বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০০ পি.এম
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের জন্য ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার বোর্ডের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। ফি প্রদান ও রেজিস্ট্রেশনও একই সময়ের মধ্যে করতে হবে এবং ফাইনাল লিস্ট (হার্ডকপি) প্রিন্ট আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত করা যাবে।শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য আপলোডের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি রেজিস্ট্রেশন কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিকে ভর্তি ফরম ও সনদের সাথে এন্ট্রি করা তথ্য সঠিকভাবে যাচাই ও ভুল সংশোধন নিশ্চিত করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের কোনোভাবেই যুক্ত করা যাবে না।বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে যে, যেকোনো শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি, জেডিসি, জেএসসি (ভোকেশনাল) বা অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এই রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ১ম শিফটে ভর্তির জন্য ২০২০ বা পরবর্তী সময়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে সরকারি ২য় শিফট ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাসের সন শিথিলযোগ্য। শিক্ষার্থীর বয়স ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ন্যূনতম ১২ বছর হতে হবে।বোর্ড জানিয়েছে, অনুমোদিত প্রতি ট্রেডে আসন সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৫০টি (মূল আসন ৪০টি ও ড্রপআউট ১০টি) এবং সর্বনিম্ন ১২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় ফলাফলের সার্ভার বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের জেএসসি/জেডিসি/৮ম শ্রেণি পাসের সনদ ও অনলাইন জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী ম্যানুয়ালি ডাটা এন্ট্রি করতে বলা হয়েছে। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া অ্যাফিলিয়েশন ফি পরিশোধিত প্রতিষ্ঠানগুলোই কেবল বোর্ডের ই-সেবা প্ল্যাটফর্মেরমাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পাদন করতে পারবে।তথ্য এন্ট্রিতে ভুল হলে বা নির্ধারিত সময়ে রেজিস্ট্রেশন ব্যর্থ হলে তার সমুদয় দায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অস্তিত্বের সঙ্গে নারীদের ত্যাগ, তিতিক্ষা ও রাজনীতি গভীরভাবে জড়িত। ভাষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত নারীদের অবদান রয়েছে। তবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
তিনি আরও বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে নারীদের অবদান থাকলেও, সংসদে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় নারীদের অংশগ্রহণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সিডও দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শামা ওবায়েদ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।
শামা ওবায়েদ বলেন, রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ একমাত্র যথেষ্ট নয়, সামাজিক পরিবর্তনও অত্যাবশ্যক। নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের চিন্তাভাবনায় নারী-পুরুষের সমতার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একা এই সামাজিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, যোগ্যতা অনুযায়ী নারীদের রাজনীতিতে স্থান দিতে হবে। নতুন প্রজন্ম রাজনীতিতে আসছে, যা ইতিবাচক। কিন্তু মাঠের রাজনীতিতে তরুণীদের সংখ্যা এখনও খুব কম। একই সঙ্গে নারী-পুরুষের সমতা নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আরও সচেতনতা প্রয়োজন।
শামা ওবায়েদ বলেন, এটি শুধুমাত্র রাষ্ট্র বা সরকারের সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক সমস্যা। একটি সরকার একা এই সমস্যার সমাধান করতে পারে না। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে নারী-পুরুষের সমতার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
ডিজিটাল পরিসরে নারীদের হয়রানি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন মূলধারার গণমাধ্যমের মতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মানুষ অনেক সময় প্রচলিত গণমাধ্যমের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি মনোযোগ দেয়। এর পাশাপাশি ডিজিটাল হয়রানিও ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
সভায় উইমেন ফর উইমেনের সভাপতি ও দীপ্ত ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া কে হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সালমা আলী, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের পরিচালক শাহনাজ সুমী, স্টেপস টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর চন্দন লাহিড়ী এবং উইমেন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফুন নাহার মিষ্টি বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তাদের চাকরি বিধিমালা, শৃঙ্খলা বিধি ও দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ।
তিনি বলেন, বিশেষ করে সঠিক নিয়মে মামলা পরিচালনা এবং বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) মূল্যায়ন প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর চিনিশিল্প ভবনের নবম তলায় বিএসএফআইসির উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘মামলা পরিচালনা, বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) লিখন, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ (সংশোধিত) এবং অফিস ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ কর্মশালায় বিএসএফআইসির ৩০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
চেয়ারম্যান বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কর্মকর্তারা তাদের কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্মসচিব ও বিএসএফআইসির পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আব্দুল আলীম খান, যুগ্মসচিব ও পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, যুগ্মসচিব ও পরিচালক (অর্থ) তাহমিনা আক্তার, পরিচালক (বাণিজ্যিক) আজহারুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ (সংশোধিত), সরকারি নথি ব্যবস্থাপনা এবং মামলা পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-আত্মনির্ভর ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম।
আজ বৃহস্পতিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচারকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে এই প্রস্তাব জানানো হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত ডাকসু ২০২৫-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী ও কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম স্মারকলিপিটি তুলে ধরেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন ও আবাসিক হলগুলোর ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার প্রস্তাব রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন ও আবাসিক হলের ছাদকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি রুফটপ সোলার অ্যান্ড গ্রিন এনার্জি প্রজেক্ট’ নামে একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনের ছাদের কাঠামোগত সক্ষমতা, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা ও ধারণক্ষমতা যাচাই করে একটি ‘সোলার মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি করা যেতে পারে। এরপর অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী কয়েকটি ভবনে পরীক্ষামূলকভাবে পাইলট প্রকল্প চালু করে, সফলতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পুরো ক্যাম্পাসে তা সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ‘নেট মিটারিং’ ব্যবস্থা চালুর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে শুধুমাত্র বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি ‘নেট এনার্জি কনট্রিবিউটর’ হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রকল্পটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘লিভিং ল্যাবরেটরি’ হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, পরিবেশবিজ্ঞানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা সৌরবিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে সরাসরি গবেষণা ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
প্রকল্পের অর্থায়নে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি গ্রিন ফাইন্যান্সিং, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মতো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলেও স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে।
শেখ হামিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান উৎপাদন করবে না-পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎও উৎপাদন করবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উপাচার্য এই পরিবেশবান্ধব ও সময়োপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়নে নীতিগত অনুমোদন দেবেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী শেখ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাইফ উল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. জাহিদুল ইসলাম, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান আসিফ, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক মালিহা বিনতে অবন্তী খান, স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মুন্না, সহক্রীড়া সম্পাদক সাদমান সাকিব বিশ্বাস মাহির, ফজলুল হক মুসলিম হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখওয়াত হোসেন, মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজা আমিনুল হক অভি এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ