প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন ধুম ইউনিয়নের দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্প এলাকায় পারিবারিক বিরোধের কারণে রুবি আফরোজ (৪৫) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে মারধর, শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের সঙ্গে চিকিৎসা সনদের অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের মধ্যে রুবি আফরোজের পুত্রবধূ, বেয়াই-বেয়াইন এবং আত্মীয়স্বজন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রায় ছয় মাস আগে রুবি আফরোজের পুত্রবধূ বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফিরে আসতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্পের মামুন সওদাগরের মুদি দোকানের সামনে তিনি তার দুই বছর বয়সী নাতি জুবায়েরকে দেখতে পান। শিশুটিকে কোলে নিতে চাইলে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে ইট-পাটকেল ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ১. রুমা আক্তার (২২) স্বামী শামসুদ্দিন, ২. নেজাম উদ্দিন (৫৫) পিতা অজ্ঞাত, ৩. নেহার বেগম (৫০) স্বামী নেজাম উদ্দিন, ৪. জাহাঙ্গীর (১৯), ৫. রিমা আক্তার (৩০), ৬. মোহাম্মদ আরাফাত (১৮), ৭. জসীম উদ্দীন (৩০) পিতা- মোঃ কাশেম।
এ ঘটনায় রুবি আফরোজ অভিযোগ করেন যে, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে এবং ডান হাতের কবজিতে রক্তাক্ত কাটা জখম হয়েছে। একই সময় তার পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং পরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রুবি আফরোজকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এই ঘটনায় রুবি আফরোজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরারগঞ্জ থানার ওসির কাছে আবেদন করেছেন।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন