জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৬:২৬ পি.এম
অফিস টাঙ্গাইল, রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাস করছেন মোজাহার আলী। তিনি গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটিইপিআই পদে নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন। এই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। জানা গেছে, মোজাহার আলী টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সহকারী (এমটিইপিআই) হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে মোজাহার আলী অনিয়মিত অফিস করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মিত অফিস করলেও প্রতি মাসে তিনি ঠিকই বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। এছাড়াও তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে একই ধরনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। মোজাহার আলীর আরেক সাবেক কর্মস্থল কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও অনিয়মিতভাবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে তিনি নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগের সম্মুখীন হন। রাজবাড়ী সিভিল সার্জন এই অভিযোগটি তদন্ত করেন। তদন্তের পর তাকে বদলী করা হয় টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। যদিও বদলির পরেও কালুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে হেয় করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ খাইরুল আলম বলেন, "মোজাহার আলী মোল্লা আমার অফিসে যোগদান করার পর থেকে নিয়মিত অফিস করছেন না। তিনি মাঝে মাঝে নিয়ম বহিভূত ভাবে ছুটি কাটান। এ কারণে তাকে দুইবার শোকজ করা হয়েছে। তার বেতন বন্ধ করার জন্য সিভিল সার্জনকে অবগত করা হবে।" কুষ্টিয়ার তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক বছর আগে এবং রাজবাড়ীর তদন্ত প্রতিবেদন ৬ মাস আগে শৃংখলা শাখায় গেলেও কোন দৃশ্যমান সমাধান পাওয়া যায়নি। প্রশাসনিক কারণে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বদলি হওয়া ছাড়া কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবার শোনা যাচ্ছে, মোজাহার আলী মোল্লা কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি হওয়ার জন্য মন্ত্রী পাড়ায় দৌঁড়ঝাপ করে চলেছেন। কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভিযোগকারীরা বলেছেন, "যদি তাকে এখানে পুনরায় বদলি করা হয় তাহলে কর্মস্থলের পরিবেশ অস্বাভাবিক হয়ে উঠবে। আমাদের অনেকের জীবনের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে।" গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটিইপিআই মোজাহার আলী মোল্লার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এমনটি হতে চলেছে, যেখানে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত তদবিরের সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি এলাকায় আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত সভায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী এ সময় বলেন, “১৭ বছরের আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতায় কেউ যদি এখনো মাদকের ব্যবসা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি ওসিকে বলে দিয়েছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। আমার বা আপনাদের তদবির করার কোনো সুযোগ থাকবে না। কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা হয়তো সাময়িকভাবে প্রভাবশালী, কিন্তু মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিন। না ছাড়লে কেউ যদি গর্তে পড়ে যায়, তখন তাকে উদ্ধার করার মতো কাউকে পাওয়া যাবে না।”
নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার নারীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিবারপ্রধান নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ সহায়তার অর্থ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর সাথে সাথে অনেক নারী সঞ্চয়ও করছেন।
তিনি আরও বলেন, “সরকারের এই সহযোগিতার উদ্দেশ্য হলো একজন মা যদি আর্থিকভাবে কিছুটা স্বাবলম্বী হন এবং সচেতনভাবে পরিবার পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে তার সন্তানদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একটি শিক্ষিত পরিবার থেকেই একটি শিক্ষিত জাতি গড়ে ওঠে। তাই এই সহায়তাকে আমরা ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে চাই।”
সভায় জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান এবং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুর থানা পুলিশের সহায়তায় নিখোঁজ অবস্থায় থাকা এক কিশোরী তিন দিন পর তার পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়ে বলেছেন, গত ৩০ জুন সন্ধ্যা বেলায় আব্দুলপুর রেলস্টেশন এলাকায় ১৪-১৫ বছর বয়সের একটি কিশোরীকে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয় মানুষ লালপুর থানায় খবর দেন।
পুলিশ পরে ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং সেখানে নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে নিরাপত্তায় রাখে।
প্রাথমিকভাবে কিশোরীর পরিচয় জানা যায়নি, তবে পরে অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার নাম রুমা খাতুন (১৪) হিসেবে শনাক্ত করা হয়। রুমা ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবাহা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশের মতে, তার ভুলবশত ট্রেনে উঠে আব্দুলপুর রেলস্টেশনে নেমে পড়ার ঘটনাটি ঘটেছে।
পরবর্তীতে লালপুর থানা পুলিশ তার পরিবারের সন্ধান পায় এবং তার ভাই মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন থানায় এসে উপস্থিত হন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপস্থিতিতে কিশোরীকে তার ভাইয়ের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজটি করেছি।
তিনি আরও জানান, কিশোরীকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পাপুয়া অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের গুলিতে নিহত এক মার্কিন পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাইল্যান্ড পাপুয়া প্রদেশের ইয়াহুকিমো এলাকায় অবতরণের পর মার্কিন পাইলট নিকোলাস এফ. গোসেলিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এই হামলার পর তার বিমানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
ওয়েস্ট পাপুয়া ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিপিএনপিবি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র সেবি সামবোম দাবি করেন, বিমানটি নিয়মিত ইন্দোনেশিয়ার সেনাসদস্যকে পরিবহন করছিল এবং তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করেছিল।
তিনি আরো বলেন, পাপুয়ার সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান না হওয়ায় এই হামলা ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি বার্তা প্রদান করেছে।
পাপুয়ার সামরিক মুখপাত্র উইরিয়া আরতাদিগুনা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের খুঁজে বের করার অভিযান চলছে। এমতাবস্থায় বিমানের সাতজন পাপুয়ান যাত্রী নিরাপদে ফিরেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পাপুয়ার পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার দাবিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্রোহীদের হামলা ঘন ঘন এবং প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
নিহত পাইলট যে বিমানে ছিলেন, সেটি পিটি এএমএ নামে একটি বিমান সংস্থার মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটি পাপুয়ার দুর্গম এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও ডাক পরিবহন সেবা দিয়ে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে আবাহওয়অ দফতর জানিয়েছে। এবারের পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে রাতের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়েই যেতে পারে। এই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য যে সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে, সেখানে এই তথ্যটি উল্লেখ করা হয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়েছে, রাত ১টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এসব নদীবন্দর এলাকায় ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানেই এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোর সঙ্গে সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিরও সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
এই সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ