ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন ঘণ্টার সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজনের


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন ঘণ্টার সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল একজনের

পাওনা টাকা চাওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে একজন যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৮ জুন) রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় এই সংঘর্ষটি চলছিল। নিহত যুবকের নাম হাদিস মিয়া। তিনি সরাইলের ধর্মতীর্থ চাকসার এলাকার সামসু মিয়ার ছেলে। খবর পেয়ে সরাইল থানা ও জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, সরাইলের সূর্যকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন পাঁচ লাখ টাকার চটাপাটি বিক্রি করেন ধরন্তি গ্রামের আশিক ও আলালের কাছে। মোশারফ টানা ৯ মাস ধরে পাওনা টাকা চেয়ে আসছিলেন।

আরও পড়ুন: অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক

রোববার বিকেলে পাওনাদার মোশারফের দেখা হয় আশিক ও আলালের সঙ্গে সরাইল শহীদ মিনার এলাকায়। এ সময় মোশারফ পাওনা টাকা চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়; যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এই খবর উভয় পক্ষের এলাকায় পৌঁছালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। সংঘর্ষ চলাকালে হাদিস মিয়া টেঁটাবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

সংঘর্ষে নিহত হাদিস মিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

তিনি আরও জানান, এলাকায় এখনো টানটান উত্তেজনা বিরাজ করেছ। পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন আছে।

আরও পড়ুন: ২১ বছর ধরে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য ক্ষমা চায়নি : মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ এম


জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য ক্ষমা চায়নি : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামী এখনও জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তিনি বলেন, অতীতের সেই অবস্থান নিয়েই দলটির এখনো নতুন করে ভাবার সুযোগ রয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, বাংলাদেশ সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান তিনি জানিয়েছেন। রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদে বিরোধী দলের বেঞ্চের দিকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেছেন, 'যারা ওই পাশে আছেন, তারা নানা সময় আমাদের ক্ষুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এখন সময় এসেছে নিজেদের দিকেও একবার ফিরে তাকানোর।' তিনি দাবি করেছেন, '১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য আপনারা কখনো জাতির কাছে ক্ষমা চাননি। যদি সেই ভুল স্বীকার করতেন, তাহলে আজকের অনেক সমস্যাই সৃষ্টি হতো না।' জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম আজমের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'তিনি একসময় বলেছিলেন, ১৯৭১ সালে তারা কোনো ভুল করেননি। তবে আমি বিশ্বাস করি, এখনো সময় আছে, আপনারা নতুন করে বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন।' তিনি আরো বলেন, 'বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা উচিত। ১৯৭১ সালের বিষয়ে আপনাদের স্পষ্ট বক্তব্য আমরা কখনো শুনিনি। যদি আপনারা সেই ইতিহাস স্বীকার করেন, তাহলে আপনাদের জন্য রাজনীতি আরো সহজ হয়ে যাবে।' জামায়াতের রাজনৈতিক মিত্র এনসিপির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, 'তরুণদের এই রাজনৈতিক দলটি সম্ভাবনাময় হলেও এমন একটি দলের সঙ্গে তাদের জোট করা দুঃখজনক, যে দল বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।' তিনি মন্তব্য করেন, 'আমাদের প্রিয় ছাত্র ও তরুণদের দল এনসিপি ভালো করছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি দুঃখিত যে তারা এমন একটি দলের সঙ্গে জোট করেছে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।' মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন যে, তারা তাদের রাজনৈতিক অবস্থান আরো পরিষ্কার করবে। বাজেট আলোচনায় দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উল্লেখ করেন, 'বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে দেশের অর্থনীতি প্রায় খাদের কিনারে পৌঁছে গিয়েছিল।' তবে তিনি বলেন, 'জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশ নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের ফলে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি হয়েছে।' বর্তমান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রশংসা করে তিনি মন্তব্য করেন, 'এবারের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি ভবিষ্যতের উন্নয়নের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা।' তিনি বলেন, 'আগামী এক বছরে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, পরবর্তী তিন বছরে রাজস্ব ও আর্থিক খাতের সংস্কার এবং পাঁচ বছরের মধ্যে অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।' আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে এলজিআরডিমন্ত্রী অব্যাহতভাবে বলেন, 'দীর্ঘ ১৫ বছরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম হয়েছিল। এতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, মানুষ বিভক্ত হয়েছে এবং অর্থনীতি ভয়াবহ সংকটে পড়েছে।' সেই সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। তার বক্তব্যের শুরুতে তিনি একটি গল্পের উদ্ধৃতি দিয়ে আলোচনা শুরু করেন। পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, খন্দকার দেলোয়ার হোসেন, ড. আর এ গণি, তরিকুল ইসলাম ও আ স ম হান্নান শাহসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা রাখা নেতাদের স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও প্রশংসা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি চীন সফরের একটি স্মৃতিচারণ করে বলেন, '২০০২ সালে খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তারেক রহমান চীন সফর করেছিলেন।' তখন চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছিলেন, 'তিনি একদিন তার পিতা-মাতার আদর্শ ও পতাকা বহন করবেন।' আজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান সেই দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাদেশের মর্যাদা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো উজ্জ্বল করছেন। তরুণ প্রজন্মের ভূয়সী প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, 'দেশের ছাত্র ও তরুণ সমাজ গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে। তারা ভবিষ্যতে আরো সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৯ এম


সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দৈনিক আজকের পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যিনি বহিষ্কৃত মো. বেল্লাল হোসেন, তিনি সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বেল্লাল হোসেনের বহিষ্কারাদেশটি অনুমোদন করেছেন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী এবং সদস্য সচিব জাকারিয়া আহমেদ।

এর আগে শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলাপাড়া পৌর শহরের সদর রোড এলাকায় একটি মোবাইলের দোকানে বসে ছিলেন সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি কলাপাড়া উপজেলার নুর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার কলাপাড়া প্রতিনিধি।

ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম হোসেনের অভিযোগ, ওই সময় কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম ওরফে ফাহিম এবং কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী তাকে ডেকে এনে দোকান থেকে বের করে দেন। তারপর রাস্তায় ফেলে তারা তাকে বেধড়ক মারধর করেন।

একপর্যায়ে দৌড়ে দোকানের ভেতরে আশ্রয় নিলে, তাকে দ্বিতীয় দফা টেনে বের করে ফের মারধর করা হয়। এই মারধরে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। আহত সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেনের ওপর হামলার এই ঘটনায় কলাপাড়া প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম এবং কলাপাড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ সিচুয়ানে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড) জানিয়েছে, দেশটির স্থানীয় সময় রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত মধ্যরাতে এ ভূমিকম্প ঘটে।

তবে, ভূমিকম্পের কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর কিংবা হতাহতের ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশে আঘাত হেনেছে। জিএফজেড জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সব খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পের গভীরতা কম হওয়ায় উৎপত্তিস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর সিচুয়ানের রাজধানী চেংডুসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের বিষয়টি যাচাই করতে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাজ করছেন। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, কারণ এলাকাটি প্রত্যন্ত ও পার্বত্য।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিচুয়ান প্রদেশটি তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০০৮ সালে এই প্রদেশে ৮ মাত্রার এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সোমবারের এই কম্পনের পর জনমনে আতঙ্ক আবারও নতুন করে দেখা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য প্রস্তুত দুই শতাধিক দোকান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


কুমিল্লায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য প্রস্তুত দুই শতাধিক দোকান

কুমিল্লা নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে পরিচালিত দুই দিনের অভিযানে দুই শতাধিক ভ্যান ও ফুডকার্ট উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে শুধু উচ্ছেদ নয়, এবার ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক)। এর অংশ হিসেবে নগরীর সিটি মার্কেটে হকারদের জন্য দুই শতাধিক দোকান প্রস্তুত করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ও রোববার (২৮ জুন) নগরীর কান্দিরপাড়, চকবাজার ও রানীরবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখল করে হকাররা পসরা সাজিয়ে বসতেন। এতে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি তীব্র যানজট ও জনভোগান্তি তৈরি হতো। সমস্যা নিরসনে এর আগে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

 

দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেন কুসিকের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। প্রায় দুই মাস আগে তিনি চকবাজার, রাজগঞ্জ, কান্দিরপাড়, পূবালী চত্বর, টমছম ব্রিজ, রানীরবাজার ও শাসনগাছাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হকারদের স্বেচ্ছায় স্থান ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পুনরায় সড়ক দখল করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও সতর্কবার্তা দেয়া হয়।

 

কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরদিনই হকাররা আগের জায়গায় বসে পড়েন। পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

 

অবশেষে কুসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন এবং জেলা প্রশাসনের আরও দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অংশগ্রহণে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কান্দিরপাড় জিলা স্কুল এলাকা থেকে চকবাজার পর্যন্ত প্রথম দিনের অভিযান পরিচালিত হয়। এরপর রোববার (২৮ জুন) রানীরবাজার থেকে কান্দিরপাড় পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভেকু দিয়ে সড়ক দখল করে রাখা ভ্রাম্যমাণ দোকান, ভ্যান ও ফুডকার্ট অপসারণ করা হয়। কুসিকের তথ্যমতে, এই দুই দিনে প্রায় দুই শতাধিক ভ্যানগাড়ি ও ফুডকার্ট উচ্ছেদ করা হয়েছে।

 

 

অভিযানের পর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে ফুটপাতে ব্যবসা করা হকারদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুনর্বাসনের পদক্ষেপ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। নগরীর সিটি মার্কেটের দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত চারটি ফ্লোরে হকারদের জন্য দুই শতাধিক দোকান প্রস্তুত করা হয়েছে। নামমাত্র সেলামি এবং সামর্থ্য অনুযায়ী স্বল্প ভাড়ায় এসব দোকান বরাদ্দ দেয়া হবে। কুসিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এই মার্কেটের নাম রাখা হবে ‘হকার মার্কেট’।

 

এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য শুধু হকার উচ্ছেদ করা নয়, তাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। তাই সিটি মার্কেটে দুই শতাধিক দোকান প্রস্তুত করা হয়েছে। যে কেউ চাইলে এখনই দোকান বরাদ্দ নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আমরা এই মার্কেটকে হকার মার্কেট হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লাকে যানজটমুক্ত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার বিকল্প নেই। তবে জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

 

নগরবাসীর প্রত্যাশা, উচ্ছেদের পর হকারদের পরিকল্পিতভাবে পুনর্বাসন করা গেলে দীর্ঘদিনের যানজট ও জনভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ব্যবসার পরিবেশ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%