আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৪:৩২ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হলদে পাখি’ কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে, মধুপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশন, মধুপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও কমিশনার গার্ল গাইডস রেবেকা সুলতানা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কমিশনার সালমা আফরোজ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা কমিশনার গার্ল গাইডস শিক্ষিকা জেসমিন, মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বাবুল হাসান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল আউয়াল খান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মহিউদ্দিন আহামদ এবং বোকারবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শহিদা প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ, মানবিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বগুণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে ‘হলদে পাখি’ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও সামাজিক সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায় থেকেই তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উল্লেখ করা হয় যে, উপজেলার আরও বেশি সংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হলদে পাখি’ কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বর্তমানে বিশ্বে খাদ্যের অভাবের থেকে নিরাপদ এবং মানসম্মত খাদ্যের চাহিদা আরও বেশি হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশেও নিরাপদ এবং গুণগত মানসম্পন্ন মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করাটা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্যে মৎস্য উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে রপ্তানি বাড়াতে হবে।
আজ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্যসম্পদ: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য উৎপাদনের খাতে বর্তমানে কী সমস্যা রয়েছে, আগামী দিনে কী সম্ভাবনা আছে, মানুষের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত মাছের চাহিদা-এসব বিষয়গুলো সামনে রেখে আমাদের করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। যদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করা যায়, তাহলে দ্রুত উন্নতি হওয়া সম্ভব।’
মন্ত্রী আরও বলেন, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হলে মাছের জন্য পর্যাপ্ত অভয়াশ্রম নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এই ব্যাপারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং মাছ সংরক্ষণে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক এবং সার ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত চাপ মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন ও প্রজননকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পরিবেশসম্মত ও আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতির দিকে যেতে হবে। সীমিত জায়গায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অধিক মাছ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মৎস্যপণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশের মিঠাপানির মাছের জন্য একটি বৃহৎ বাজার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। তবে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হলে শুধুমাত্র বাংলাদেশিরা যে মাছ খায় সেসব মাছ নয়, বরং যে দেশে মাছ রপ্তানি করা হবে, সে দেশের মানুষের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী মাছ উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আবার আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মৎস্যপণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, দেশের মিঠাপানির মাছের বড় বাজার রয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করছেন।
তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হলে শুধুমাত্র বাংলাদেশিরা যে মাছ খায়, তা নয়, যে দেশে মাছ রপ্তানি করা হবে সে দেশের মানুষের পছন্দ ও চাহিদার উপর নজর দিতে হবে।
তিনি চিংড়ি, কাঁকড়া, কুচিয়াসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীর রপ্তানি সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব ক্ষেত্রে উৎপাদনের পাশাপাশি পোনা ও প্রজনন ব্যবস্থার উন্নয়ন খুব জরুরি।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে পোনা উৎপাদন ও লালন-পালন করা হলে এই খাতে উৎপাদন ও রপ্তানি বহুগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
মৎস্য উৎপাদনে গুণগত মান, নিরাপদ খাদ্য, পরিবেশ সুরক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী, গবেষক ও পেশাজীবীদের কার্যকর পরামর্শ সরকারকে সহযোগিতা করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে মাছের বেড়ে ওঠা ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, নদী-নালা দখল, নাব্যতা সংকট ও শিল্পকারখানার বর্জ্যে পানিদূষণের কারণে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ এবং প্রজনন ক্ষেত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাছের আবাসস্থল ফিরিয়ে আনতে নদী ও খালের নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন খুব জরুরি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবার খাল ও নদী পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় খননকাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখননের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মাছের প্রজনন এবং বিচরণের জন্য উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে একদিকে খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। এই বিষয়ে খামারিদের সচেতন করতে জেলাভিত্তিক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বিএফআরআই’র মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বিএফআরআই’র বিজ্ঞানীদের সঙ্গে অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মশিউর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট ২০২৬: জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোঃ রব্বানী হাওলাদারকে প্রতিষ্ঠান থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডির নির্বাহী বিভাগের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, মোঃ রব্বানী হাওলাদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মসংক্রান্ত অভিযোগ কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এসব অভিযোগ পর্যালোচনার পর তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের দাপ্তরিক ও সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রেস আইডি কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ
নির্বাহী বিভাগের ওই নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মোঃ রব্বানী হাওলাদারের কাছে তালাশ বিডির পক্ষ থেকে ইস্যুকৃত প্রেস আইডি কার্ড থাকলে তা নোটিশ জারির সময় থেকে আগামী ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে তালাশ বিডির অফিসে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর তালাশ বিডির প্রেস আইডি কার্ড বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের সংবাদ সংগ্রহ, পরিচয় প্রদান, যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন কিংবা অন্য কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না।
জানা গেছে, মোঃ রব্বানী হাওলাদার হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সঙ্গে মুহুরী/আইনজীবী সহকারী হিসেবে কাজ করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অব্যাহতির পর মোঃ রব্বানী হাওলাদারের কোনো ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড, বক্তব্য, আর্থিক লেনদেন বা পরিচয় ব্যবহারের সঙ্গে তালাশ বিডির কোনো সম্পর্ক থাকবে না।
তবে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে, এগুলোকে কর্তৃপক্ষের নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগ ও সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হবে।
এ বিষয়ে মোঃ রব্বানী হাওলাদারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তার বক্তব্যও প্রতিবেদনে যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার দুর্গাপুরে চেকপোস্টে যাত্রীবাহী অটোরিকশা তল্লাশিকালে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হক মিয়া (২৮) নামে এক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার জাঞ্জাইল বাস কাউন্টার এলাকার একটি চেকপোস্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হক মিয়া দুর্গাপুর থানার মাধবপুর সীমান্তবর্তী মিনকি ফান্দা গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা জেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এসআই হারুনের নেতৃত্বে জাঞ্জাইল চেকপোস্টে একটি অটোরিকশা তল্লাশিকালে এক যাত্রীর পকেটে থাকা সাদা পলিথিনে মোড়ানো একটি প্যাকেট রাস্তায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এসআই হারুন ধাওয়া করে তাকে আটক করেন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্যাকেটটি খোলা হলে চারশো পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পরে এসব মাদক আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ করেন, এসআই ফিরোজ আল মামুন।
ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বাসসকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্বীকার করেছে যে সে সীমান্তবর্তী মাধবপুর এলাকা থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করেছিল।
মাদকের এ চালানটি নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জ এলাকায় পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল তার।
তিনি আরও জানান, হক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ মাদকের মূল সরবরাহকারী ও শ্যামগঞ্জের গ্রহীতাকে শনাক্ত করতে আসামিকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুর্গাপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং স্থল ও নৌ অবরোধের পরিকল্পনাকে ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
সোমবার, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা- যেটির মধ্যে একটি কথিত স্থল অবরোধও উল্লেখ রয়েছে - তা তেহরানের অবস্থানে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
বাঘাই বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানের অবস্থানের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।’
তিনি অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটন ১৯৫৩ সালে ইরানে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া ‘যুদ্ধ, বৈষম্য, চাপ এবং নিষেধাজ্ঞার একটি দুষ্টচক্রে’ আটকে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডেমোক্রেট প্রশাসনের অধীনে ‘পঙ্গু করে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা’ এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ‘সর্বোচ্চ চাপের’ অভিযানসহ পূর্ববর্তী মার্কিন পদক্ষেপগুলো সবই ব্যর্থ হয়েছে।
বাঘাই বলেছেন, ‘তারা আমাদের জনগণের জন্য ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে এবং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য সম্ভাব্য সব উপায় চেষ্টা করেছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত ‘একটি অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের পথ বেছে নিয়েছিল।’
মুখপাত্র বলেন, ‘এখন থেকেও নিশ্চিত থাকুন যে, এ ধরনের পন্থা - যে পন্থাগুলো আগে চেষ্টা করা হয়েছে এবং কোনো ফলাফল দেয়নি - ভবিষ্যতেও ভিন্ন কোনো ফলাফল তৈরি করবে না।’
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ