ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ প্রণালিতে একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


হরমুজ প্রণালিতে একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালীতে ব্যবসায়ী জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরান একাধিক আত্মঘাতী ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা সফলভাবে ওইসব ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে এবং প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক আছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানায়, কয়েক ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে ইরান একাধিক ড্রোন উড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত হানার চেষ্টা করে। কিন্তু মার্কিন বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সেগুলো ধ্বংস করে দেয়।

সেন্টকমের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “কয়েক ঘণ্টায় ইরান বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন মোতায়েন করেছিল। মার্কিন বাহিনী সেগুলো সবই ভূপাতিত করেছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।”

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ছাত্রলীগের ৪ নিষিদ্ধ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

বিবৃতিতে আরও নির্দেশ করা হয়, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ করিডর এখনও উন্মুক্ত রয়েছে এবং জাহাজ চলাচলে কোনও বাধা সৃষ্টি হয়নি।”

হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। পারস্য উপসাগর থেকে রফতানিকৃত বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবাহিত হয়। এজন্য, এ অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা যেকোনও সময় বিশ্বজনীন জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগীদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে সর্বশেষ ঘটনায় মার্কিন বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ড্রোন হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সেই অর্থে প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

এ ঘটনার বিষয়ে ইরানের তরফে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই কারণে মার্কিন দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

আরও পড়ুন: মেট্রোরেল প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার কাজ পেল এলঅ্যান্ডটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৫৫, বহু মানুষ নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৫৫, বহু মানুষ নিখোঁজ

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নতুন করে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, তাই মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সি (পিএনএ)।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় একটি রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পে বহুতল ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেনারেল সান্তোস সিটি এবং সারাঙ্গানি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা। পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সেখানে স্থানীয় প্রশাসন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং সেখানে তাদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র নির্দেশনা দিয়েছেন।

ফিলিপাইনের আগ্নেয়গিরি ও ভূকম্পন ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর থেকে একের পর এক আফটারশক অনুভূত হচ্ছে। এই কারণে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে যে তারা ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে দূরে সরে থাকুন। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ক্রমাগত পরাঘাত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। কিছু দুর্গম এলাকার কাছে এখনো পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ ফিলিপাইন অবস্থানরত ভূমির কারণে এটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশের একটি। এই কারণে দেশের মধ্যে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।

নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহায়তার বিষয়েও আলোচনা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে এমন ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে আরও বেশি, ভরিতে দাম বাড়ল ৬৫৯০ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


স্বর্ণ কিনতে গুনতে হবে আরও বেশি, ভরিতে দাম বাড়ল ৬৫৯০ টাকা

টানা চার দফা কমানোর পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

এবার ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ১১ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৬ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৫ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২২ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ হাসপাতালে হাম উপসর্গে একটি শিশুর মৃত্যু আরো ঘটেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


ময়মনসিংহ হাসপাতালে হাম উপসর্গে একটি শিশুর মৃত্যু আরো ঘটেছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই মৃত্যুর ফলে গত ১৭ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে হামের উপসর্গে মারা যাওয়া শিশুদের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে।

শনিবার হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মারা যাওয়া শিশুটির বয়স ছিল ১০ মাস। এই শিশুকে গত ২ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকালে তার মৃত্যু ঘটে।

অন্যদিকে, বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১০০ শিশুর চিকিৎসা চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ১৯ শিশু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে গ্যাং লিডারকে হত্যা করা হয়েছে: ট্রাম্পের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে গ্যাং লিডারকে হত্যা করা হয়েছে: ট্রাম্পের দাবি

মার্কিন সামরিক বাহিনী বিমান হামলায় ভেনেজুয়েলার গ্যাং ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’র নেতা নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘোষণাটি দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি বিশেষ হামলা পরিচালনা করে নিনো গেরেরোকে হত্যা করেছে। গেরেরোর আসল নাম হেক্টর রাস্টেনফোর্ড গেরেরো ফ্লোরেস। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ নামে পরিচিত একটি অপরাধী চক্রের নেতা ছিলেন। এটি লাতিন আমেরিকার মধ্যে অন্যতম কুখ্যাত অপরাধী সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

ট্রাম্পের অভিযোগ, এই গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম পালন করে আসছিল। তার প্রশাসন ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’কে ইসলামিক স্টেটের মতো একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সবুজ রঙের ভবন এবং তার পাশে একটি ছোট স্থাপনা বিস্ফোরণের ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

ট্রাম্প আরও বলেছেন, এই সামরিক অভিযানটি ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালনা করা হয়েছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা একটি বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ভালোভাবে কাজ করে চলেছে।

জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী একটি বিশেষ অভিযানে তৎকালীন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার বাসভবন থেকে আটক করে। পরে তাকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তিনি ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ গ্যাংয়ের সঙ্গে মিলিত হয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ প্রথমে একটি কারাগারভিত্তিক গ্যাং ছিল। তার নেতা নিনো গেরেরো এটিকে পরে একটি আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রে পরিণত করেছিলেন। গেরেরোকে গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্য দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র লাখ লাখ ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করেছিল।

গেরেরোর নেতৃত্বে গ্যাংটি তাদের কার্যক্রম কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু এবং চিলিতে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, যৌন পাচার, ভাড়াটে খুন এবং অপহরণসহ গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

গেরেরো বহু বছর ধরে জেলে ছিলেন। ২০১২ সালে তিনি এক প্রহরীকে ঘুষ দিয়ে পালিয়ে যান এবং ২০১৩ সালে পুনরায় গ্রেপ্তার হন। ফিরে এসে তিনি উত্তর ভেনেজুয়েলার আরাগুয়া রাজ্যের টোকোরোন কারাগারকে একটি বিনোদন কেন্দ্রে রূপান্তর করেন, যেখানে চিড়িয়াখানা, রেস্তোরাঁ, নাইটক্লাব, জুয়া খেলার দোকান এবং সুইমিং পুল ছিল।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মাদুরো কারাগারটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে এবং তা দখল করতে ১১ হাজার সৈন্য পাঠান। গেরেরো আবারও পালিয়ে যান।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, জেলের ভেতরে এবং বাইরের অবস্থান সত্ত্বেও তিনি তার গ্যাংয়ের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন এবং বলিভার রাজ্যের সোনার খনি, ক্যারিবিয়ান উপকূলের মাদক করিডোর এবং ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার মধ্যে গোপন সীমান্ত পারাপারের পথগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন।

বেশিরভাগ বিবরণ অনুসারে, ২০১৪ সালে ভেনেজুয়েলা যখন মানবিক ও অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থার মুখোমুখি হয়, তখন অপরাধ কম লাভজনক হয়ে পড়লে ট্রেন দে আরাগুয়া দেশটির বাইরে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আটটি দেশে এর শাখা-প্রশাখা রয়েছে বলে জানা যায়।

‘ট্রেন দে আরাগুয়া’ বিভিন্ন দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় অপরাধী চক্রগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, ইকুয়েডরে গ্যাংটি সিনালোয়া কার্টেলের সঙ্গে সচেতন করে গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করে বলেও মনে করা হয়। আবার কলম্বিয়াতে তাদের সদস্যরা ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) নামের একটি সশস্ত্র গেরিলা সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কাজ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সমুদ্রে বেশ কয়েক ডজন নৌকার বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই নৌকার বেশিরভাগই বড় মাপের মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তাদের মতে, এসবের মধ্যে কিছু নৌকার সঙ্গে ‘ট্রেন দে আরাগুয়া’র সম্পর্কও ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%