পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমান
০৪:২৪ পি.এম
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১ নম্বর পাঙ্গাশিয়া এলাকায় ‘প্রিন্স রাব্বি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি খোলাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ উঠেছে শাকিল শরীফের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য ও অশালীন বার্তা পাঠানো এবং আইডিতে আপত্তিকর ছবি পোস্ট করা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় শাকিল শরীফকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রেখে দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে। তবে পরবর্তীতে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতি ও কর্মকাণ্ডের উপর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ তুলেছেন, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধকে অপ্রয়োজনীয় আখ্যা দিয়ে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ওবামা। তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো এমন একটি যুদ্ধ শুরু করা, যা কেউ চায়নি।
ওবামা ভোটারদের রিপাবলিকান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গত দুই বছরে বিশৃঙ্খলা, নিষ্ঠুরতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতা দেখা গেছে। এবার ভোটারদের সামনে এসবের বিরুদ্ধে যথেষ্ট হয়েছে বলার সুযোগ এসেছে।
পরে মিশিগানের ডেট্রয়েটে আরেকটি সমাবেশে অংশ নিয়ে ওবামা আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটকে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির লাগাম টানার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্প নিজের স্বার্থে ক্ষমতা ব্যবহার করছেন এবং সুবিধা বিক্রির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ের দাবি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেন ওবামা। তার মতে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হামলার হুমকি দিয়ে ইরান এখন বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহের ওপর আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে।
ওহাইওর গভর্নর পদপ্রার্থী অ্যামি অ্যাক্টনকে নিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীর প্রচার বিজ্ঞাপনেরও সমালোচনা করেন ওবামা। বিজ্ঞাপনটিতে অ্যাক্টনের মা তার মেয়ের শৈশবের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ভোটারদের তাকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান। ওবামা বলেন, রাজনৈতিক প্রচারে এমন কিছু সীমা থাকা উচিত, যা কেউ অতিক্রম করবে না। তিনি অ্যাক্টনের পাশে থাকার কথাও জানান।
মিশিগানের সমাবেশে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের পক্ষেও কথা বলেন ওবামা। তিনি এল-সাইয়েদের নাম ও মুসলিম পরিচয়কে ব্যবহার করে তাকে আক্রমণ করার অভিযোগ তোলেন। ওবামা বলেন, এল-সাইয়েদ তারই মতো মূল্যবোধ ধারণ করেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে নেমেছেন ওবামা। আগামী সপ্তাহে জর্জিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের আরেকটি সমাবেশে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মগবাজারে নিজের গাড়িতে গুলির ঘটনার জন্য মামলা দায়ের করেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে হাতিরঝিল থানায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে কোনো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনো এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর পৌনে ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে আসিফ আকবরের গাড়ির দিকে গুলি ছোড়া হয়। ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না; তিনি বিশাল সেন্টারে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয় বা স্টুডিওতে ছিলেন। গাড়িতে অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ফলে এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। তবে গাড়িটির পেছনের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় এসে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি গাড়ির দিকে গুলি ছোড়েন। পরে তিনি ওই অটোরিকশায় করে মালিবাগের দিকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে একটি গুলির কার্তুজ উদ্ধার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গুলির ঘটনার উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাতে টোকিওর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করছেন চার দিনের সরকারি সফরে। এই উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফরটি ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে তার সঙ্গে যোগ দিচ্ছে একটি শক্তিশালী ও উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও মিডিয়া টিম।
সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে, মেট্রোরেলসহ বাংলাদেশে চলমান মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য-অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চার দিনের সফরের সময়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে, তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন করবেন এবং ঐতিহ্যবাহী ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে’ মূল বক্তব্য দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগস্ট মাসের ভয়াবহ বন্যার ফলে দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থগিত হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ রপ্তানি গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পুনরায় শুরু করেছে নেপাল। ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের জাতীয় গ্রিড বা ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৬ আগস্ট ভোটেকোশী নদীর তীব্র বন্যায় ত্রিশূলি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই কেন্দ্র দুটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমতি ছিল। বন্যার কারণে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানিও আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছিল।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) অন্যান্য বিকল্প জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পরই এই রপ্তানি পুনরায় শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত ব্যবস্থার অধীনে, এখন থেকে ‘সোলু খোলা’ এবং ‘কাবেলি বি-১’ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পাঠাবে নেপাল। ‘লোয়ার মোদি খোলা’ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে ভারতের হরিয়ানায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। পূর্বে অনুমোদিত ত্রিশূলি, চিলিমে এবং দেবীঘাট কেন্দ্রগুলোর স্থলাভিষিক্ত হলো এই নতুন প্রকল্পগুলো।
দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা মন্তব্য করেছেন, "বন্যা ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও দ্রুত বাংলাদেশে সরবরাহ চালু করতে পারা এবং অন্যান্য প্রকল্পে বিদ্যুৎ বিক্রি বজায় রাখা নেপালের আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য এক বড় অর্জন। বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্য বাড়াতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
এছাড়া, মৌসুমভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (এনইএ) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে ৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে নেপাল।
ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানি এবং নেপালের রেকর্ড আয়
এদিকে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এনইএ ভারতে মোট ৫.৯২৫ বিলিয়ন রুপি (৫৯২.৫ কোটি রুপি) মূল্যের বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে। একাধিক কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও যা গত বছরের একই সময়ের এবং বিগত মাসের আয়ের চেয়েও বেশি।
এনইএ-এর লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এলডিসি)-এর তথ্যমতে, আলোচ্য এক মাসে নেপাল ভারতে ৬৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার (৬৩৩.৯৮৬ মিলিয়ন) ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করেছে। বানের তোড়ে ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদিত কয়েকটি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে পড়ায় রপ্তানি সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও চূড়ান্ত আয়ে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
গত বছরের এই নির্দিষ্ট সময়ে নেপালের আয় ছিল ৪.৯৬৩ বিলিয়ন রুপি, যা থেকে এবার অতিরিক্ত ৯৬২ মিলিয়ন রুপি বেশি অর্জিত হয়েছে। চলতি বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মেয়াদের আয় (৫.০৯২৫ বিলিয়ন রুপি) থেকেও এবার ৮৩২.৫ মিলিয়ন রুপি বেশি আয় করেছে দেশটি।
দুইটি প্রধান মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বিক্রি করা হয়েছে। এরমধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিদ্যুৎ বিক্রি চুক্তির আওতায় ভারতের হরিয়ানা ও বিহার রাজ্যে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জ (আইইএক্স)-এর ডে-অ্যাহেড ও রিয়েল-টাইম মার্কেটে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা হয়েছে।
স্বদেশি চাহিদা মেটানোর পর বর্ষাকালে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাইরে বিক্রি করে থাকে এনইএ। মধ্যমেয়াদী চুক্তির ভিত্তিতে প্রতি বছর জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত হরিয়ানা ও বিহারে এই বিদ্যুৎ পাঠানো হয়।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই নেপাল সর্বমোট ১৬.১৫১৩ বিলিয়ন (১,৬১৫.১৩ কোটি) রুপির বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে।
পরিচালক শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদে নেপালের রপ্তানি আয় বহুগুণ বেড়েছে। এই সময়ে ভারতে প্রেরিত মোট বিদ্যুতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই গেছে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে এবং বাকিটা বিক্রি হয়েছে ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ