ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাকা দিয়ে যদি সব হয়, তাহলে ভালোবাসা কোথায়?


টাকা দিয়ে যদি সব হয়, তাহলে ভালোবাসা কোথায়?

 

আবেগ, বিবেক, ভালোবাসা—সবকিছু উজাড় করে দেওয়ার পরও যখন সম্পর্কের মূল্য নির্ধারণ হয় অর্থের মাপকাঠিতে, তখন অনেকের মনেই জন্ম নেয় এক গভীর প্রশ্ন— "টাকা দিয়ে যদি সব হয়, তাইলে ভালোবাসা কই?"

বর্তমান সময়ে অর্থ মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, অর্থের প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের আন্তরিকতা, বিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধ যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে ভালোবাসার চেয়ে আর্থিক সক্ষমতাই অনেক ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, অর্থ জীবনকে সহজ করতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারে না। প্রকৃত ভালোবাসা গড়ে ওঠে ত্যাগ, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধের মাধ্যমে।

সচেতন মহলের অভিমত, আবেগ, বিবেক ও ভালোবাসা ছাড়া কোনো সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। অর্থ প্রয়োজনীয় হলেও তা কখনোই মানুষের অনুভূতি ও আন্তরিকতার বিকল্প হতে পারে না।

আরও পড়ুন: পুরুষদের চেয়ে নারীরা কেন বেশি দিন বাঁচেন?

তাই প্রশ্নটি আজও রয়ে যায়— আবেগ, বিবেক, ভালোবাসা সব দিয়ে যদি মানুষের মন জয় করা না যায়, তবে শুধু টাকা দিয়ে সবকিছু কীভাবে সম্ভব?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বীকারোক্তির ৯ মাস পরও বিচার শুরু হয়নি সুমাইয়া হত্যা মামলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৫ এম


স্বীকারোক্তির ৯ মাস পরও বিচার শুরু হয়নি সুমাইয়া হত্যা মামলার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিনথী (২৩) এবং তার মা তাহমিনা বেগম (৫২) হত্যার ঘটনার ২৭২ দিন পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অর্থে হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়নি।

এ ধরনের আলোচিত এবং জঘন্য এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, সেই আসামি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করলেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিলম্বের কারণে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া প্রয়োজনীয় অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে না।

জানা গেছে, গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আফরিন ও তার মা তাহমিনা বেগমকে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার দিনই পুলিশের অভিযানে মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর রাতে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতে দেওয়া তার জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি।

মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নিহত পরিবারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সোহেল হোসাইন জানান, “মামলাটির ধার্য তারিখ রয়েছে। আসামি জামিনের আবেদনও করেননি। তবে তদন্ত কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত বিচার কার্যক্রম এগোবে না।”

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরিফ ইবনে আলম জানান, তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তারা চার্জশিট প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন এবং সাক্ষীদের স্মারকলিপিও দাখিল করেছেন। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলে চার্জশিট আদালতে পাঠানো হবে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) জমা দেওয়ার আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এখন প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কয়েকদিনের মধ্যেই তারা প্রতিবেদন জমা দিতে সক্ষম হবেন।

তদন্তে এতদিন সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জবাবদিহি করতে বাধ্য কিনা জানতে চান এবং বলেন, “আমি কতদূর কাজ করেছি বা করিনি, তা আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। আমি তাদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। আপনার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য কি না, সেটাই আগে বলুন।”

এদিকে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অপরদিকে, আসামীর স্বীকারোক্তির পরেও বিচারিক কার্যক্রম ও শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার এবং সুমাইয়ার সহপাঠীরা।

নিহত সুমাইয়ার বড়ো ভাই মো. সাইফুল বলেন, গাফিলতি না থাকলে এরকম দীর্ঘ সময় লাগার কথা নয়। আমাদের একটাই দাবি, দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করা হোক।”

সুমাইয়া আফরিনের সহপাঠী মেহেদী হাসান শাহিন বলেন, "তৎকালীন পুলিশ, প্রশাসন, ইন্টেরিম সরকারকে বাঁচানোর জন্য এই ঘটনাটাকে ধামাচাপা দিয়েছিল। ভাইরাল হয়নি আমরা বিচারও পাইনি। বাংলাদেশে তো ভাইরাল না হলে আবার বিচার পাওয়া যায় না। বর্তমান সরকারের কাছে আমার আবেদন থাকবে যেন এই নৃশংসতার বিচার আমরা পাই। ধর্ষক যেন পার না পেয়ে যায়। এর ব্যতিক্রম হলে আমরা সারাদেশ আন্দোলনের ডাক দিব।

আরেক সহপাঠী সামিউন ঔশি বলেন, "রামিসা হত্যাকাণ্ডের রায়ে দেশ স্বস্তি পেলেও আলোচনার বাইরে থাকা অসংখ্য মামলার বিচার এখনো অনিশ্চিত। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন ও তার মায়ের জোড়া হত্যাকাণ্ডের ২৮১ দিন পেরিয়ে গেলেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। স্বীকারোক্তি এবং প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। আমরা চাই, সুমাইয়া ও তার মায়ের হত্যাকারীরও দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হোক।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরুল হাসান রাহাত বলেন, "কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেরুদণ্ডহীন। আমাদের একজন বোনকে এভাবে হত্যা করা হলো এত মাস পর সবে স্বীকারোক্তি। আমাদের উচিত ছিলো এর মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার জন্য সচেষ্ট হওয়া।"

পুলিশ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঝাড়ফুঁকের সূত্রে সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গে পরিচয় হয় মোবারক হোসেনের। ঘটনার আগে প্রায় এক মাস ধরে তিনি নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। তার স্বীকারোক্তিতে তিনি জানান, সুমাইয়ার ওপর ঝাড়ফুঁক করার সময় তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি দেখে ফেলায় প্রথমে সুমাইয়ার মা তাহমিনা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর সুমাইয়াকেও হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি বাসা থেকে চারটি মোবাইল ফোন এবং একটি ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যান।

অভিযুক্ত মো. মোবারক হোসেন (২৯) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন। পেশায় ঝাড়ফুঁক এবং কবিরাজির কাজের পাশাপাশি বাবুস সালাম জামে মসজিদের খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের অনুষ্ঠানে জয় বাংলা স্লোগান, গ্রেপ্তার দুই ছাত্রলীগ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ এম


বিয়ের অনুষ্ঠানে জয় বাংলা স্লোগান, গ্রেপ্তার দুই ছাত্রলীগ নেতা

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে চাচাতো বোনের মেহেদি অনুষ্ঠানে বসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই সদস্যকে।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে আরাকান সড়কের আমতল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বোয়ালখালী হাজী নুরুল হক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক মো. আব্দুল আজিজ(২৬) এবং ছাত্রলীগের সদস্য মো. রায়হান(২৩)।

পুলিশ এই বিষয়ে জানিয়েছে, পশ্চিম গোমদনডী আলা মিয়া ট্যান্ডল বাড়িতে কনের মেহেদী অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন হাজী নুরুল হক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. আব্দুল আজিজ এবং সদস্য মো. রায়হান। এর একটি ভিডিও ফুটেজ আপলোড করা হয় ফেসবুকে। তার সূত্র ধরে বিয়ের দিন আরাকান সড়কের ওই কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার দুই ছাত্রলীগ সদস্যকে जुलाई আন্দোলনে হামলার দায়ের হওয়া মামলার সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে এমপি রানু

কড়া হেডমাস্টার হিসেবে নয়, আপনাকে নারীবান্ধব স্পিকার হিসেবে দেখতে চাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


কড়া হেডমাস্টার হিসেবে নয়, আপনাকে নারীবান্ধব স্পিকার হিসেবে দেখতে চাই

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর দিনে বিএনপির ৩৬ জনসহ অন্যান্য সংরক্ষিত সংসদ সদস্যরা যোগ দিয়েছেন।

রোববার অধিবেশন শুরুর সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তখন বলেছিলেন, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যদের কারণে আজকের সংসদ কালারফুল লাগছে।

এক পর্যায়ে, সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ লাভ করেন বিএনপি দলের সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু। তিনি শুরুতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখতে যাওয়ার সময়, স্পিকার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, আপনি প্রশ্ন করেন; সময় বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। তখন সংসদ সদস্য রানু বলেন, মাননীয় স্পিকার, আপনাকে আমরা কড়া হেডমাস্টার হিসেবে দেখতে চাই না। নারীবান্ধব স্পিকার হিসেবে দেখতে চাই।

এ সময় সংসদ সদস্যদের অনেকের মুখেই মৃদু হাসি দেখা গেছে।

রেহেনা আক্তার রানু স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি সাতবারের মতো এমপি হয়েছেন। আমিও আপনার মতো সাতবার এমপি হতে চাই।

স্পিকার তখন তাকে মজার ছলে বলেন, বক্তব্য দিয়ে তো সাতবারের এমপি হওয়া যায় না। আপনাদের এলাকাবাসীদের সঙ্গে মিশে কাজ করতে হবে। সাতবার কেন, ২৭বার এমপি হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

এর আগে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান রেহেনা আক্তার রানু। একইসঙ্গে, নারী সদস্যদের যেন কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় সে ব্যাপারেও স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ইউপি চেয়ারম্যান রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ইউপি চেয়ারম্যান রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মির্জা আশ্রাফুল জামান রাসেল (৩৭) নামের একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার কিছু পর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের হাজী ফাজিল মিয়ার হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাসেল ওই এলাকার অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামের ছেলে।

তিনি কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগের কমলনগর উপজেলা শাখার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা।

পুলিশ জানাচ্ছে, রাসেল আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে এ অঞ্চলে নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে তার নেতৃত্বে সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাসেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, পুলিশের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞায় থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%