০৫:৫৬ পি.এম
কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইরানের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, নতুন এই উত্তেজনার মধ্যে আগ্রাসনের জবাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচল নিয়ে উত্তেজনার কারণে কেশম দ্বীপ ও সিরিক অঞ্চলে তাদের যোগাযোগ অবকাঠামোতে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম
আইআরজিসি জানায়, এর জবাবে তাদের অ্যারোস্পেস ইউনিট কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরের বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরো বলে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার সময় কিছু ট্যাংকার অনুমতি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে। সতর্ক করার পর একটি ট্যাংকারে আঘাত হানা হয় এবং বাকি জাহাজগুলো ফিরে যায়।
এর কিছু সময় পরই, ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের দুটি টেলিযোগাযোগ স্থাপনায় মার্কিন বাহিনী ড্রোন হামলা চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে আইআরজিসি সতর্ক করে জানায়, এ ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তার জবাব আরো কঠোর হবে।
আরও পড়ুন: ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫৩ সেনা নিহত
একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও তারা উল্লেখ করে, বলে যে, এর পরিণতির দায় মার্কিন-ইসরায়েলি জোটকেই বহন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন