ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ভাণ্ডারিয়ায় ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাড়ছে চাপ


ভাণ্ডারিয়ায় ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাড়ছে চাপ
 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম সামলাতে গিয়ে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে মোট ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৯৭টি পদও শূন্য রয়েছে।

শিক্ষা অফিস সূত্র আরও জানায়, উপজেলার ১০০টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক থাকলেও এর মধ্যে ৪৮টি বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজও করতে হচ্ছে। বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যেতে হয় তাদের। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ও মো. বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ করতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

এদিকে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের বিষয়েও দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা রয়েছে। ২০২৩ সালে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের দাবিতে একটি মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ৭৩/২৩। চলতি বছরের ২ জুলাই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

৬৮ নম্বর হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান সুমন বলেন, মামলাটি ২ জুলাই নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে রায়ে কী বলা হয়েছে, তা আমরা এখনো জানতে পারিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামান বলেন, ৬২টি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবিতে মামলা থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন পদোন্নতির বিষয়ে কার্যক্রম হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ বিভিন্ন শূন্য পদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সরকার নিয়োগ দিয়েছে। দ্রুতই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে বলে আশা করছি।

অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্রুত শূন্য পদ পূরণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন

আইফেল টাওয়ার পরিচালনাকারী সংস্থার প্রধান নির্বাহী সমালোচনার মুখে পড়েছেন, যখন একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনের সফরের সময় নারী কর্মীদের সরিয়ে পুরুষ কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংস্থা ‘এসইটিই’ জানিয়েছে, মহাপরিচালক প্যাট্রিক ব্র্যাঙ্কো রুইভো চলতি বছরের শেষে পদ ছাড়বেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে এই দায়িত্বে রয়েছেন।

ঘটনার তদন্তে দেখা গেছে, সফর আয়োজনের সময় কিছু ভুল ও ঘাটতি ছিল। এর ফলস্বরূপ, নারী কর্মীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এসইটিই এই ঘটনার জন্য ‘অগ্রহণযোগ্য’ শব্দটি ব্যবহার করেছে। চলতি মাসের শুরুতে, হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন বোচাসনবাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ সংস্থার (বিএপিএস) প্রায় ১০০ সদস্যের একটি দল আইফেল টাওয়ার পরিদর্শনে যায়। এ সময় নারী কর্মীদের সরিয়ে তাদের জায়গায় পুরুষ কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এসইটিই জানায়, বিএপিএস সফরের সময় নারী কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ কম রাখার অনুরোধ করেছিল। তবে পরবর্তীতে সংস্থাটি জানায়, এই অনুরোধ মেনে নেওয়া ঠিক হয়নি। কর্মী ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি জানান, নারী কর্মীদের তাদের কাজের জায়গা থেকে সরে যেতে বলা হয়েছিল, যা তাদের জন্য অপমানজনক ছিল। কর্মীদের অভিযোগ, প্রতিনিধিদলটি আইফেল টাওয়ারে অবস্থানকালে নারী কর্মীদের কিছু নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাতায়াত করতেও নিষেধ করা হয়েছিল।

ঘটনার প্রতিবাদে আইফেল টাওয়ারের কর্মীরা ধর্মঘট করেন, যার ফলে টাওয়ারটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফ্রান্সের বিভিন্ন রাজনীতিকও এই ঘটনায় সমালোচনা করেন। ফ্রান্সের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়েল ব্রাউন-পিভেট বলেন, বিদেশি দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য নারী কর্মীদের সরে যেতে বাধ্য করার বিষয়টি তিনি মেনে নেবেন না।

প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার এই ঘটনাকে ‘অযৌক্তিক, অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি এ ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেন। এসইটিই-এর চেয়ারম্যান আরিয়েল ওয়েল মঙ্গলবার জানান, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নেতৃত্বে পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

এদিকে, ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে বিএপিএস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চায়। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, এই ঘটনায় কেউ কষ্ট বা অসুবিধার শিকার হয়ে থাকলে তারা দুঃখিত। তারা পারস্পরিক সম্মান ও সেবার মূল্যবোধে বিশ্বাস করে বলেও জানায়।

বিএপিএস নিজেদের একটি আধ্যাত্মিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে পরিচয় দেয়। তাদের দাবি, হিন্দু ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। লন্ডন, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিডনিসহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে বিএপিএসের মন্দির রয়েছে। সংগঠনটি ভগবান স্বামীনারায়ণের শিক্ষা অনুসরণ করে।

তার অনুসারীরা তাকে হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার হিসেবে মনে করেন। বিএপিএসের দাবি, নারী ও পুরুষকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা নারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের রীতি বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক বেদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


মধুপুরে পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক বেদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ও দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি জোরপূর্বক বেদখলের চেষ্টার প্রতিবাদ এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মধুপুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পরিবারের সদস্য রিপন সরকার অভিযোগ করেন, মধুপুরের পুন্ডুরা মৌজায় সাবেক ২০৭/৩৫৪ দাগের এবং বর্তমান বিএস/বিআরএস ৫০৪ দাগের জমির মধ্যে তার বাবা দলিলের মাধ্যমে সাড়ে ৪১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট রেকর্ড তার বাবা’র নামে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থেকে পৈতৃক দলিলের ভিত্তিতে ওই জমি তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
রিপন সরকারের অভিযোগ, তার চাচা ফজলুল হক মনি একই দাগে তার দাদার কাছ থেকে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। তবে ওই দলিলে জমির সুনির্দিষ্ট চৌহদ্দি উল্লেখ নেই বলে দাবি করেন তিনি। চাচার ক্রয় করা জমির নির্ধারিত অবস্থান নিয়ে বিরোধের জেরে বর্তমানে তাঁর দখলে থাকা জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিপন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জমি দখলের প্রতিবাদ করলে তাকে গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি পরিদর্শন করেন এবং বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে পরবর্তীতেও তার দখলীয় জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জমির প্রকৃত মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাদের দখলীয় সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যগন সহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমেক হাসপাতাল এলাকায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


মমেক হাসপাতাল এলাকায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মমেক) এর চারপাশে নগরের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে।

এই প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর চিকিৎসাসেবার মান এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদনহীন এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের পেছনে নিয়মিত তদারকির অভাব এবং অর্থ লেনদেনের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে।

ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ১ হাজার ৩৩২টি। এর মধ্যে ৭২৩টি প্রতিষ্ঠান নগরীতে অবস্থিত। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে।

মমেক হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সংখ্যা বিপুল। তাদের ঘিরে হাসপাতালের আশপাশের চরপাড়া, নয়াপাড়া, কপিক্ষেত, মাসকান্দা, ব্রাহ্মপল্লী, বাঘমারা ও ভাটিকাশরসহ বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য বেসরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছাড়াই সেবা প্রদান করছে।

সম্প্রতি, ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক ক্লিনিক মালিকের সঙ্গে এক অফিস সহায়কের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগও রয়েছে। ত্রিশালের হাসিনা বেগম অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহের হেলথকেয়ার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের পর তার পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়া হয়। পরে সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি ধরা পড়ে বলে তিনি দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, নগরের বলাশপুর এলাকার বাসিন্দা শান্তা নামে এক নারীর ভেনাস হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় মৃত্যু হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আপস হলেও তারা ন্যায়বিচার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন শান্তার মা শেফালী বেগম।

এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর বিনিময়ে চিকিৎসকদের কমিশন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য জানা যায়নি।

নাগরিক নেতাদের অভিযোগ, চিকিৎসাসেবার নামে কোথাও কোথাও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়ায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তাঁরা মনে করেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক— সুজনের ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, চিকিৎসাসেবার নামে এক ধরনের প্রতারণার ফাঁদ তৈরি হয়েছে। যাদের এসব প্রতিষ্ঠান তদারকির দায়িত্ব, তাদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ফখরুল হাসান চৌধুরী বলেন, কার্যালয়ে টাকা লেনদেনের ঘটনাটি স্বীকার করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অবৈধ ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে মনিটরিং জোরদার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ১৮২ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ১৮২ জন আটক

লক্ষ্মীপুরে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার একটি বিশেষ অভিযানে ১৮২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জেলার ছয়টি থানার এলাকায় একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় সদর থানায় ৬০ জন, চন্দ্রগঞ্জ থানায় ২১ জন, রায়পুর থানায় ২৪ জন, রামগঞ্জ থানায় ২৪ জন, রামগতি থানায় ১৩ জন এবং কমলনগর থানায় ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

আটকদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%