সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪২ এম
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসানের (২৪) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন ব্যক্তি জিসানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম - কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে জিসানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
জানা যায়, জিসান চকরিয়া পৌর শহরের আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্সে একটি কাপড়ের দোকান পরিচালনা করতেন। অন্যান্য সময়ের মতো রাত ১১টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাড়ির কাছেই রাস্তার ওপর থেকে জিসানকে অপহরণ করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, জিসানকে অপহরণের পর চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার ‘কবির টাওয়ার’-এ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে নির্মমভাবে তাঁর মরদেহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায় ঘাতকরা।
এদিকে ঘটনার প্রেক্ষাপটে জিসানের বড় ভাই কায়সারের সঙ্গে কবির টাওয়ারের মালিক জকরিয়া-র ছোট ভাই মিজানের একটি অডিও কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অপহরণের মাত্র দুই ঘণ্টা আগের ওই অডিওতে মিজানকে বলতে শোনা যায়, "আমরা অপারগ হয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এজাহার লিখেছি। কালকে দিনের মধ্যে আপনার ভাইকে (জিসানকে) নিয়ে যদি সমাধানে না বসেন, তাহলে আমি আমার মতো সমাধানের রাস্তা খুঁজে নেব। আপনার ভাইকে খুঁজতে ৫০ জন লোক রেডি আছে।"
এ খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারের পার্কিংয়ে সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের এক্স-নোহা (X-Noah) গাড়ি শনাক্ত করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে ভবন মালিকের পরিবার নানা অজুহাতে ফুটেজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং এর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীর শাখা খাল থেকে পুলিশ একটি অজ্ঞাত নারীর (প্রায় ৩৫ বছর) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত মধুমতী নদীর শাখা খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় এক রাখাল খালে ভাসমান অবস্থায় নারীর মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি মধুমতী নদী থেকে ভেসে ওই শাখা খালে এসে থাকতে পারে। তবে মরদেহ পচে যাওয়ার কারণে নিহত নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থানরত ডাচ কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ইসরাইল। নেদারল্যান্ডস যখন ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে শুরু করে, তখনই ইসরাইল এই পদক্ষেপ নেয়। রোববার ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ডাচ কূটনীতিকদের সাত দিনের মধ্যে ইসরাইল সরকারের প্রদত্ত কূটনৈতিক নথিপত্র ফেরত দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ইসরাইল সরকার তাদের যে কূটনৈতিক সুবিধা ও দায়মুক্তি প্রদান করেছে, তা আর কার্যকর থাকবে না।
সার জানান, নেদারল্যান্ডস সরকার গোলান মালভূমি, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করায় ইসরাইল এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় ইসরাইল এসব এলাকা দখল করে এবং এরপর থেকে সেগুলো দখল করে রেখেছে। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে এসব এলাকায় স্থাপিত ইসরাইলি বসতিগুলো অবৈধ বলে বিবেচিত।
চলতি মাসে ডাচ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয়, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এই নিষেধাজ্ঞা বাণিজ্যিক চালানের পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যক্তিগত লাগেজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ডাচ ও ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইল থেকে নেদারল্যান্ডসে যাওয়া যাত্রীদের লাগেজে নিষিদ্ধ পণ্য রয়েছে কি না তা যাচাই করতে আমস্টারডামের শিফল বিমানবন্দরে তল্লাশি করা হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের এই নিষেধাজ্ঞা চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ ১২টি পশ্চিমা দেশের সমন্বিত পদক্ষেপের পর এসেছে। ওই দেশগুলো ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
পূর্ব জেরুজালেম বাদ দিলে পশ্চিম তীরে প্রায় ৫ লাখ ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী বসবাস করে। একই এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ছোটদের সময়’ প্রকাশনীর ৮টি মানসম্মত নতুন বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা শিশুদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীল মনন গঠন ও বৈষম্যহীন সমাজভাবনায় নতুন সাহিত্য যোগ করার লক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য আয়োজনের অংশ।
এই অনুষ্ঠানটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজন করা হয়, যেখানে বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশগ্রহণ করেন।
উৎসবে শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষভাবে রচিত আটটি ভিন্নধর্মী বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইগুলো হলো— কবি ও শিশুসাহিত্যিক আবদুল হাই শিকদারের মুক্তিযুদ্ধের কিশ‘টম একাত্তর’, বিখ্যাত ছড়াকার আবু সালেহের শিশুতোষ ছড়ার ব‘মুখে মুখে ছড়া, খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ফারুক হোসেনের ‘ভালো হওয়ার গল্প’, শিক্ষাবিদ ও শিশুসাহিত্যিক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের ‘সবুজ পাহাড়ে কালো ভূত’, শিশুসাহিত্যিক রেজাউল করিম খোকনের রূপকথার গল্প ‘হনমুন দ্বীপে ভয়ংকর অভিযানে’, জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আমিরুল মোমেনীন মানিকের শহীদ উসমান হাদীকে নিয়ে লিখিত কিশোর উপন্যাস ‘হাদী ফিরলেন রাষ্ট্র প্রধান হয়ে’, চিকিৎসক ও কবি ফাতেমা কাওসারের কবিতার বই ‘লাল জুলাইয়ের বাংলাদেশ’ এবং শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ারের ছড়ার ‘ছড়াগুলো মননের জন্য’।
প্রকাশনা উৎসবে সভাপতিত্ব করেন শিশুসাহিত্যিক আশরাফুন্নেছা দুলু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার মাহমুদ উল্লাহ। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক শওকত হোসেন, কবি ও শিশুসাহিত্যিক মনসুর আজিজ। আয়োজক প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ও লেখক মামুন সারওয়ার স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা পর্বে লেখক ফারুক হোসেন তার রচিত বই সম্পর্কে বলেন, "জুলাই বিপ্লবের পর একটি বৈষম্যমুক্ত, দুর্নীতিহীন ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় তরুণ সমাজ দেখিয়েছে, তাদের সেই একাগ্রতার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেই ‘ভালো হওয়ার গল্প’ বইটি রচিত হয়েছে।"
অন্যান্য লেখকদের মধ্যে ভিয়েতনামের রূপকথা অবলম্বনে রচিত রহস্যকাহিনির পেছনের গল্প তুলে ধরেন রেজাউল করিম খোকন। এ ছাড়া লেখক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার বইয়ের গল্প শোনান এবং ছড়াকার আবু সালেহ শৈশব ও বর্তমান প্রজন্মের মনন গঠনে ছড়ার গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই গ্রন্থগুলো শিশু-কিশোরদের নতুন চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সুস্থ সাহিত্য চর্চাকে তরান্বিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) একটি অভিযানে অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ও তথ্য ব্যবহার করে আমদানির অভিযোগে একটি সন্দেহজনক পণ্যের চালান জব্দ করা হয়েছে।
চালানটির কায়িক পরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ তামাক/তামাকসদৃশ সামগ্রী, মাদকসদৃশ সন্দেহজনক পাউডারজাত পদার্থ এবং ঘোষণার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে।
সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা ডিএফএসইউ৬৭৫৩৮৪৯ নম্বর কনটেইনারের দুটি বিল অব লেডিং পরীক্ষা করে এসব পণ্য পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, চালানটির নথিতে আমদানিকারক হিসেবে অথয় এন্টারপ্রাইজের নাম উল্লেখ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান এ আমদানির বিষয়ে অবগত নন এবং চালানটির সঙ্গে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। তার আশঙ্কা, কোনো অসাধু চক্র প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে চালানটি এনেছে।
কাস্টমস নথি অনুযায়ী, মেনিফেস্ট নম্বর ৪৫২৪/২০২৬ এবং ভয়েজ নম্বর ০১১-এর আওতায় এমভি উদ্দীপন এক্সপ্রেস জাহাজে কলকাতা থেকে চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। জাহাজটি ২০ সেপ্টেম্বর যাত্রা করে এবং ২২ সেপ্টেম্বর বন্দরে পৌঁছায়।
এনবিআর জানায়, একই মাস্টার বিল অব লেডিং নম্বর ৩০১১৭৪৩৪৭-এর অধীনে দুটি হাউস বিল অব লেডিংয়ের মাধ্যমে পণ্যগুলো আমদানি দেখানো হয়।
প্রথম হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭ সিজিপি০৯৫-এ পণ্যের ঘোষণা ছিল ‘পান মসলা ও জর্দা (চিবানোর তামাকজাত পণ্য)’।
এতে ৪৭৩ প্যাকেজের মোট ওজন ৮ হাজার ৯৭৪ কেজি উল্লেখ ছিল।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর কায়িক পরীক্ষায় ৪৭০ প্যাকেজে মোট ৮ হাজার ২৫০ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক/তামাকসদৃশ সামগ্রী পাওয়া যায়।
এর মধ্যে গাঢ় বাদামি রঙের ৪২১ প্যাকেজে ৭ হাজার ৩২৫ দশমিক ৪ কেজি, বাদামি রঙের ৩১ প্যাকেজে ৫২৭ কেজি, ধূসর রঙের ১৩ প্যাকেজে ২৭৩ কেজি এবং সাদা রঙের ৫ প্যাকেজে ১২৫ কেজি সামগ্রী ছিল।
কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থ বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তবে এসব পদার্থে কোনো মাদক বা নিষিদ্ধ উপাদান রয়েছে কি না, তা রাসায়নিক ও পরীক্ষাগার পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭ সিজিপি০৯৬-এ পণ্যের ঘোষণা ছিল ‘মুদ্রিত কাগজের ক্যাটালগ’। নথিতে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজের ওজন ৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৬০ কেজি দেখানো হলেও কায়িক পরীক্ষায় একই সংখ্যক প্যাকেজে ৯ হাজার ২৬৩ কেজি বা প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, দুটি বিল অব লেডিং মিলিয়ে কায়িক পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন পণ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক/তামাকসদৃশ ও সন্দেহজনক পাউডারজাত সামগ্রী এবং ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন স্ক্র্যাপ পেপার রয়েছে।
ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
পরীক্ষাগার পরীক্ষার ফলাফল ও তদন্তের ভিত্তিতে পণ্যের প্রকৃত পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ