সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৮ পি.এম
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানে রহমতপুর মাছ ঘাট ও উপকূলীয় এলাকা থেকে আনুমানিক ২০০ কেজি ইলিশ এবং ৬০ কেজি পোয়া মাছসহ মোট ২৬০ কেজি মাছ আটক করা হয়েছে। পরে আটক করা মাছগুলো সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেনের উপস্থিতিতে নিকটবর্তী বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলা মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা অংশ নেন।
সরকার ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (২৩ আশ্বিন থেকে ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
এরই ধারাবাহিকতায় সন্দ্বীপের রহমতপুর মাছ ঘাট ও উপকূলীয় এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আনুমানিক ২০০ কেজি ইলিশ মাছ ও ৬০ কেজি পোয়া মাছ আটক করা হয়। অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের উপস্থিতিতে আটক করা মাছগুলো স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে ইলিশ আহরণ ও বাজারজাতকরণ বন্ধ রাখা গেলে ইলিশের স্বাভাবিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর মডেল থানা। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের মূল্যায়নে ডিএমপির অপরাধ বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিভাগ নির্বাচিত হয়েছে মিরপুর বিভাগ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, বিপিএম-সেবা পুরস্কার প্রদান করেন।
এ সময় মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা বিধানে থানা পুলিশের কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, এই সম্মান মিরপুর মডেল থানার সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি বিশেষভাবে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার, মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং থানার সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ স্বীকৃতি মিরপুর মডেল থানার সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহিত করবে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি হয়রানির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকার মনে করছে, এ ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন একটি দলের সদস্যরা জড়িত। এই ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে কাপুরুষোচিত হিসেবে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যোগাযোগ করার কথা জানিয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে বিদেশে এভাবে হয়রানি করা অগ্রহণযোগ্য।
বাংলাদেশ সরকারের আশা, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা ভবিষ্যতে দেশের সম্মানিত ব্যক্তিদের প্রতি এ ধরনের অসদাচরণ থেকে বিরত থাকবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মিশনকে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে শিক্ষকদের অভাব, শ্রেণীকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ যোগ দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্যারিসের উপকণ্ঠে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন তিনি, যখন দেশজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে।
২৩ বছর বয়সি গ্রেটা প্যারিসের উপকণ্ঠ সাঁ-দেনির লাইসি পল এলুয়ার স্কুলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। জলবায়ু সংকটের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে তিনি স্কুলে যাওয়া বন্ধ রেখে আন্দোলন শুরু করেন, যা তাকে কিশোর বয়সে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে।
গ্রেটা মন্তব্য করেন, ‘তরুণদের আলোচনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এখানে আমরা যেমন দেখেছি, স্কুলগুলো প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ পাচ্ছে না।’
এদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিকবার বলপ্রয়োগের অভিযোগ ওঠার পর শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আইনজীবীরা কালো গাউন পরে মানববন্ধন তৈরি করেন।
তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে আন্দোলন
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবাহিত হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানী প্যারিসের পার্শ্ববর্তী ক্রেতেই একাডেমিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
শ্রেণীকক্ষে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা, ৩২ থেকে ৩৫ জনের বড় ক্লাস, দীর্ঘ সময়ের ক্লাস সূচি, জরাজীর্ণ শিক্ষা ভবন এবং উচ্চশিক্ষায় আবেদনের ওয়েবসাইট ‘পারকুরসুপ’ নিয়ে তৈরি চাপের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।
এছাড়া চলতি বছরে ইউরোপের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে অনেক শ্রেণীকক্ষে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।
আন্দোলন শুরু হওয়ার পর প্রথম দিকে এটি শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিক্ষোভের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, তবে গত ১ অক্টোবর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আন্দোলনের কিছু অংশে অগ্নিসংযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ওপর হামলা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শ্রমিক ইউনিয়ন, কয়েকজন শিক্ষক এবং বামপন্থি বিরোধী রাজনীতিকেরা আন্দোলনে সমর্থন জানাচ্ছেন। জরুরি ভিত্তিতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি এবং দেশের ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি ও ঋণ কমানোর চাপের মধ্যে সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশজুড়ে বিক্ষোভ মিছিলে ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। বৃহস্পতিবারের (৮ অক্টোবর) বিক্ষোভে অংশ নেন আরও ৭৫ হাজার মানুষ। আজ মঙ্গলবার প্যারিসসহ দেশের বেশ কয়েকটি বড় শহরে আবারও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইউনিয়ন ইউই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছে, ‘তারা আমাদের কথা শুনছে না, তাই আমরা তাদের কাছে যাচ্ছি।’
ইউনিয়নটির হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্রায় ৯০ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম কোনো না কোনোভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্যারিস, মার্সেইসহ বিভিন্ন শহরে আবারও স্কুলের প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং এর সম্ভাব্যতা যথাযথভাবে যাচাই করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত, যাতে সর্বাধিক মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ জুনকো তাকাহাশির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাইকার চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী। তিনি জাইকাকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার জন্য। তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী মেট্রোরেল প্রকল্পের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, "মেট্রোরেল টঙ্গী বা জয়দেবপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা গেলে আরও বেশি মানুষ এ সেবার সুফল ভোগ করতে পারত।" হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে জাইকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কমিউনিটি সেবা, পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, আঞ্চলিক উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও হাওর অঞ্চলের উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে প্রকল্প চলমান রয়েছে। জাইকার চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশ্বাস দেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সঙ্গে বাস্তবায়নাধীন ‘আর্বান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্নেন্স প্রজেক্ট (ইউডিসিজিপি)’ এবং সাউদার্ন চট্টগ্রাম রিজিয়নাল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসসিআরডিপি)’র অগ্রগতি বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এ সময় মন্ত্রী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে দেশের সকল উপজেলায় গৃহীতব্য ‘উপজেলা গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ফেজ-টু (ইউজিডিপি-টু)’-এর কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, "দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।" এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। স্থানীয় পর্যায়ে জাইকার গৃহীত ও সমাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার এবং উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করতে দাতা সংস্থার প্রতিনিধি ও মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধনে কাজ করবে।
বৈঠকে জাইকার সিনিয়র রিপ্রেজেনটেটিভ মরিকাওয়া ইয়োকো, লোকাল গভর্নেন্স উপদেষ্টা আকিরা মুনাকাতা, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ