ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আখতারুজ্জামান জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক : আবু হানিফ


আখতারুজ্জামান জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক : আবু হানিফ

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, আখতারুজ্জামান জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক।

তিনি এই মন্তব্যটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

আবু হানিফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি একটি পুরোনো সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। গত বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান যে আচরণ প্রদর্শন করেছেন, তা প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। তার আচরণ ছিল অত্যন্ত উগ্র, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেদিনের যাত্রী হয়রানির ঘটনায় জড়িত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ। একইসাথে, বিমানবন্দরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে উগ্র আচরণ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য আখতারুজ্জামানকেও আটক করেছে ডিবি।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

আখতারুজ্জামান জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকে রাজাকারদের আন্দোলন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তার বক্তব্যের ধরন বরাবরই উগ্র। তখনকার ভিডিওগুলো দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে রাজাকারদের আন্দোলন বলা সেই আওয়ামী বয়ানকারী আখতারুজ্জামান জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর মনে হচ্ছে পবিত্র হয়ে গেছেন, যদিও জামায়াতের নীতি এমন যে যত খারাপ লোকই হোক, তাদের দলে যোগ দিলে সব কিছু জায়েজ। আখতারুজ্জামান জামায়াতের আমীরের হাত ধরে দলে যোগ দিয়ে জামায়াতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামে সামনের সারিতে বসে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিতেন।

আখতারুজ্জামানকে আটকের পর জামায়াত বিভিন্ন স্থানে তার মুক্তির দাবিতে প্রোগ্রাম করেছে। তবে একটি ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, নিরপেক্ষ জামাতিরা প্রশ্ন তুলছে, মিডিয়া কিভাবে আখতারুজ্জামানকে জামায়াতের নেতা বলে অভিহিত করছে।

সবশেষে তিনি বলেন, আখতারুজ্জামানের জুলাই আন্দোলনের সময়ের বক্তব্য এবং বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল করলে বোঝা যাবে, আখতারুজ্জামান হচ্ছেন জামায়াতের আওয়ামিলীগ বিষয়ক সম্পাদক।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০ জন

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে।

আজ ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকা লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয় এবং সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- মো. রাকিব (১৯), মো. সিফাত (২৬), মো. শাওন (২০), মো. রায়হান (২০), রূপা আক্তার (৩০), জীবন (২৮), মো. রিয়াজ (৩০), সম্রাট (৩০), মো. হাসান (২৬), মো. নাজমুল হোসেন (৩২), পারভেজ (২৫), মো. সবুজ (২৩), মো. ইমন (২০), মো. শাওন (২২), মো. রমজান (২৮), মো. জায়েদ (১৯), মো. সাজ্জাদ (১৯), মো. রাজিব হোসেন (১৮), কামরুল (৩২) এবং আলী আহাম্মদ শেখ। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের সহায়তায় সরকার : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের সহায়তায় সরকার : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকার জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের সঠিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে, এমনটি জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মন্ত্রী বলেন, "উপযুক্ত চিকিৎসা সুবিধা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে এসব শিশুর মুখে হাসি ফোটানো আমাদের সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব।"

আজ রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘স্মাইল ট্রেন আমেরিকা’র সহযোগিতায় আয়োজিত ‘নিউ লাইফ হসপিটাল ক্লেফট প্রজেক্ট’ ও ‘চাইল্ড হেলথ্ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ‘বিশ্ব হাসি দিবস-২০২৬’ উদযাপনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটির উপলক্ষে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সুস্থ হওয়া শিশুদের নিয়ে এক মিলনমেলা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেন, "হাসি একটি সার্বজনীন ভাষা। বিশেষ করে একটি শিশুর মুখের হাসি তার পরিবার ও পুরো সমাজকে আনন্দিত করে। একটি সুস্থ ও হাসিখুশি শিশিই আগামী দিনের সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলবে। তাই শিশুদের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।"

তিনি উল্লেখ করেন, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও দ্রুত করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। টেলিমেডিসিন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও এখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, "প্রযুক্তির এই সুফল প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে।"

চিকিৎসকদের অবদানের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, "আজ এখানে ঠোঁট ও তালু কাটা শিশুদের চিকিৎসার মাধ্যমে মুখে হাসি ফিরিয়ে দেওয়ার যে মানবিক উদ্যোগ দেখলাম, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ড. বিজয় দাসসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যে সেবা দিচ্ছেন, তা শুধু চিকিৎসাসেবা নয়- এটি শিশু ও তাদের পরিবারগুলোতে নতুন আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়ার একটি মহৎ উদ্যোগ।"

এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কাজে দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, "শিশুদের জন্য আমরা যে সময়, শ্রম, মেধা ও অর্থ বিনিয়োগ করব, সেটিই হবে দেশের ভবিষ্যতের প্রকৃত বিনিয়োগ। আসুন, সবাই মিলে প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করি।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং স্মাইল ট্রেন (বাংলাদেশ ও নেপাল)-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এ বি এম মোবাশ্বের হোসেন। বক্তারা জন্মগত ত্রুটিমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

চাইল্ড হেলথ্ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী প্রধান অধ্যাপক ডা. বিজয় কৃষ্ণ দাসের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. শামীম আরা খান চৌধুরী, বিশ্ব হাসি দিবস-২০২৬ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ডা. আসলামুল ইসলাম রুদ্র এবং নিউ লাইফ হাসপাতাল (প্রা.) লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে সফল অস্ত্রোপচারে সুস্থ হয়ে ওঠা শিশু ও তাদের অভিভাবকদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী পরিদর্শনকালে বিমানবন্দরের লাগেজ বেল্ট এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সেখানে লাগেজের জন্য অপেক্ষারত যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি যাত্রীদের কাছে জানতে চান, বিমান থেকে নামার পর লাগেজ গ্রহণে কত সময় লাগছে এবং লাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা কেমন।

যাত্রীরা মন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ডেলিভারি ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজ পাওয়ার বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দেন। এছাড়া তিনি দ্রুত ট্রলির সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে পাকাপোক্ত ডিপি ওয়ার্ল্ডের আগমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


চট্টগ্রাম বন্দরে পাকাপোক্ত ডিপি ওয়ার্ল্ডের আগমন

চট্টগ্রাম বন্দরে দুবাইভিত্তিক বিদেশি কোম্পানি ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর প্রবেশের চেষ্টা এবং তদবিরের কার্যক্রম এখন দৃঢ়ভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রলোভন ও বন্দর আধুনিকায়নের নাম করে নিউমুরিংয়ের অবস্থা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এর আগে বন্দরের অর্থায়নে নির্মিত পতেঙ্গা, লালদিয়া চর, পনগাঁও টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়ার ফলে বন্দর ক্রমেই গুরুত্বহীন হয়ে পুরনো যুগে ফিরে যাচ্ছে। বন্দরের অর্থায়নে তৈরি প্রধান টার্মিনাল এনসিটি নিরবচ্ছিন্ন মুনাফার রেকর্ডধারী। আধুনিক যন্ত্রপাতিতে এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ। নতুন অবকাঠামো কিংবা বিনিয়োগের জায়গা অবশিষ্ট নেই। বন্দরের চ্যানেলে জোয়ার-ভাটার সূচি মেনে সীমিত সময়ে, সুনির্দিষ্ট আকার-আয়তনের জাহাজ, নির্দিষ্ট সংখ্যক কন্টেইনার বহন করেই জেটি-বার্থে ভিড়তে হয়। এ অবস্থায় কথিত বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নামে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিয়ে আসা হচ্ছে কমপক্ষে ১৫ বছরের ইজারা চুক্তিতে। এর খসড়া চূড়ান্ত হলেও শর্ত গোপন রাখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, এনসিটি কিংবা চট্টগ্রাম বন্দরের যে কোনো সচল স্থাপনা বিদেশিদের দীর্ঘমেয়াদি ইজারার পক্ষে এবং বিপক্ষে দুই ধরনের যুক্তি ও বিভাজন রয়েছে। পতিত পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে নেয়া হয় বিতর্কিত এই সিদ্ধান্ত। এর পেছনে কায়েমী স্বার্থবাদীদের হাত রয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের উচিত হবে সেই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক পরিহার করা। তাছাড়া এ চুক্তি করা হলে চট্টগ্রাম বন্দর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ হারাবে। ঝুঁকিতে পড়বে অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব।

চুক্তির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনের কর্মসূচির আওতায় আগামী ৫ অক্টোবর শ্রমিক-কর্মচারী, রাজনৈতিক, পেশাজীবি জোট-সংগঠনগুলো বন্দরের মেইন গেইটের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছে। এতে একাত্মতা ঘোষণা করেছে বিভিন্ন সংগঠন। তাছাড়া খসড়া চুক্তি এবং পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে আজ শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবে বন্দর রক্ষা কমিটি।

‘সুঁই হয়ে ঢুকে: ফাল হয়ে বের হয়’:

প্রচলিত বাংলা প্রবাদ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রাণী প্রথম এলিজাবেথের সনদ (১৬০০ খ্রিস্টাব্দ) নিয়ে হুগলি নদীর তীরে একটি বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে (১৬৫১ খ্রিস্টাব্দ)। ব্রিটিশরা ‘ব্যবসা’র নামে এসে সুযোগ বুঝে এদেশে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও শতবছরের রাজত্ব গেঁড়ে বসেছিল তা বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অথচ ব্রিটিশ আগমনের পূর্ব পর্যন্ত বৃহত্তর বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল সমৃদ্ধ অঞ্চল। গরীব ছিল না কেউ। বাংলার বিখ্যাত মসলিন, রেশম, সুতির সূক্ষè বয়নের বস্ত্র, খাদ্যশস্য, ফলমূল, সুগন্ধি, সৌখিন দ্রব্যসহ হরেক নামিদামি পণ্যসামগ্রী বিদেশিদের বিস্ময় জাগায়। চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশী অপারেটরের ঢোকার বিষয়টিও অনুরূপ নির্মম পরিণতি ডেকে আনে কি না বিশেষজ্ঞদের ভাবিত করেছে।

দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি, আমদানি-রফতানির গেইটওয়ে বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে হাজার বছরে গড়ে ওঠা প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম। সেই বন্দরের হৃৎপি- খ্যাত সর্ববৃহৎ স্থাপনা হচ্ছে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি)। যা বন্দরের প্রতিবছর মুনাফার টাকায় নির্মিত হয়েছে। এনসিটিতে ব্যবহৃত কী গ্যানট্রি ক্রেনসহ অত্যাধুনিক ভারী যন্ত্রপাতিও কেনা হয়েছে বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নে। এ টার্মিনালে এককভাবে বন্দরের প্রায় ৪৪ শতাংশই কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এবং ৬০ শতাংশ আয় আসছে। কন্টেইনার ওঠানামা এবং জাহাজ গমনাগমনের সক্ষমতা, দক্ষতা, গতিশীলর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে এনসিটি। গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫ লাখ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে; যা এ যাবতকালের রেকর্ড পারফরমেন্স। গত ২০২৪ সালের ৭ জুলাই থেকে এনসিটি দক্ষতা, স্বচ্ছতার সাথে পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড। নৌবাহিনীর সুচারু পরিচালনা প্রশংসিত হচ্ছে বন্দর ব্যবহারকারীদের (স্টেক হোল্ডার) কাছে।

কিন্তু আরেক বাংলা প্রবাদে বলা হয়- ‘সুখে থাকলে ভূতে কিলায়’! ধারাবাহিক লাভজনক, সার্বক্ষণিক সচল বন্দরের প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটরের হাতে ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেয়ার অদ্ভুত এক ভূত পেয়ে বসেছে। এ নিয়ে অতিউৎসাহী নৌ-পরিবহনমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন ‘করিৎকর্মা’ শীর্ষ কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জমানের পক্ষ থেকে চলছে তড়িঘড়ি এবং তোড়জোড় তৎপরতা। তাও আবার চট্টগ্রাম বন্দর ভবনকেন্দ্রিক নয়; রাজধানী ঢাকায়। ইজারার যাবতীয় তৎপরতা চলছে গোপনে।

ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের আগেই ২০২৪ সালে বন্দরের এনসিটি বিদেশি কোম্পানির হাতে ছেড়ে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। মূলত শেখ পরিবার এবং আওয়ামী অলিগার্ক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে চট্টগ্রাম বন্দরকে কব্জায় পাইয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই ‘বিদেশি কোম্পানির’ ডামি সাজানো হয়। তখনই ইজারা বিতর্কে আলোচনায় সামনে আসে দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ড (দুবাই পোর্ট ওয়ার্ল্ড)। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরসহ শ্রমিক-কর্মচারী ও রাজনৈতিক মহলে ক্ষোভ-অসন্তোষ তৈরি হয়। এ কারণে হাসিনা সরকার তা বাস্তবায়নে বিরত থাকে। পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার একই পথে অগ্রসর হয়ে এনসিটি ইজারা চুক্তির তোড়জোড় তৎপরতা চালায়। এমনকি যেনতেনপ্রকারে চুক্তি চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা হয়। কিন্তু শ্রমিক-কর্মচারী-জনতার প্রতিবাদী আন্দোলন, বিক্ষোভ, বন্দর ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির মুখে গত ৮ ফেব্রুয়ারি এনসিটি ইজারা চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয় ড. ইউনূস সরকার।

পোর্ট-শিপিং সার্কেলে জানা গেছে, ডিপি ওয়ার্ল্ড সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনা ও লজিস্টিকস কোম্পানি। বিভিন্ন দেশে কোম্পানিটির বন্দর পরিচালনা বা ইজারা চুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের সবচেয়ে স্পষ্ট ও নথিভুক্ত দেশের উদাহরণ হচ্ছে জিবুতি। জিবুতির ডোরালেহ কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য ২০০৬ সালে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে জিবুতি সরকারের ৩০ বছরের চুক্তি হয়েছিল। এরপর ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জিবুতি সরকার একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করে এবং টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতে নেয়। জিবুতি সরকারের অভিযোগ ছিল, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তির শর্তাবলী রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং কৌশলগত অবকাঠামোর ওপর জাতীয় নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সোনার ডিম পাড়া হাঁস?

চট্টগ্রাম বন্দরের সর্ববৃহৎ এবং লাভজনক নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) সচল এই বন্দরের সবচেয়ে সচল স্থাপনা। যার ধারাবাহিক মুনাফা অর্জন এবং কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবছর। এনসিটি আর বাড়ানোর বা সম্প্রসারণের জায়গা নেই। এর পাশ ঘেঁষেই দেশের অন্যতম প্রধান নৌ-ঘাঁটির স্থাপনা। এছাড়া রয়েছে প্রধান জ্বালানি স্থাপনা। মুনাফার রেকর্ডধারী চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাণ এনসিটিকে বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারাদানের বিতর্কিত বিষয়টি সেই ঈশপের গল্পে বর্ণিত প্রতিদিন একটি করে সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে জবাই করে একসঙ্গে সবগুলো ডিম একত্রে পেয়ে কৃষকের রাতারাতি ধনী হওয়ার অতিলোভের ঘটনাটি স্মরণ করিয়ে দেন অনেকেই। যে গল্পে মৃত হাঁসটির পেটে কোনো সোনার ডিম খুঁজে না পেয়ে মোহভঙ্গ হয়। কৃষক বুক চাপড়ে বিলাপ করে।

বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) একটি বিদেশি অপারেটরের কাছে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। বহুল আলোচিত টার্মিনালটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য খসড়া কনসেশন চুক্তি অনুমোদন করেছে। গত পরশু ১ অক্টোবর অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি একটি কনসেশন বা ইজারা চুক্তির খসড়া পেশ করে। বৈঠকে তা অনুমোদন পেয়েছে। এতে চুক্তির আওতায় এনসিটি ছাড়াও বন্দরের ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ডও (ওসিওয়াই) অন্তর্ভুক্ত থাকবে। জানা গেছে, অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটিতে নিউমুরিং টার্মিনাল এবং ওভারফ্লো ইয়ার্ড ইজারা চুক্তির বিষয়টি মূল এজেন্ডায় ছিলনা। তবে ‘বিবিধ’ এজেন্ডায় এটি উপস্থাপন এবং অনুমোদন লাভ করে। কোন কোন শর্তে এবং কবে নাগাদ এই ইজারা বা কনসেশন চুক্তি সম্পাদন করা হতে পারে তাও গতকাল পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির উক্ত বৈঠকের বরাতে সরকারিভাবে ‘একটি বিদেশি অপারেটরের’ কথা বলা হলেও বিদেশি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) এবং ওভারফ্লো কন্টেইনার ইয়ার্ড পরিচালনায় অপারেটর হিসেবে ডিপি ওয়ার্ল্ডের নিয়োগ প্রক্রিয়া এবার পাকাপোক্ত হয়েছে। তাছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বা উন্মুক্ত দরপত্র নয়; বরং একতরফাভাবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছে বিদেশি কোম্পানিটি।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশি এ কোম্পানি এনসিটির অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস দেয় ইতঃপূর্বে। অথচ স্বয়ংসম্পূর্ণ এ টার্মিনালের আকার-আয়তন, ধারণক্ষমতা বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই -বলছেন বিশেষজ্ঞরা। রয়েছে পর্যাপ্ত আধুনিক যন্ত্রপাতি। নতুন অবকাঠামো বিনিয়োগের আর সুযোগই নেই। কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ ও লাভের টোপে হাতছাড়া হতে চলেছে সচল নিউমুরিং। ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তরে মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধাসহ ১৫ বছরের ইজারা চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে বিদেশি অপারেটরের ইচ্ছাপূরণে।

ড. মইনুল ইসলামের অভিমত :

এ প্রসঙ্গে একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম গতকাল দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, বন্দরের এনসিটি বিদেশিদের কাছে দীর্ঘমেয়াদি কনসেশন ইজারা চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুই ধরনের মতামত এবং স্পষ্ট বিভাজন রয়েছে। এটি বিতর্কিত বিষয়। বর্তমান বন্দর ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অদক্ষতা রয়েছে। তবে বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দিলেই বন্দরের দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনা দূরীভূত হবে কিনা কেউ এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয়। এনসিটি চুক্তির বিষয়টি নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আমলের একই নীতিতে অগ্রসর হচ্ছে বর্তমান সরকার। এর পেছনে কায়েমী স্বার্থবাদী মহলের হাত আছে। তাছাড়া চুক্তির প্রক্রিয়া ও শর্তাবলী অস্পষ্ট এবং অস্বচ্ছ।

বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো স্থাপনা দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার চক্রান্তের বিরুদ্ধে বন্দর রক্ষা কমিটি ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে। অথচ দুঃখের বিষয়, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের কথা চিন্তা না করে এনসিটি-সিসিটি ইজারাদানে এরমধ্যেই সরকার খসড়া কনসেশন চুক্তিতে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এ চুক্তি হলে চট্টগ্রাম বন্দর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ হারাবে। ঝুঁকিতে পড়বে অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব। আমরা আশা করি অবিলম্বে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং চুক্তির পদক্ষেপ বাতিল করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়কারী বিএনপি সমর্থিক শ্রমিক দলের নেতা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম খোকন বলেন, দেশ ও জাতির কাছে পুরো প্রক্রিয়া গোপন রেখে এনসিটি কিংবা বন্দরের যে কোনো স্থাপনা বিদেশিদের কাছে ইজারা চুক্তির পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। ডিপি ওয়ার্ল্ডকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। দেশের মূল্যবান রাজস্ব ও বৈদেশিক মুদ্রা পাচার এবং বন্দর কর্মীদের চাকরিচ্যুতির শঙ্কা রয়েছে। সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বন্দরের ভূমিকা বিলোপ হয়ে বন্দর-ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। খেসারত দিতে হবে ভোক্তা বা দেশবাসীকে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা না দেয়ার দাবিতে বন্দর রক্ষা কমিটির ঘোষিত ৫ অক্টোবর বন্দর গেইটের সামনে অবস্থান কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) চট্টগ্রাম। গতকাল শুক্রবার বিকেলে স্কপ চট্টগ্রাম কার্যালয়ে এক জরুরি সভা যুগ্ম সমন্বয়ক রবিউল হক শিমুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বন্দরের এনসিটি, সিসিটিসহ স্থাপনা ইজারার উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাবেক বন্দর সিবিএ সেক্রেটারি কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন, বিএফটিইউসির যুগ্ম সম্পাদক রিজওয়ানুর রহমান খান, শ ম জামাল উদ্দিন, আব্দুল বাতেন, সোহাগ হোসেন, নুরুল আবসার তৌহিদ, হেলাল উদ্দিন কবির, আবু আহমেদ মিয়া, ফজলুল কবির মিন্টু প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%