সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৪ এম
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) একটি অভিযানে অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ও তথ্য ব্যবহার করে আমদানির অভিযোগে একটি সন্দেহজনক পণ্যের চালান জব্দ করা হয়েছে।
চালানটির কায়িক পরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ তামাক/তামাকসদৃশ সামগ্রী, মাদকসদৃশ সন্দেহজনক পাউডারজাত পদার্থ এবং ঘোষণার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে।
সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা ডিএফএসইউ৬৭৫৩৮৪৯ নম্বর কনটেইনারের দুটি বিল অব লেডিং পরীক্ষা করে এসব পণ্য পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, চালানটির নথিতে আমদানিকারক হিসেবে অথয় এন্টারপ্রাইজের নাম উল্লেখ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান এ আমদানির বিষয়ে অবগত নন এবং চালানটির সঙ্গে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। তার আশঙ্কা, কোনো অসাধু চক্র প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে চালানটি এনেছে।
কাস্টমস নথি অনুযায়ী, মেনিফেস্ট নম্বর ৪৫২৪/২০২৬ এবং ভয়েজ নম্বর ০১১-এর আওতায় এমভি উদ্দীপন এক্সপ্রেস জাহাজে কলকাতা থেকে চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। জাহাজটি ২০ সেপ্টেম্বর যাত্রা করে এবং ২২ সেপ্টেম্বর বন্দরে পৌঁছায়।
এনবিআর জানায়, একই মাস্টার বিল অব লেডিং নম্বর ৩০১১৭৪৩৪৭-এর অধীনে দুটি হাউস বিল অব লেডিংয়ের মাধ্যমে পণ্যগুলো আমদানি দেখানো হয়।
প্রথম হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭ সিজিপি০৯৫-এ পণ্যের ঘোষণা ছিল ‘পান মসলা ও জর্দা (চিবানোর তামাকজাত পণ্য)’।
এতে ৪৭৩ প্যাকেজের মোট ওজন ৮ হাজার ৯৭৪ কেজি উল্লেখ ছিল।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর কায়িক পরীক্ষায় ৪৭০ প্যাকেজে মোট ৮ হাজার ২৫০ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক/তামাকসদৃশ সামগ্রী পাওয়া যায়।
এর মধ্যে গাঢ় বাদামি রঙের ৪২১ প্যাকেজে ৭ হাজার ৩২৫ দশমিক ৪ কেজি, বাদামি রঙের ৩১ প্যাকেজে ৫২৭ কেজি, ধূসর রঙের ১৩ প্যাকেজে ২৭৩ কেজি এবং সাদা রঙের ৫ প্যাকেজে ১২৫ কেজি সামগ্রী ছিল।
কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থ বাহ্যিকভাবে মাদকদ্রব্যের মতো সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তবে এসব পদার্থে কোনো মাদক বা নিষিদ্ধ উপাদান রয়েছে কি না, তা রাসায়নিক ও পরীক্ষাগার পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭ সিজিপি০৯৬-এ পণ্যের ঘোষণা ছিল ‘মুদ্রিত কাগজের ক্যাটালগ’। নথিতে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজের ওজন ৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৬০ কেজি দেখানো হলেও কায়িক পরীক্ষায় একই সংখ্যক প্যাকেজে ৯ হাজার ২৬৩ কেজি বা প্রায় ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন সন্দেহজনক স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া যায়।
এনবিআর জানায়, দুটি বিল অব লেডিং মিলিয়ে কায়িক পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫১ মেট্রিক টন পণ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন তামাক/তামাকসদৃশ ও সন্দেহজনক পাউডারজাত সামগ্রী এবং ৯ দশমিক ২৬ মেট্রিক টন স্ক্র্যাপ পেপার রয়েছে।
ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
পরীক্ষাগার পরীক্ষার ফলাফল ও তদন্তের ভিত্তিতে পণ্যের প্রকৃত পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রিতে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধে বাজার মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। নিরাপদ পাত্রে ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়ে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধে বাজার মনিটরিং বিষয়ক অ্যাডভোকেসি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এ.বি.এম. সামছুন্নবী তুলিপ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা। মুখ্য আলোচক ছিলেন সাবেক সচিব ও ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান খান এবং মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল, ডিবির ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহানুর ইসলাম, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রৌশন আরা, হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রোগ্ৰাম কনসান্টেন্ট মোশতাক হাসান মোঃ ইফতেখার, প্রোগ্ৰাম ম্যানেজার ডা. আলিভা হক, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আশফাকুর রহমান, ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নিরাপদ পাত্র ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা আলোচনা করেন, অনিরাপদ ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও বিক্রির ফলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে এবং এ বিষয়ে বাজারে নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বক্তারা উল্লেখ করেন, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নিরাপদ পাত্র নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হবে।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), মানিকগঞ্জ জেলা শাখা সভাটির আয়োজন করে। সভাটিতে সহযোগিতা করে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে শেরপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজের কারণে দগ্ধ শিক্ষকের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শেরপুরের শ্রীবরদীতে গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ থেকে বের হওয়া গ্যাসের আগুনে সৌরভ হোসেন হিদনাল (৪৫) নামের এক স্কুলশিক্ষক মারা যান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এর আগে শনিবার বিকেলে উপজেলার হালগড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি অগ্নিদগ্ধ হন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, শনিবার বিকেলে সিলিন্ডারের পাইপের লিকেজ মেরামত করার পর সৌরভ মাস্টার গ্যাসের চুলা জ্বালান। এ সময় টিনশেড ঘরটি আগে থেকেই গ্যাসে পূর্ণ ছিল, ফলে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে সৌরভ মাস্টার গুরুতরভাবে দগ্ধ হন।
প্রথমে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় তার স্ত্রীও অগ্নিদগ্ধ হন এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সৌরভের পরিবারের দাবি, আগুনে তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সৌরভ হালগড়া এলাকার একটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের পরিচালক ছিলেন এবং তিনি তিন সন্তানের জনক।
সোমবার সকালে মরহুমের নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে দাফন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য দ্বিতীয় ধাপের অনলাইন আবেদনের সুযোগ আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় শেষ হতে যাচ্ছে। গতকাল এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর রাত ৮টায়।
যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য পূর্বে আবেদন করেনি অথবা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া, যারা চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও কোনো কারণে নিশ্চয়ন করতে পারেননি অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে পারেননি, তাদের জন্যও এই সুযোগ রয়েছে।
ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরেও যারা কলেজে ভর্তি হতে পারেননি, তারাও দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবেন।
দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। কলেজে বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ১ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন নিশ্চয়নের সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে ওই শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর রাত ৮টায়। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের মডেল মসজিদগুলোতে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদিম ও নিরাপত্তা প্রহরীদের সম্মানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’-এ এসব পদের সম্মানি ও বেতন-ভাতার কাঠামো উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি এতে স্বাক্ষর করেছেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, মডেল মসজিদে কর্মরত পেশ ইমামকে মাসে ২০ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনকে ১৫ হাজার টাকা এবং খাদিমকে ১২ হাজার টাকা সম্মানি প্রদান করা যেতে পারে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর ক্ষেত্রে সম্মানি চুক্তিভিত্তিক নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব মডেল মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে, সেসব মসজিদ কমিটি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পদে নির্ধারিত গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ইমামের বেতন গ্রেড-১০, মুয়াজ্জিনের গ্রেড-১৬ এবং খাদিমের গ্রেড-১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর পদ চুক্তিভিত্তিক থাকবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, খতিবসহ মডেল মসজিদে কর্মরত জনবলকে মসজিদের আমানতদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন না। বিশ্বস্ততা, সততা, পরহেজগারি ও আন্তরিকতার সঙ্গে মসজিদের খেদমত করতে হবে। এ ছাড়া অনুমোদিত ছুটি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না।
এছাড়া ঈদুল-ফিতর ও ঈদুল-আজহা উদযাপনের জন্য এ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৭ বর্ণিত জনবলকে যেসব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে তার অব্যবহিত আগের মাসের সম্মানির সমপরিমাণ উৎসব ভাতা প্রদান করা যাবে।
নতুন নীতিমালায় মডেল মসজিদ ভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি রাখার বিধান করা হয়েছে। মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, হিফযখানা এবং শিশুদের মক্তব শিক্ষার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বের মধ্যে জুমার সালাত বা নামাজ, প্রাক-খুতবা ও খুতবা, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সালাত এবং জানাজার সালাতের আয়োজন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রমজান মাসে তারাবিহ নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগ ও তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ