ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে লোডশেডিং কমে আসবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা


খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে লোডশেডিং কমে আসবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে, দেশে চলমান লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাহেদ উর রহমান জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের চাপ এবার শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, লোডশেডিং নিয়ে একটি বিস্তারিত ডেটা প্রকাশের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

তিনি বলেন, "জ্বালানি নিয়ে প্রচুর কথাবার্তা হয়েছে। আশা করছি, যে পরিমাণ লোডশেডিং আছে, সেটা খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে বেশ খানিকটা কমে আসবে।"

ঢাকায় সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে গ্রামাঞ্চলে বেশি লোডশেডিং দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার সংকটের বোঝা সবাইকে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বড় শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহে নীতিগত অগ্রাধিকার থাকে, কারণ এসব এলাকায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম বেশি। তিনি উল্লেখ করেন, "শুধু শহরে ক্ষমতাবান মানুষ বসবাস করেন বলে সেখানে বেশি বিদ্যুৎ দেওয়া হবে, এমন নীতি সরকার নেয়নি। সংকটের সময়ে সবাইকে এর কষ্ট ভাগ করে নিতে হবে।"

আগামী সপ্তাহে অতীতের লোডশেডিংয়ের তথ্য প্রকাশের পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘আনইন্টারাপ্টেড বিদ্যুৎ’ সরবরাহের যে দাবি করা হয়েছিল, বাস্তবে সে সময় কতটা লোডশেডিং হয়েছে, তার তথ্য প্রকাশ করা হবে। ওই সময়ে কত মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে এবং এর কতটা গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওপর চাপানো হয়েছিল, সেই তথ্যও তুলে ধরা হবে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণ হিসেবে তিনি জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদাকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, "গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার স্বাভাবিক প্রবণতা তৈরি হয়। এর ফলে বিদ্যুতের অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তুলনামূলকভাবে এ চাহিদা কম ছিল।"

চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং এড়াতে ঢাকার ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজনীয় মাত্রায় লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে। সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে ঢাকার বাইরে শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কমছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

সব মিলিয়ে লোডশেডিংয়ের বোঝা তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা সম্ভব হচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, "আমরা একটা সংকটের মধ্যে আছি এবং এ সংকটের কষ্টটা আমাদের সবাইকে কমবেশি নিতে হবে। এ কষ্ট খুব দীর্ঘ সময় থাকবে, সেটাও আমরা মনে করি না। সে ব্যাপারে সরকারের যথেষ্ট উদ্যোগ আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সপ্তাহখানেকের মধ্যেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


সপ্তাহখানেকের মধ্যেই গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, দেশে গ্যাসের সরবরাহ সপ্তাহখানেকের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকটের ফল। তবে সরকার এই সংকটের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

গ্যাসের পরিস্থিতি সম্পর্কে রিজভী বলেন, তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে নির্ধারিত বাজেটের পাশাপাশি বিপুল অর্থ ব্যয় করে গ্যাস সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি খালেদা জিয়ার আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, খালেদা জিয়া বহু নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তিনি গণতন্ত্রের মা এবং গণতন্ত্রের প্রতীক।

রিজভী আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আজ সুসংগঠিত। তিনি উল্লেখ করেন যে সংকট আসবে, তবে তা মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে খালেদা জিয়া তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করেছেন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম একসময় প্রবল গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান জনগণের কাছে যে অঙ্গীকারগুলো করেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন। ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা সহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মহেশখালীতে থাকা টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়েছে এবং সেই ত্রুটি সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব সংকট মোকাবিলা করেই দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত থাকবে।

রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক চেতনা, জনগণের সামাজিক সুরক্ষা এবং দেশের উন্নয়ন ও উৎপাদনের যে অঙ্গীকার ৩১ দফায় দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং খালেদা জিয়া যে কর্মসূচি দিয়ে গেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এসব কর্মসূচি আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

দল ও সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে রিজভী বলেন, দল ও সরকার দুটি আলাদা সত্তা হলেও তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে। তাই সরকারের দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ ব্যক্তি বিএনপির নেতা হওয়াটাই স্বাভাবিক। জনগণ যখন একটি দলকে ভোট দিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তখন সেই দলের যোগ্য নেতা-কর্মীরাই রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন।

রিজভী বলেন, তৃণমূলের সদস্য থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন। এতে দল ও সরকারের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি বা বৈসাদৃশ্য নেই।

বিএনপির সামনে এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা দলে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন, তারা দলের দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে সরকারের যেসব মন্ত্রী বিএনপির নেতা, তারাও মন্ত্রিত্বের পাশাপাশি দলের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তাদের পদ ও সাংগঠনিক অবস্থান অনুযায়ী পালন করবেন। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কোন ধাপে বাড়বে কত শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কোন ধাপে বাড়বে কত শতাংশ

প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন বাড়ছে ১০০ শতাংশ। আর ১২ থেকে ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বাড়ছে ১১৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। তবে নতুন বেতনের পুরো সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। চার ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেলে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হবে। অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

নতুন বেতন স্কেল গত জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও বর্ধিত মূল বেতন ও ভাতার সুবিধা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।

নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন। এ স্কেল বাস্তবায়নে সরকারি কোষাগার থেকে বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে নতুন বেতন স্কেল চার ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রথম থেকে নবম গ্রেডের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রথম ধাপে বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ এবং একই বছরের জুলাইয়ে তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ যুক্ত হবে। এতে বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।

সবশেষে ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, দশম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপেই তুলনামূলক বেশি বেতন যুক্ত হবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ২৫ শতাংশ এবং একই বছরের জুলাইয়ে বাকি ২৫ শতাংশ যুক্ত হবে। এ ক্ষেত্রেও ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা কার্যকর হবে।

২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী নবম গ্রেডে চাকরিতে যোগ দেওয়া একজন কর্মকর্তার প্রারম্ভিক মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। নতুন পে-স্কেলে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে তার প্রারম্ভিক মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা।

তবে বর্ধিত ২২ হাজার টাকা একবারে যোগ হবে না। প্রথম থেকে নবম গ্রেডের আওতায় থাকায় তা তিন ধাপে যুক্ত হবে।

২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রথম ধাপে বর্ধিত ২২ হাজার টাকার ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮ হাজার ৮০০ টাকা বর্তমান মূল বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ বা ৬ হাজার ৬০০ টাকা এবং একই বছরের জুলাইয়ে তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ বা আরও ৬ হাজার ৬০০ টাকা যুক্ত হবে।

তিন ধাপ শেষে ওই কর্মকর্তার মূল বেতন দাঁড়াবে ৪৪ হাজার টাকা। এরপর ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে ৪৪ হাজার টাকা মূল বেতনের ভিত্তিতে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা নির্ধারিত হবে।

তবে বাস্তবে একজন সরকারি চাকরিজীবীর বেতন শুধু নতুন পে-স্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হয়। ফলে চাকরির মেয়াদ ও প্রাপ্ত ইনক্রিমেন্ট অনুযায়ী একজন চাকরিজীবীর প্রকৃত মূল বেতন প্রারম্ভিক বেতনের চেয়ে বেশি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে।

বৈঠকটি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে শুরু হয়।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশগ্রহণ করছে।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি জামাই-শাশুড়ি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি জামাই-শাশুড়ি গ্রেফতার

নড়াইলে এক কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ জামাই-শাশুড়ি গ্রেফতার

শ্বশুর-শাশুড়ি ও জামাইয়ের মাদকসম্রাজ্য, প্রায় ৬ বছর ধরে করছেন মাদক বেচাকেনা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রাম থেকে এক কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবাসহ জামাই ও শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে পাঁচুড়িয়া গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে মাদক কারবারি জামাই এবং শাশুড়িকে আটক করা হয়। আজ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে শাশুড়ি সীমা বেগম (৩৮) এবং জামাই রাসেল শেখ (২১) রয়েছেন। সীমা বেগম পাঁচুড়িয়া গ্রামের ইউসুফ শেখের স্ত্রী এবং জামাই রাসেল শেখ একই উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের পুত্র।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর নড়াইলের উপপরিচালক গোলক মজুমদার জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে নড়াইলের পাঁচুড়িয়া গ্রামের ইউসুফ শেখের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তাদের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে এক কেজি গাঁজা ও ১০১ পিস ইয়াবাসহ সীমা বেগম এবং তার জামাই রাসেল শেখকে আটক করা হয়। পরিদর্শক আব্দুল মান্নান এদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। উল্লেখ্য, প্রায় দুই মাস আগে সীমার স্বামী ইউসুফ শেখ মাদক মামলায় কারাগারে গেছেন।

ডিএনসি’র উপপরিচালক গোলক মজুমদার আরও জানান, ইউসুফ শেখ লোহাগড়া উপজেলার একজন পরিচিত মাদক কারবারি। স্বামী কারাগারে থাকায় শাশুড়ি ও জামাই মিলে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এই তিনজন মিলে প্রায় ছয় বছর ধরে মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%