শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীদের নিয়ে যাওয়া একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার রেড ক্রস এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
নৌকাটি ‘জিনাক কাজাতা’ গ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এই গ্রামটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত এবং স্থানীয়দের মতে, এটি স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান যাত্রা পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।
তীব্র স্রোত এবং জরাজীর্ণ ও অতিরিক্ত বোঝাই নৌযান ব্যবহারের কারণে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এই দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জিনাক কাজাতার উপকূলে অভিবাসীবাহী আরেকটি নৌকা ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্ঘটনায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ ছিল।
মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের উপকূলে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীরা আরও দক্ষিণের পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সমুদ্রযাত্রার দূরত্ব এবং ঝুঁকি—দুটিই বেড়ে গেছে।
দারিদ্র্য, সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিতে ইচ্ছুক অভিবাসীদের জন্য ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইতালি ও গ্রিসের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় পথও অভিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের এ দ্বীপপুঞ্জে অভিবাসীদের আগমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সে বছর ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে পৌঁছান। তবে স্পেনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীতে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে একাধিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নির্বিচারে ইলিশ শিকার করা হচ্ছে। এসব সিন্ডিকেটের সঙ্গে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে রামগতি ও কমলনগরের কয়েকটি মাছঘাট পরিদর্শন করে মা ইলিশ শিকারের চিত্র দেখা গেছে। রামগতির বিবিরহাট, ওছখালী, ব্রিজঘাট, আসলপাড়া, টাঙ্কিরঘাট, আলেকজান্ডার, বালুরচর ও বাংলাবাজার এবং কমলনগরের মতিরহাট, নবীগঞ্জ, নাজিরগঞ্জ, মাতাব্বরহাট, লুধুয়া ও পাটারিরহাট এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর রামগতি বাজার মাছঘাটসংলগ্ন মান্তাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাছ কেনার জন্য অনেক ব্যবসায়ী অপেক্ষা করছেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যান। স্থানীয় জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, বিকেলে আট থেকে ১০টি নৌকা মাছ শিকারের জন্য নদীতে যায়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে সেগুলো মাছ নিয়ে ঘাটে ফেরে। এ সময় মাছ কেনার জন্য ব্যবসায়ীরা অপেক্ষা করেন। রাতভর আরো ১২ থেকে ১৫টি নৌকা মাছ শিকার করে ভোরে ঘাটে আসে। তখন সেখানে মানুষের ভিড় আরো বাড়ে।
এছাড়া, নৌকা পরিচালনার বিষয়ে প্রশ্ন করলে উপস্থিত তিনজন মাছ ব্যবসায়ী লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপির কর্মী ডলার নোমান ও হালিম মাঝির নাম উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, ওই ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে নৌকাগুলো পরিচালিত হচ্ছে।
কমলনগরের মতিরহাট মাছঘাটে চরকালকিনি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হুমায়ুন কবির ও ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ থেকে সাতটি নৌকায় মা ইলিশ শিকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই মেঘনায় মা ইলিশ শিকার শুরু হয়, যা চলে সারা রাত। নদীতে মাছ ধরতে নামা জেলেদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে জাহাঙ্গীর আলম, ডলার নোমান ও হালিম মাঝির সিন্ডিকেট তাদের মাছ শিকারে সহায়তা করছে। প্রতিদিন গড়ে ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের প্রায় ৩০টি নৌকা এভাবে মাছ শিকার করে বলে তাদের দাবি।
মান্তাপাড়া এলাকায় জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালিত কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে চরগাজী ও বড়খেরী ইউনিয়ন ছাত্রদল ও যুবদলের কয়েকজন নেতাও জড়িত বলে দাবি করেছেন ওই এলাকার দুই বিএনপি নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন বলেন, এসব বিষয়ে কথা বললে সমস্যায় পড়তে হয়। দলের কিছু নেতাকর্মী এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন যে কারও কথা শুনতে চান না। মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ না করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তারা।
মাছ কিনতে আসা সিরাজ উদ্দিন ও রফিক মাঝি বলেন, নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তারা প্রায়ই ওই স্থান থেকে মাছ কেনেন। তাদের দাবি, তাদের মতো প্রায় ২০০ ব্যবসায়ী নিয়মিত সেখানে মাছ কেনেন। ঋণ ও জীবিকার তাগিদে জেলেরা নদীতে নামতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষকে সামলানোর দায়িত্বে রয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম, ডলার নোমান ও হালিম মাঝি।
রামগতি বাজারের ব্যবসায়ী ফজল করিম ও আবির হোসেন বলেন, এ বছর মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসনের তৎপরতা আগের বছরগুলোর তুলনায় কম। তাদের অভিযোগ, এ সুযোগে নির্বিচারে ইলিশ শিকার চলছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজনীতি করার কারণে তার পক্ষে-বিপক্ষে শত্রু রয়েছে। তারা হয়তো এমন অভিযোগ করতে পারেন। তবে তিনি এ কাজের সঙ্গে জড়িত নন।
রামগতি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শিবলী নোমান বলেন, সরকারের আইন অনুযায়ী ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ। এ সময় কেউ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে মাছ শিকারে সহায়তা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। অপরাধীর পরিচয় অপরাধী।
রামগতির বড়খেরী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী বলেন, জনবল সংকটসহ নানা কারণে বিশাল নদী পাহারা দেওয়া কঠিন। তবু নৌ-পুলিশের সদস্যরা সাধ্য অনুযায়ী অভিযান চালাচ্ছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রামগতি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৌরভ-উজ-জামান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম তিনিও শুনেছেন। গত দুই দিনে ওই এলাকায় কয়েকবার গেছেন এবং জাহাঙ্গীর আলমকে টেলিফোনে সতর্ক করেছেন। কিছু জাল ও নৌকা আটক করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি তারাও শুনেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকাসহ দেশের নির্ধারিত এলাকায় ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের হাজারী গলিতে বিক্রি হচ্ছে নীল শাপলা, যা অনেকের কাছে নীল পদ্ম নামেও পরিচিত। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও পৌরাণিক আখ্যানে দুর্গাপূজায় নীল পদ্মের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তবে প্রকৃত নীল পদ্ম অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় পূজার্চনায় অনেক ক্ষেত্রে নীল শাপলা ব্যবহার করা হয়।
গ্রামবাংলার পুকুর ও জলাশয়ে একসময় প্রাকৃতিকভাবে ফুটত নানা রঙের শাপলা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে নীল শাপলার সহজলভ্যতা কমে যাওয়ায় এর কদর বেড়ে গেছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ফুলটির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। পদ্মফুলের পাশাপাশি চুলেরও চাহিদা রয়েছে।
প্রতিবছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুদূর কক্সবাজার থেকে নীল শাপলা নিয়ে চট্টগ্রামে আসেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। হাজারী গলিতে বড় আকারের প্রতিটি নীল শাপলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর ছোট আকারের শাপলার দাম ৩০ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা, চেইন অব কমান্ড অনুসরণ এবং পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
ব্রিফিং প্যারেডে কমিশনার ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের সময় করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক সদস্যকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
তিনি দায়িত্ব পালনকালে চেইন অব কমান্ড যথাযথভাবে অনুসরণ এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিএমপি কমিশনার আরও গুরুত্বারোপ করেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে। যাতে পূজারিরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন এবং নগরবাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ব্রিফিং প্যারেডে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, দুর্গাপূজায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
আজ শুক্রবার, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার কোন্ডা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও শিব মন্দির ও দুর্গা মন্দিরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত উপহার ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "দুর্গাপূজা ঘিরে নানা ধরনের রটনা, গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা রয়েছে।" তিনি সকলকে এসব বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরাও পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় এবং সার্বিক সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "সরকার ও প্রধানমন্ত্রী পূজার সুষ্ঠু উদযাপনে বিশেষ নির্দেশনা ও অনুদান বরাদ্দ দিয়েছেন।" সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি নিজ তহবিল থেকেও মন্দিরগুলোতে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ