপাস প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাছাকাছি অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এবারের ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি এবং পাসের হার কমার পেছনে কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের বিষয়ে বলেন, পুনর্নিরীক্ষণের ব্যবস্থা এবারও রাখা হবে, যাতে কোনো শিক্ষার্থী মূল্যায়নে বঞ্চিত না হন। গত এসএসসি পরীক্ষায় পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকার পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়েও ভাবছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কত দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হলে ভালো হবে, তা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজন করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনায় রয়েছে।

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ হয়েছে। মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন, এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।

ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্যপাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। অন্যদিকে, ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।

গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে তুলনায় এবারের পাসের হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবারে পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।

উল্লেখ্য, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই এবং লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হলে ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ফেল ইংরেজি ও আইসিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


এইচএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ফেল ইংরেজি ও আইসিটি

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলের তথ্য অনুযায়ী, ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়গুলোতে অকৃতকার্য হয়েছেন।

ফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে জানা যায়, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাশ করেছেন। অন্যদিকে, ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন ফেল করেছেন।

এদের মধ্যে ইংরেজি বিষয়ে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন ফেল করেছেন।

এদিকে, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাশের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এটি সর্বশেষ ২০০৪ সালে ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরপর থেকে এইচএসসিতে পাশের হার আর কখনো এত কম হয়নি। গত ২১ বছরের মধ্যে এবারই পাশের হার সবচেয়ে কম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একযোগে সারা দেশে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেন। সেখানে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ফেল করা পরীক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, যে শিক্ষার্থী যে বিষয়গুলোতে ফেল করেছেন, তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বোর্ডে ১৫ বছরে সবচেয়ে কম ৫২.৭% পাশের হার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


চট্টগ্রাম বোর্ডে ১৫ বছরে সবচেয়ে কম ৫২.৭% পাশের হার

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় দেখা গেছে, গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম পাশের হার। বর্তমানে পাশের হার ৫২ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। এ বছর ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।

পূর্ববর্তী বছর পাশের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। একই সময়ের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ২০১ জন কমেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের মিলনায়তনে। এ সময় বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হকও উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন, যাদের মধ্যে ৫০ হাজার ১৬৬ জন পাশ করেছেন। ছাত্রদের পাশের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি ২০১২ সালে চালু হয়। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত ১৫ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১২ সালে পাশের হার ছিল ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২০ সালে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাশ করেন, যেটি করোনাকালে বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়েছিল।

২০২১ সালে পাশের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। পরবর্তী বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে পাশের হার কমতে থাকে। ২০২২ সালে ৭৮ দশমিক ৮, ২০২৩ সালে ৭৪, ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৪ এবং ২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেন। এবার পাশের হার আরও কমে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমেছে।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়েছিল। এবছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দেশে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বেশ কিছু পরীক্ষার্থী এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল মোবাইল ফোন থেকে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে জানা যাবে। মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: HSC Space রোল Space পরীক্ষার বছর এবং পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


বিদেশ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বিদেশ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর বিদেশের ৮টি কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল ২৩০ জন। এর মধ্যে ২০৯ জন পাস করতে সক্ষম হয়েছে।

বিদেশে কেন্দ্রে ফেল করেছে ২১ জন। পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য যে, একটি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।

গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ৬.৭১ শতাংশ কমেছে এবং জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%