মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন ধুম ইউনিয়নের দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্প এলাকায় পারিবারিক বিরোধের কারণে রুবি আফরোজ (৪৫) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে মারধর, শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের সঙ্গে চিকিৎসা সনদের অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের মধ্যে রুবি আফরোজের পুত্রবধূ, বেয়াই-বেয়াইন এবং আত্মীয়স্বজন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে রুবি আফরোজের পুত্রবধূ বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফিরে আসতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্পের মামুন সওদাগরের মুদি দোকানের সামনে তিনি তার দুই বছর বয়সী নাতি জুবায়েরকে দেখতে পান। শিশুটিকে কোলে নিতে চাইলে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে ইট-পাটকেল ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ১. রুমা আক্তার (২২) স্বামী শামসুদ্দিন, ২. নেজাম উদ্দিন (৫৫) পিতা অজ্ঞাত, ৩. নেহার বেগম (৫০) স্বামী নেজাম উদ্দিন, ৪. জাহাঙ্গীর (১৯), ৫. রিমা আক্তার (৩০), ৬. মোহাম্মদ আরাফাত (১৮), ৭. জসীম উদ্দীন (৩০) পিতা- মোঃ কাশেম।
এ ঘটনায় রুবি আফরোজ অভিযোগ করেন যে, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে এবং ডান হাতের কবজিতে রক্তাক্ত কাটা জখম হয়েছে। একই সময় তার পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং পরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রুবি আফরোজকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এই ঘটনায় রুবি আফরোজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরারগঞ্জ থানার ওসির কাছে আবেদন করেছেন।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানায় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছের রায়হান। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে মাদক নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওসি নাছের রায়হান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোনো মাদক কারবারি কিংবা মাদকসেবী গ্রেপ্তার হলে তার পক্ষে কেউ সুপারিশ করলে সুপারিশকারীর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “যে ব্যক্তি কোনো মাদক কারবারিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় বা সেল্টার দেয়, সে-ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তাই তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।”
মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ওসি নাছের রায়হান বলেন, “থানার সব পুলিশ সদস্যকে বিভিন্ন সময় মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।”
মাদকের বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থান তুলে ধরে ওসি বলেন, “কাঁঠালিয়া থানায় হয় মাদক থাকবে না, নয়তো আমি থাকব।”
ওসি নাছের রায়হান জানান, তিনি গত ২৯ মে ২০২৬ কাঁঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক নির্মূলকে তিনি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের কঠোর অবস্থানকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হলে কাঁঠালিয়া উপজেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয়দের আরও দাবি, মাদক কারবারি ও সরবরাহকারীদের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় আশ্রয়-প্রশ্রয়দানকারী এবং সংশ্লিষ্ট সহযোগীদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে।
কাঁঠালিয়াকে মাদকমুক্ত করতে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ সোমবার বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এক বাণীতে এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, ৪৮ বছর আগে এই দিনে দেশের এক চরম ক্রান্তিকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বীর রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, “জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, “দেশ ও জাতির চরম সংকটকালে দুঃশাসনের বাতাবরণের মধ্যে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও দুর্বার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী, ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া।” তিনি তাঁর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী দলের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের প্রতিও জানাই গভীর শ্রদ্ধা।” এই শুভদিনে তিনি দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপির মূল আদর্শ। বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন শহীদ জিয়াউর রহমান প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি দলের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশী পরিচয়’কে প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের মর্যাদার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মহান দিনে আমি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্রের পথচলা অব্যাহত রাখা ও জনগণের অধিকার স্বেচ্ছাচারী কোন শক্তি আর যেন কখনোই কেউ হরণ করতে না পারে সেজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে, তাতে জনগণের প্রত্যাশা পুরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।” তিনি তাঁর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, “জনগণের মতামত ও ভোটাধিকারকে বিএনপি সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা বিএনপির অঙ্গীকার।” একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতেও বিএনপি সরকার একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।” ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, বৈষম্য ও সামাজিক অনাচার দূর করে একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জনাব তারেক রহমানের সার্বিক পরিকল্পনা আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ এবং জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, “বিএনপি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সবসময় তাদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য কাজ করেছে।” বিএনপি রাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং নারী ও শিশুসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি কখনোই পিছপা হবে না।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভদিনে আমি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই।” শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক সিন্ধু নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে একটি বড় রায় দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত। রায়ে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই চুক্তি এককভাবে স্থগিত বা বাতিল করার কোনো ক্ষমতা ভারতের নেই। চুক্তির আগের সব নিয়মকানুন সম্পূর্ণ বহাল রয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশের পরপরই পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে আদালতের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
আদালতের প্যানেল সর্বসম্মতিক্রমে নির্দেশ দিয়েছেন যে, চুক্তিটি পুরোপুরি সচল রয়েছে। এর ফলে পশ্চিমের নদীগুলোতে নতুন যেকোনো বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি বা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভারত চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য থাকবে। পাশাপাশি, রায়ে ভারত সরকারের ওপর একটি বিশেষ নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের জুলাই মাসে বিশেষজ্ঞের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত ভারতে বাস্তবায়নাধীন ‘আরএইচইপি’ বাঁধের দেয়াল এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান কাঠামোর একটি নির্দিষ্ট উচ্চতার ওপরে আর কোনো কনক্রিটের ঢালাই বা নির্মাণকাজ চালানো যাবে না।
বিশেষজ্ঞের সিদ্ধান্তের পরেও এই নিষেধাজ্ঞা আরও ৯০ দিন বহাল থাকবে। সেই সঙ্গে প্রকল্পের কাজ কত দূর এগোল, সে বিষয়ে আদালতকে নিয়মিত প্রতিবেদনও জমা দিতে হবে। আন্তর্জাতিক আদালতের এই আদেশ ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞাকে নিজেদের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে ইসলামাবাদ।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, রায়ের পুরো বিবরণ প্রকাশ হওয়ার পর তা গভীরভাবে পরীক্ষা করা হবে। পাকিস্তান আশা করছে, এই রায়ের মাধ্যমে দুই দেশের আইনি বাধ্যবাধকতা আবার জোরদার হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে পরাজিত করে দাপুটে জয় অর্জন করেছে। যদিও ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি, তবে বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে তারা ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে। নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে দলটি এই জয় নিশ্চিত করেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং শুরু করে। তারা ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে। এর জবাবে, এশিয়া কাপে প্রথমবার অংশগ্রহণকারী ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে ৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।
বাংলাদেশের বোলাররা জয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন। ইনিংসের শুরুতেই মারুফা আক্তার ইন্দোনেশিয়ার দুই ওপেনার মারিয়া কোরাজোন ও রাহমাওয়াতিকে আউট করেন।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের স্পিনারদের বিরুদ্ধে তারা দাঁড়াতে পারেনি। সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার তিনটি উইকেট নেন। সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন একটি করে উইকেট লাভ করেন।
বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে ইন্দোনেশিয়ার ব্যাটাররা অসহায় আত্মসমর্পণ করে ১৭.৩ ওভারে ৫৮ রানে থেমে যায়। একমাত্র মারিয়া কোরাজোনই দুই অঙ্কের রান করতে সক্ষম হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ