০৩:৫৬ পি.এম
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বন্যার নতুন ঢেউ আঘাত হানার আশঙ্কায় স্থানীয় জনগণ চরম আতঙ্ক ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সেখানে মানুষের মধ্যে এমন একটি মনোভাব তৈরি হয়েছে যে ‘বেঁচে থাকার কোনো আশা নেই’—এমনটি জানিয়েছেন এক নার্স।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে
এছাড়া, হাসপাতালে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে প্রায় ৫৬ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর এক ব্যক্তি তার মায়ের সন্ধান পেয়েছেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক নন-রেসিডেন্ট নেপালি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাজেন্দ্র পুদাসাইনি জানিয়েছেন, তার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের অবস্থা সম্পর্কে তিনি এখনো নিশ্চিত নন। বিবিসিকে তিনি জানান, তার স্ত্রীর খালা ও খালার স্বামী, তাদের নাতনি ও নাতনির স্বামী এবং তার ধর্মসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার সকালে
অনুষ্ঠানে পুদাসাইনি জানান, ভয়াবহ বন্যার ৫৬ ঘণ্টা পর তিনি তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
বন্যার সময় তার মা হাসপাতালে যাওয়ার পথে ছিলেন।
তিনি বলেন, বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের সময় একটি সেতু ভেসে যায়। এর ফলে তার মা এবং আরো কয়েকজন আত্মীয় হাসপাতালে আটকা পড়ে। পরে নেপাল সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক
ইংল্যান্ডের এসেক্সে বসবাসকারী এই নার্স জানান, ভয়াবহ দুর্যোগের তথ্য জানার জন্য তিনি প্রতিবেশী ও বন্ধুদের ওপর নির্ভর করছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান সংক্রান্ত পোস্ট করছেন।
পুদাসাইনি বলেন, ‘মানুষ খাবার, পোশাক, ওষুধ ও সহায়তার জন্য কাঁদছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন