ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম


২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম

২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ নিবন্ধন কার্যক্রম।

এ সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে যে কেউ নিবন্ধন করতে পারবেন। অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের অবশ্যই মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট থাকতে হবে। জটিল রোগে আক্রান্ত বা শারীরিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না।

নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ:

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

সাড়ে তিন লক্ষ টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদেরকে চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের পূর্বে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

যে সকল স্থানে নিবন্ধন করা যাবে:

সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ইউজার তৈরি করে যে কেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবে। এছাড়া, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে।

সরকারি মাধ্যমে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদেরকে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে।

আরও পড়ুন: ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও চিকিৎসাসেবায় একগুচ্ছ উদ্যোগের কথা জানালেন আখতার হোসেন

তবে, বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদেরকে হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

যে সকল ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না:

১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবে না। এছাড়া, দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন: হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমনেশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেনÑ এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবে না।

এছাড়া, জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন- যক্ষা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকिपূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবে না।

আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ

উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদেরকে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরণ ও হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে।

এছাড়া, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমন ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


খাগড়াছড়িতে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমন ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু

 

কৃষির আধুনিকায়ন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে খাগড়াছড়ি সদরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের সাহায্যে আমন ধানের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

রবিবার কমলছড়ি এলাকায় পাঁচ একর জমিতে এ চারা রোপণের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্টদের জানান, এলএসটিডি প্রকল্পের অধীনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। কৃষি যন্ত্রপাতির প্রায়োগিক পরীক্ষণের মূল্যায়নের জন্য জমিতে বীজতলা তৈরির পরিবর্তে প্লাস্টিক ট্রে-তে ধানের বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। পরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের সাহায্যে যান্ত্রিকভাবে কৃষকের জমিতে চারা রোপণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২০০ জন কিষান-কিষানিকে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।

উপকারভোগী কৃষক বাবলু চাকমা বলেন, 'খরচ বাঁচিয়ে যান্ত্রিক প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ করে আমরা লাভবান হতে পারব।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল বিষয়ে গুজব এড়ানোর অনুরোধ বেবিচকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল বিষয়ে গুজব এড়ানোর অনুরোধ বেবিচকের

বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনে অসম্পূর্ণ ও প্রেক্ষাপটবিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

সংস্থাটির মতে, বস্তুনিষ্ঠতাহীন এসব তথ্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

এদিকে, আগামী বছরের পরিবর্তে চলতি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই থার্ড টার্মিনালটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ রবিবার (২৬ জুলাই) বেবিচকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের মোট ব্যয়, ভেরিয়েশন কার্যক্রম, চুক্তি বাস্তবায়ন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে প্রকল্পের প্রকৃত বাস্তব অবস্থা, অনুমোদিত নথি, চুক্তির শর্তাবলী এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি না বুঝে আংশিক ও অসম্পূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বেবিচক জানায়, থার্ড টার্মিনালের মূল অবকাঠামোগত নির্মাণকাজ প্রায় দুই বছর আগেই শেষ হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী অপারেশনাল রেডিনেস, জটিল কারিগরি ও পরিচালনাগত কাজ সম্পন্ন করা এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য বাড়তি সময় লেগেছে।

বেবিচক আরো জানায়, বর্তমানে চূড়ান্ত ধাপের কাজগুলো দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং নির্ধারিত ডিসেম্বরের মধ্যেই এটি যাত্রী চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য স্থির রয়েছে।

সংস্থাটির মতে, দেশের অন্যতম বৃহৎ এই মেগা প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য যাচাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।

এমনকি এটি বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থা ক্ষুণ্ন করা ছাড়াও নির্ধারিত সময়ে টার্মিনাল চালু করার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এর চূড়ান্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আহরণ এবং সামগ্রিক এভিয়েশন খাতের ওপর।

বিজ্ঞপ্তিতে বেবিচক স্পষ্ট করে যে, দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা জনস্বার্থ রক্ষার অন্যতম প্রধান শর্ত। তাই এ সংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সঠিক তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন পরিবেশনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দেশের প্রধান এভিয়েশন হাব কেন্দ্রিক যেকোনো গুজব ও অপপ্রচার রুখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সচেতন সহযোগিতা কামনা করেছে বেবিচক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে স্থলসেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা, নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


ইরানে স্থলসেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা, নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

ইরানের অভ্যন্তরে সরাসরি স্থলসেনা নামিয়ে তাদের অত্যন্ত সুরক্ষিত পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার এবং গচ্ছিত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কবজা করার এক অভূতপূর্ব ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক পরিকল্পনার ছক কষছে যুক্তরাষ্ট্র।

কূটনৈতিক উপায়ে পারমাণবিক সংকট মোকাবিলার পথ পুরোপুরি রুদ্ধ হয়ে পড়ায়, পেন্টাগন এখন সামরিক ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক এই কৌশল বাস্তবায়নের চিন্তা করছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের উপকমিশনার জোসেফ রজার্স বলেছেন, ‘আমি স্বীকার করতে চাই না, তবে ইরানের পারমাণবিক উপাদান অপসারণের সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একটি সামরিক অভিযান। কারণ, কূটনৈতিক আলোচনা দ্রুত কোনো ফল দিচ্ছে না।’

সামরিক পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে যে, অত্যন্ত জটিল এই অভিযানে হাজারো স্থলসেনা ইরানের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রবেশ করবে।

তাদের বিস্ফোরক ফাঁদ (বুবি ট্র্যাপ) এড়িয়ে এগোতে হবে, ধ্বংসস্তূপ সরাতে নির্মাণকর্মীদের কাজে লাগাতে হবে এবং পুরো এলাকা ঘিরে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষাবলয় গড়ে তুলতে হবে। এরপর বিশেষ অভিযান বাহিনীর একটি ছোট দল সরাসরি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার করবে।

এনিয়ে জোসেফ রজার্স বলেন, আমার মনে হয় এটি সামরিক ইতিহাসের সবচেয়ে, অথবা অন্যতম সবচেয়ে, জটিল অভিযান হবে। তিনি আরও বলেন, এটি হবে একটি বিরাট লজিস্টিক-নির্ভর এবং যুদ্ধপরিস্থিতিতে পরিচালিত কঠিন অভিযান।

ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই ধ্বংস হয়েছে, তবে তারা এখনও ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে পাহারা দেওয়া কিউবান বাহিনীর চেয়ে অনেক বেশি সক্ষম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন স্পেশাল অপারেশন্সের সিল টিম সিক্সের সিলভার স্কোয়াড্রন, দ্বিতীয় রেঞ্জার ব্যাটালিয়ন এবং ২১তম অর্ডন্যান্স কোম্পানি এই অভিযানে অংশ নিতে পারে। মূলত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ফোরদো ও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার কাজ করবে ২১তম অর্ডন্যান্স কোম্পানি।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের কাছে ২০ হাজার পাউন্ডেরও বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে।

রজার্স বলেছেন, যেসব স্থাপনা থেকে উপাদান সংগ্রহ করা হবে, সেগুলোর চারপাশে নিরাপদ নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য স্থলবাহিনীকে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে এবং বিমানঘাঁটি পর্যন্ত নিরাপদ কনভয় চলাচলের পথ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি জানান, মার্কিন সেনাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রবেশপথ খনন করে খুলতে হবে, একই সঙ্গে ইরানের সামরিক বাহিনীর সম্ভাব্য হামলাও প্রতিহত করতে হবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে (এনএসসি) ইরানের গণবিধ্বংসী অস্ত্র মোকাবিলাবিষয়ক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রিচার্ড গোল্ডবার্গ বলেন, প্রশ্ন হলো, আপনি কতক্ষণ এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যেতে পারবেন এবং একই সঙ্গে কীভাবে সব সেনাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনবেন?

তার মতে, এই অভিযানের জন্য এমন একটি আকাশপথ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, যাতে মার্কিন সামরিক বিমান নিরাপদ স্থানে যাতায়াত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ মুহূর্তে আকস্মিক হামলার কোনো সুযোগ নেই। লক্ষ্যবস্তু কোথায় আছে, আমরা জানি; ইরানও জানে। এর আগে গত মাসে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য অভিযানের আশঙ্কায় ইরান ইসফাহান স্থাপনার টানেলগুলোতে মাইন ও বিস্ফোরক পেতে রেখেছে।

এদিকে, গত এক মাসে ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র থেকে শত শত সেন্ট্রিফিউজ সরিয়ে নেওয়ার খবর প্রকাশের পর পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নতুন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উঠে এসেছে।

গোল্ডবার্গ বলেন, আমরা জানি না সেখানে কতগুলো সেন্ট্রিফিউজ রয়েছে। সেগুলো খুলে নেওয়া হবে, ধ্বংস করা হবে নাকি বাইরে নিয়ে আসা হবে—এটা নিশ্চিত নয়। তবে যদি পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে বিশেষ অভিযান চালানো হয়, তাহলে সম্ভবত তার কারণ হবে আকাশ হামলায় স্থাপনাটি ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে মনে করা।

তিনি বলেন, শুধু বিমান হামলাই যথেষ্ট হবে কিনা, তা নির্ভর করবে ভবনটির নকশা ও দুর্বল অংশ সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যের ওপর।

তার মতে, ফোরদোতে বাঙ্কার-বাস্টার বোমা হামলার সময় যেমন স্থাপনাটির দুর্বল এয়ার শ্যাফটকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, এখানেও তেমন কৌশল প্রয়োজন হতে পারে।

গোল্ডবার্গ বলেছেন, এটি হবে ধ্বংসের মিশন। যদি স্থাপনার ভেতরে প্রবেশ করতে হয়, তাহলে উদ্দেশ্য হবে পুরো স্থাপনাটিই ধসিয়ে দেয়া।

তবে ইসফাহান ও ফোরদোর তুলনায় পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে দ্রুত সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করেন তিনি।

তার ভাষায়, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের অভিযানটি সম্ভাব্যভাবে মাদুরো অভিযানের মতো হতে পারে। কারণ সেখানে গোপনে প্রবেশ করে বিস্ফোরক স্থাপন করা এবং দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে আসাই হবে মূল কৌশল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ইয়ামাহার নতুন শো-রুমের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


চট্টগ্রামে ইয়ামাহার নতুন শো-রুমের উদ্বোধন

চট্টগ্রামের সিডিএ আভিনিউয়ের মুরাদপুরে ইয়ামাহা মোটরসাইকেল শো-রুম টুয়েন্টি এইট মোটর্স যাত্রা শুরু করলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই শো-রুমটি উদ্বোধন করা হয়। এটি দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করবে।

বিশাল পরিসরে নির্মিত এই আইকনিক শো-রুমে এক ছাদের নিচে ইয়ামাহার সব জনপ্রিয় মডেলের মোটরসাইকেল পাওয়া যাবে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ইয়ামাহা-র বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল কেনার সুযোগ পাবেন।

শুধু মোটরসাইকেলই নয়, শো-রুমটিতে ইয়ামাহার বিশ্বমানের বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক সার্ভিস সুবিধা এবং শতভাগ জেনুইন স্পেয়ার পার্টসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহও রয়েছে। এই শো-রুম থেকে গ্রাহকরা ইয়ামাহার অফিসিয়াল জেনুইন অ্যাপারেলস ও রাইডিং গিয়ার সংগ্রহ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ইয়ামাহা রাইডারস ক্লাবের আয়োজনে এক বিশাল র‍্যালি দিয়ে শুরু হয়। র‍্যালিটি সিআরবি মোড় থেকে টাইগারপাস হয়ে মুরাদপুরে ইয়ামাহা শো-রুমে পৌঁছায়। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস; টুয়েন্টি এইট মোটর্সের স্বত্বাধিকারী আয়েশা সিদ্দিকা এবং তামিম ইকবাল খান। এছাড়া অনুষ্ঠানে ইয়ামাহা ও এসিআই মোটরসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%