মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৩ পি.এম
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ফিজির একটি আঞ্চলিক সংস্থার নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালিয়েছে চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা। মার্কিন দূতাবাস মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করে। একই সঙ্গে সতর্ক করে জানানো হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সরকার ও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
ফিজি বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে একটি গুরুত্বপূর্ণ টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। গুগল দেশটির রাজধানী সুভাকে কেন্দ্র করে সমুদ্রতলের কেব্ল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি গুয়াম, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মিত্র অস্ট্রেলিয়া, ফরাসি পলিনেশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।
সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানায়।
ফিজির পুলিশ ও যোগাযোগ মন্ত্রী আইওয়ানে নাইভালুরা জানান, তিনি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। মার্কিন দূতাবাসের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই ও আগস্টে সুভায় অবস্থিত একটি আঞ্চলিক সংস্থার নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালানো হয়েছিল।
ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা কয়েক দিন ধরে ওই সংস্থার নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার বজায় রেখেছিল।’ তবে সংস্থাটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন কর্মকর্তারা পূর্বে ফিজিকে সমুদ্রতলের কেব্ল নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে চীন থেকে সম্ভাব্য তথ্যগত ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানান।
নাইভালুরা বলেন, পুলিশ এই হামলার অভিযোগ তদন্ত করছে। তিনি সরকার, বিভিন্ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের এবং নিজেদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা এ ঘটনা সম্পর্কে অবগত নয়। তবে তারা ‘দৃঢ়ভাবে হ্যাকিং কার্যক্রমের বিরোধিতা করে এবং আইন অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।’
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়কে চীনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিরোধিতা করি।’
‘ব্যাপক দুর্নীতি’-
গত সপ্তাহে ফিজিতে বসবাসকারী চীনের একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার এক কর্মী বেইজিংয়ের পক্ষে ঘুষ দিয়েছেন বলে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে। শুক্রবার ফিজি সরকার এ অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুভায় বসবাসকারী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক দুর্নীতির’ অভিযোগ তোলে।
মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে চীন-সমর্থিত হ্যাকারদের বিরুদ্ধে গত আগস্টে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে।
দূতাবাস জানায়, এফবিআইয়ের ওই পদক্ষেপ ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ।’
এফবিআইয়ের একটি হলফনামা অনুযায়ী, কিউটিএফওয়াই নামের একটি হ্যাকার গোষ্ঠীতে চীনের সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যরা ছিলেন। তাঁরা চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতেন। গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, জ্বালানি বিভাগ এবং বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
ফেসবুকে প্রকাশিত বিবৃতিতে মার্কিন দূতাবাস আরও জানায়, চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন দেশের সরকার, সংস্থা ও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ককে লক্ষ্যবস্তু করছে।
তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের আঞ্চলিক রাজনৈতিক জোট প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম জানায়, সাইবার হামলার শিকার সংস্থাটি তারা নয়।
জোটটির একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, “প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরামের সচিবালয় এ ঘটনায় আক্রান্ত হয়নি। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ডিজিটাল নিরাপত্তার সঙ্গে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই সাইবার নিরাপত্তা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘দেশে আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দেশে নিরাপত্তা দিতে পারছেন না, আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বিদেশে নিরাপত্তা দিতে পারছেন না।’—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদারীপুর শহরের শকুনি লেকপাড়ের মুক্তমঞ্চে জেলা এনসিপি আয়োজিত নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোকে নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারও যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশের জনগণ কোথায় যাবে? ইতিমধ্যে সরকারের ব্যর্থতা দৃশ্যমান হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন খলিলুর রহমান। পরে তিনি বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন এবং জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন অনেক হলেও বিদেশে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খলিলুর রহমান বিভিন্ন চুক্তি করেছেন এবং যে ড. ইউনূসের মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ হয়েছিলেন, সেই যুক্তরাষ্ট্রেই ড. ইউনূসকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনাকে খলিলুর রহমানের ব্যর্থতা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এর দায় তাঁকে নিতে হবে এবং নেওয়া উচিত।
মাদারীপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা।
শাওন বল
মাদারীপুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ঘর থেকেই শুরু করি দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় র্যালি ও দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। পরে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প মোকাবিলায় বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সভাপতিত্বে মহড়ায় অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে ব্যবহারিক প্রদর্শনী পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মাস্টার আতিকুর রহমান।
এ সময় বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার থেকে সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের কৌশল এবং ভূমিকম্পের সময় ও পরবর্তী সময়ে নিরাপদে আত্মরক্ষা, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ঝুঁকি মোকাবিলার বিভিন্ন পদ্ধতি তুলে ধরা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতির বিকল্প নেই। দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রত্যেককে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে এবং দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতার সঙ্গে করণীয় অনুসরণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানে রহমতপুর মাছ ঘাট ও উপকূলীয় এলাকা থেকে আনুমানিক ২০০ কেজি ইলিশ এবং ৬০ কেজি পোয়া মাছসহ মোট ২৬০ কেজি মাছ আটক করা হয়েছে। পরে আটক করা মাছগুলো সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেনের উপস্থিতিতে নিকটবর্তী বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা অংশ নেন।
সরকার ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (২৩ আশ্বিন থেকে ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
এরই ধারাবাহিকতায় সন্দ্বীপের রহমতপুর মাছ ঘাট ও উপকূলীয় এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আনুমানিক ২০০ কেজি ইলিশ মাছ ও ৬০ কেজি পোয়া মাছ আটক করা হয়। অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের উপস্থিতিতে আটক করা মাছগুলো স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে ইলিশ আহরণ ও বাজারজাতকরণ বন্ধ রাখা গেলে ইলিশের স্বাভাবিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানা। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের মূল্যায়নে ডিএমপির অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিভাগ নির্বাচিত হয়েছে মিরপুর বিভাগ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, বিপিএম-সেবা পুরস্কার প্রদান করেন।
এ সময় মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা বিধানে থানা পুলিশের কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, এই সম্মান মিরপুর মডেল থানার সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি বিশেষভাবে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার, মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং থানার সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ স্বীকৃতি মিরপুর মডেল থানার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করবে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ