মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) মিডিয়া সেল।
বিএমপি মিডিয়া সেলের ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
### মতাসার বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযান
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মতাসার বাজার এলাকায় বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় পুলিশের এ অভিযানের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে অভিযান পরিচালনার আগে কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়েছিল, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল কিংবা সেগুলো কোথাও সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল কি না—এসব বিষয়ে বিএমপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
### আটক দুজনের পরিচয়
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন মো. সাকিব হাওলাদার (২৭) ও মো. রাকিবুল ইসলাম (৩২)। তাঁরা উভয়েই বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এ ঘটনায় আরও কেউ শনাক্ত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
### আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিএমপি মিডিয়া সেল। পরবর্তী সময়ে তদন্ত ও আইনানুগ কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিস্তার প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও আইনগত পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরি।
উল্লেখ্য, আটক হওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : চারপাশে হলুদাভ বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। বাতাসে পোড়া গন্ধ ভাসছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এমন অবস্থায় ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের পালাংকারায়া শহরের নিজস্ব ছোট্ট বাড়ি থেকে সরানোর সময় অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করে শ্বাস নিচ্ছিলেন সুদারসোনো। ৫৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তি দাবানলের ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, মধ্য কালিমান্তান প্রদেশের এই শহরের উপকণ্ঠে বসতবাড়ির দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছিল। কয়েক দিন আগে তিন বন্ধুর সঙ্গে আগুন নেভাতে যাওয়ার সময় পেশায় নির্মাণশ্রমিক ও কৃষক সুদারসোনো নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
গত সপ্তাহে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আমি মাস্ক পরেছিলাম, চোখে সুরক্ষাচশমাও ছিল। আমি সব ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থাই নিয়েছিলাম। তারপরও চারদিক থেকে ধোঁয়া ঘিরে ধরেছিল। আর সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ফিরে আসি।’
দাবানলে তার বাড়ির পেছনের উঠান পুড়ে কালো হয়ে গেছে। সেখানে পড়ে আছে কয়েকটি পোড়া গাছের গুঁড়ি। চারপাশে জমে আছে তীব্র ধোঁয়ার গন্ধ।
অ্যাম্বুলেন্সের দরজা বন্ধ হওয়ার আগে সুদারসোনো বলেন, ‘আমি আশা করি, আর ধোঁয়াশা থাকবে না। মধ্য কালিমান্তান আগুনমুক্ত হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করতে পারে, কাজ করতে ও জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।’
শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত তিন লাখের বেশি মানুষ
মাসের পর মাস ধরে চলা দাবানল ও বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পালাংকারায়া শহরেই এ সংকটের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত ১১ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির সাতটি প্রদেশে ৩ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।
পালাংকারায়ার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে শ্বাসকষ্ট ও মাথাব্যথার চিকিৎসা নিচ্ছিলেন আলেক্সান্দ্রা সুরিয়া হাবসারি। তাকে নেবুলাইজার ও অক্সিজেন দেওয়া হয়। নেবুলাইজারের মাধ্যমে ওষুধকে সূক্ষ্ম কণায় পরিণত করে শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে পৌঁছাতে সহায়তা করা হয়।
আলেক্সান্দ্রা এএফপিকে বলেন, ‘আমি সত্যিই অতিষ্ঠ। কিন্তু কার ওপর রাগ করব, সেটাও বুঝতে পারছি না। একজন মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব— এ পরিস্থিতি ইতোমধ্যেই সেই সীমা ছাড়িয়ে গেছে।’
দাবানলের ধোঁয়ায় ফরমালডিহাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও অ্যামোনিয়ার মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকতে পারে। এ ছাড়া এতে রয়েছে অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা, যা পিএম২.৫ নামে পরিচিত। এসব কণা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে, এমনকি রক্তপ্রবাহেও পৌঁছাতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, পিএম২.৫-এর সংস্পর্শে এলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে ও মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিষের মতো বাতাসে শ্বাস নিচ্ছেন মানুষ
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ইন্দোনেশিয়া কয়েক মাস ধরে দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসান্তারা অ্যাটলাসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে দেশটিতে ১৯ লাখ হেক্টরের বেশি বন ও ভূমি দাবানলে পুড়ে গেছে।
তবে ইন্দোনেশিয়ার সরকার এ হিসাবের সত্যতা নিশ্চিতও করেনি, আবার তা নাকচও করেনি।
বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত বাতাসে শ্বাস নিতে বাধ্য হওয়া প্রতিবেশী দেশগুলোর পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সরকারবিরোধী বিক্ষোভে।
ধোঁয়াশার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া মানুষের চিকিৎসায় দেশজুড়ে প্রায় ৫০০টি কেন্দ্র স্থাপন করেছে ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এসব কেন্দ্রে বিনা মূল্যে অক্সিজেন ও ধোঁয়াজনিত অসুস্থতার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর মধ্যে প্রায় ৩০০টি কেন্দ্র রয়েছে মধ্য কালিমান্তান প্রদেশে। দাবানল ও ধোঁয়াশার প্রকোপ এ অঞ্চলে বিশেষভাবে তীব্র।
এ ছাড়া পালাংকারায়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ বাস মোতায়েন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব বাসের মাধ্যমে মানুষকে বিনা মূল্যে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এই সেবা পাওয়া ব্যক্তিদের একজন সিতি জুমিয়াতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চোখ লাল হয়ে জ্বালাপোড়া করা, গলাব্যথা ও কাশির সমস্যায় ভুগছেন।
গত শনিবার এএফপিকে সিতি বলেন, ‘আজ এই বাসে আমি বিনা মূল্যে শ্বাস নিতে সহায়তা পাচ্ছি।’
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিদুয়ান বলেন, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৭ বছর থেকে ৫৯ বছর বয়সী মানুষ। জীবিকার প্রয়োজনে বিষাক্ত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন বাতাসের মধ্যেও তাঁদের কাজের জন্য বাইরে বের হতে হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার অনেক মানুষের মতো রিদুয়ানেরও একটিই নাম।
৪৩ বছর বয়সী আলেক্সান্দ্রা বলেন, প্রতিদিন অফিসে যাতায়াতের ২০ মিনিটের পথটুকুও এখন তার জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের তো নীল আকাশ দেখার, নির্মল অক্সিজেন নেওয়ার, সূর্যের আলো উপভোগ করার এবং বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ার কথা। কিন্তু পরিস্থিতি যখন এমন, তখন আমরা যা শ্বাসের সঙ্গে নিচ্ছি, তা বিষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির পরিচয় দিয়ে মোবাইলে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, চাঁদা না দিলে ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’ বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।
অভিযোগের বিস্তারিত জানায়, সোমবার বিকালে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদকে মোবাইলে কল করেন। কলের সময় তিনি নিজেকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন এবং চাঁদা দাবি করেন। পূর্ণ পরিচয় জানতে চাইলে তিনি শুধুমাত্র নিজের নাম আসলাম শিকদার এবং দলের নাম উল্লেখ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফোন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। তবে নির্দিষ্ট কোনো টাকার অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় বলেন, ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’—এই দুটির যেকোনো একটি তাকে দিতে হবে।
এসময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা থানায় অভিযোগ করার কথা বললে অপর প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়, থানায় কেন, এসপির কাছে তার নাম বলতে। প্রয়োজনে তাকে বা তার পরিবারের সদস্যদের রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন ওই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি কোনো কারণ ছাড়াই অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি সহায়তা পেতে তিনি সন্ধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
পাইকগাছা থানার ওসি শেখ আউয়াল কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফোনটি এসেছে ঢাকা-গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে। এ চক্রটি অনেক সক্রিয় বলে মনে হচ্ছে। তবে আশা করা হচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে নাঈম হাসান (১৬) নামের এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কাউখালী থেকে আমড়াজুড়ি ফেরিঘাট যাওয়ার পথে কেন্দ্রীয় আশ্রমসংলগ্ন কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের ধোপাবাড়ি মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত নাঈম হাসান উপজেলার আশপদ্দি গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে এবং সে স্থানীয় সদর ইউনিয়নের জয়কুল আদর্শ কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে নাঈম মোটরসাইকেল নিয়ে আমড়াজুড়ি ফেরিঘাটের দিকে যাওয়ার সময় ধোপাবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটির সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়। পরে স্থানীয় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাহিদ হাসান জানান, আহত স্কুলছাত্রের মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বর্তমানে কম বয়সি কিশোর ও যুবকেরা কোনো নিয়মকানুন না মেনে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং মূল্যবান তাজা প্রাণ ঝরে পড়ছে। তারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালনা বন্ধে এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইফতেখার রাফসান এবং সুনেরাহ তাসনিমের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। যদিও তারা দুজনেই নিজেদের ভালো বন্ধু হিসেবে দাবি করে আসছেন। সম্প্রতি তাদের একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাফসান ও সুনেরাহর ঝলমলে পোশাকে তোলা ছবিগুলি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তারা কি সত্যিই গাঁটছড়া বাঁধলেন? কিছু মানুষ তাদের সেই ছবিকে বাগদানের ছবি হিসেবে উল্লেখ করছেন।
তবে জানা গেছে, ছবিটি মূলত শিশু-কিশোরদের ট্যালেন্ট হান্ট শো ‘মার্কস অল রাউন্ডার’-এর শুটিং সেটে তোলা হয়েছে।
মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার কর্তৃপক্ষ এবং রাফসান–সুনেরাহ উভয়েই নিশ্চিত করেছেন যে, শুটিং চলাকালে তোলা ছবিটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পাদনা করে বাগদানের ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ‘মার্কস অল রাউন্ডার’-এর উপস্থাপক হিসেবে একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন রাফসান ও সুনেরাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ