০৯:১৩ এম
ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশর আশা টিকে আছে ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ের কারণে, যা বাজে ব্যাটিংয়ের পরে ঘটে। প্রথম দিনে ৬ উইকেট শিকার করার পর শরিফুলের বোলিং তোপ দ্বিতীয় দিনেও থামেনি।
অজি ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে তিনি সাজঘরে ফেরান, যা দেখে সাবেক অজি ক্রিকেটার ব্রেন্ডন জুলিয়ান মন্তব্য করেছেন, ‘যেন নব্বইয়ের দশকে ওয়াসীম আকরামের দেখা মিলল।’
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে শরিফুলের ওই ডেলিভারিটি ইয়র্কার লেন্থে পড়ে শেষ মুহূর্তে ইনসুইং করে গ্রিনের বুটের ডগায় আঘাত করে। বাংলাদেশের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি মিডল স্টাম্পে আঘাত করত, ফলে ১০৫ বলে ৬৭ রান করা গ্রিনকে বিদায় নিতে হয়।
আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে
এই উইকেটের মধ্য দিয়ে শরিফুল প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে অজিদের মাটিতে টেস্টে ৭ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়লেন। গত ৩৩ বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টের এক ইনিংসে কোনো সফরকারী বোলার ৭ উইকেট পাননি। সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কার্টলি অ্যামব্রোস এই কীর্তি গড়েছিলেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে দেশের বাইরে টেস্টে সর্বোচ্চ বোলিং ফিগারটি ছিল স্পিনার তাইজুল ইসলামের (১৩৮ রানে ৭ উইকেট)। এখন সেটি শরিফুলের দখলে।
এছাড়া, টেস্ট ক্রিকেটে দেশের প্রথম পেসার হিসেবেও ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শাহাদাত হোসেন রাজীবের ২৭ রানে ৬ উইকেট ছিল এতদিনের সেরা, যা কদিন আগে ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদ (৫৫/৬) স্পর্শ করেছিলেন। এবার শরিফুল সেই পুরোনো রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে বসলেন।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে এখন এটি টেস্টে তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার। মিরপুরে তাইজুল ইসলামের ৩৯ রানে ৮ উইকেট এখনও শীর্ষে রয়েছে, চট্টগ্রামে সাকিবের ৩৬ রানে ৭ উইকেটের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৪৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে তালিকার তিনে জায়গা করে নিলেন এই বাঁহাতি তারকা পেসার।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন