ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যাদুর্গতদের জন্য আর্থিক অনুদান দিলেন অভিনেতা তৌসিফ


বন্যাদুর্গতদের জন্য আর্থিক অনুদান দিলেন অভিনেতা তৌসিফ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। এই সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে বন্যার্তদের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব।

জানা গেছে, তিনি চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের জন্য আর্থিক অনুদান দিয়েছেন। তার এক ভক্তের উদ্যোগে পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করে সেই অনুদান দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

তৌসিফ মাহবুবের ভক্ত মোহাম্মদ ইমন কালের কণ্ঠকে জানান, দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে তারা কয়েকজন মিলে ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজ থেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য অনুদান প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

ইমন বলেন, ‘আমরা কয়েকজন মিলে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বাঁশখালির দিকে যাব, সেখানে বন্যার্তদের মাঝে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করব। তৌসিফ মাহবুব ভাইয়া বিষয়টি জানার পর একটা ভালো অঙ্কের টাকা অনুদান দেন এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সামগ্রিক ব্যবস্থা করে দেন।’

তিনি আরো বলেন, প্রায় এক হাজার মানুষের জন্য শুকনা খাবার, চিড়া, মুড়ি, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইমন বলেন, তৌসিফ মাহবুব শুধু এবারই নয়, অতীতেও বিভিন্ন দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও অনেককে সহযোগিতা করেছেন। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে তার নিজের পড়াশোনার পুরো খরচও এই অভিনেতা বহন করেছিলেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে মানবিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘শুধু আমি একা নই, এমন দুর্যোগে যাদের সামর্থ্য আছে তাদের সবারই বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। সামর্থ্য অনুযায়ী আমি চেষ্টা করেছি পাশে থাকার। আমার এই ক্ষুদ্র অনুদান দেওয়া দেখে যদি বাকিরা অনুপ্রাণিত হয়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়ান, সেটাও অনেক কাজে দেবে।’

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জের প্রতিনিধি থেকে প্রকাশিত হয়েছে ১৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখে, দুপুর ১৫:৩৯ এ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার আসামি আলেককে (৫০) কালু হাজীর রোড থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি এলাকায় অবস্থিত কালু হাজীর রোডের আলেকের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

মামলার সূত্র হিসেবে জানা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রলোচনামূলক ওই মামলার এজাহারে আলেক ৩৫ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত। এদিকে, আলেক আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কনিষ্ঠপুত্র জ্যোতির সহযোগী হিসেবে পরিচিত ও তার শেল্টারে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলেও আলেকের অপকর্ম থামেনি।

আলেকের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এলাকাবাসীরা দাবি করেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তিনি এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি ও বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল, মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, নারী কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্টের পরে আলেকের অবৈধ অর্থের প্রভাবে কথিত বিএনপি নেতাদের শেল্টারে তার অপকর্ম চলছিল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওলিউল্লাহ জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কালু হাজীর রোড থেকে আসামি আলেককে তার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইন মামলার আসামিদের নিয়মিত গ্রেপ্তারি অভিযানের অংশ হিসেবে আলেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল সুলাওয়েসি প্রদেশে একটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

রোববার (১২ জুলাই) রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের তীব্রতায় হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার সময় আতঙ্কিত হয়ে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত এলাকায় বহু বাড়িঘর ও সরকারি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌত সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সুলাওয়েসির বুয়োল রিজেন্সি। সেন্ট্রাল সুলাওয়েসির পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী গোরোনতালো প্রদেশেও বেশ ভালো রকম কম্পন অনুভূত হয়। এই কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

বুয়োল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান মোহ খাকফি মারদজুন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে সরকারী বিভিন্ন ভবন, একটি হাসপাতাল, একটি রেস্তোরাঁ এবং বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পরপরই বুয়োলের প্রধান হাসপাতালটিতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, বহুতল হাসপাতাল ভবন থেকে রোগীদের দ্রুত নিরাপদ ও খোলা স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সময় এক রোগীর মৃত্যু ঘটে।

প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্গম এলাকা সহ পুরো অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে আতঙ্কের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে আসা ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বা অগ্নিবলয়ে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির তৎপরতা দেখা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে ৬৪ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


বিশ্বকাপে ৬৪ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর টুর্নামেন্টটি ৬৪ দলে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এবং মূল্যায়ন করা হবে। ইনফান্তিনোর মতে, বিশ্বের প্রতিটি দেশের অংশগ্রহণের স্বপ্ন দেখার সুযোগ থাকা উচিত।

সুইজারল্যান্ডের সম্প্রচারমাধ্যম ব্লু স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় আমাদের শুধু ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার কথা ভাবলে চলবে না। এটি সম্পূর্ণ বিশ্বের জন্য। প্রতিটি দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার সুযোগ থাকা উচিত।’

তিনি আরো মন্তব্য করেন, ‘এই বিষয়গুলো আমরা (২০২৬) বিশ্বকাপের পর খতিয়ে দেখব। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের দলের মান অনেক বেড়েছে এবং তারা উন্নতি করছে। ছোট দেশগুলোকে যদি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে তাদের উন্নতির অনুপ্রেরণাও কমে যাবে।’

ইনফান্তিনো মনে করেন, এবারের বিশ্বকাপ, যা প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত হয়েছে, দারুণ সফল হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, এবার আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টি নকআউট পর্বে উঠেছে। অথচ আগের বিশ্বকাপে আফ্রিকা থেকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মাত্র ৫টি দল।

ফিফা ২০১৭ সালে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালের এপ্রিলে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা (কনমেবল) ২০৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপ ৬৪ দল নিয়ে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের মূল আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। প্রতিযোগিতার শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়ে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল উরুগুয়ে।

যদিও সবাই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষে নন। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার (উয়েফা) সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন এই প্রস্তাবকে ‘বাজে ধারণা’ বলে মন্তব্য করেছেন। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা মনে করেন, আরো দল বাড়ানো হলে প্রতিযোগিতায় ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবল সংস্থার (কনকাকাফ) সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি বিশ্বাস করেন, ৬৪ দলের বিশ্বকাপ ফুটবলের সামগ্রিক কাঠামোর জন্য ‘ক্ষতিকর’ হতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ২০৩৮ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে বিড করতে পারে এবং টুর্নামেন্ট ৬৪ দলের হলেও তা সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব।’

এখন ফিফার অবস্থান হলো, সদস্যদের যেকোনো প্রস্তাব তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। তবে এখনই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফিফা কাউন্সিলের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ ইংল্যান্ডের, কতটা পাড়ি দেবে ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ ইংল্যান্ডের, কতটা পাড়ি দেবে ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা?

এই বছরের বিশ্বকাপে তিন দেশের সম্মিলিত আয়োজনের কারণে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে আগের যেকোনো আসরের তুলনায় অনেক বেশি ভ্রমণ করতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ম্যাচগুলো। শিরোপার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গিয়ে কিছু দলকে হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।

সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পথে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেছে ইংল্যান্ড। থমাস টুখেল পরিচালিত দলটি কানসাস সিটির বেসক্যাম্প থেকে বিভিন্ন ভেন্যুতে যেতে এবং ফিরে আসতে হয়েছে। সব মিলে বিমানের মাধ্যমে তাদের ভ্রমণের দূরত্ব ১৪ হাজার মাইলকে ছাড়িয়ে গেছে।

ইংল্যান্ডের এই ভ্রমণ ফাইনালে জায়গা দেওয়া অন্য দুই বড় দল ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনার তুলনায় অনেক বেশি। একই বেসক্যাম্প শহর কানসাস সিটিতে অবস্থিত আর্জেন্টিনা এখনও পর্যন্ত ৮ হাজার মাইলের কম পথ পাড়ি দিয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্সকে সেমিফাইনালে যাওয়ার আগে দায়ী হতে হয়েছে দুই হাজার মাইলেরও কম দূরত্ব।

ফ্রান্সের কম ভ্রমণের একটি প্রধান কারণ হচ্ছে, তারা টুর্নামেন্টের বেশিরভাগ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের নিকটস্থ অবস্থানে ছিল। বিপরীতে, ইংল্যান্ডকে কানসাস সিটি থেকে আটলান্টা, বোস্টন, মেক্সিকো সিটি এবং মায়ামির মতো বিভিন্ন শহরে যেতে হয়েছে।

জানা গেছে, ইংল্যান্ডের পাশাপাশি স্পেনও উল্লেখযোগ্য দূরত্ব পাড়ি দিয়েছে। সেমিফাইনালে পৌঁছানোর আগেই স্পেনের ভ্রমণ ১২ হাজার মাইল ছড়িয়ে গেছে। সুইজারল্যান্ডের ভ্রমণও ছিল ১০ হাজার মাইলের বেশি। মরক্কোও নিউ জার্সির বেসক্যাম্প থেকে বিভিন্ন শহরে যেতে গিয়ে ৮ হাজার মাইলের বেশি ভ্রমণ করেছে।

শেষ আটে উপস্থিত দলের মধ্যে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করেছে ফ্রান্স, যেখানে বেলজিয়াম প্রায় ৪ হাজার মাইল হাঁটতে হয়েছে।

এত বেশি ভ্রমণের প্রভাব খেলার পারফরম্যান্সে কতটা পড়ছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। কিন্তু টুর্নামেন্টের ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাকেন। তার মতে, দীর্ঘ ভ্রমণ, বিমানে যাতায়াত, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং বিভিন্ন সুবিধার পার্থক্য খেলোয়াড়দের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।

নরওয়ের দল অবশ্য নকআউট পর্বে যাওয়ার পর ম্যাচের মধ্যে বেসক্যাম্পে ফেরার পথ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড প্রতিটি ম্যাচ পরে আবার কানসাস সিটিতে ফিরে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%