প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অফিস টাঙ্গাইল, রাজবাড়ীর কালুখালীতে বাস করছেন মোজাহার আলী। তিনি গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটিইপিআই পদে নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন। এই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। জানা গেছে, মোজাহার আলী টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সহকারী (এমটিইপিআই) হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে মোজাহার আলী অনিয়মিত অফিস করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মিত অফিস করলেও প্রতি মাসে তিনি ঠিকই বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। এছাড়াও তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে একই ধরনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। মোজাহার আলীর আরেক সাবেক কর্মস্থল কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও অনিয়মিতভাবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে তিনি নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগের সম্মুখীন হন। রাজবাড়ী সিভিল সার্জন এই অভিযোগটি তদন্ত করেন। তদন্তের পর তাকে বদলী করা হয় টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। যদিও বদলির পরেও কালুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে হেয় করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ খাইরুল আলম বলেন, "মোজাহার আলী মোল্লা আমার অফিসে যোগদান করার পর থেকে নিয়মিত অফিস করছেন না। তিনি মাঝে মাঝে নিয়ম বহিভূত ভাবে ছুটি কাটান। এ কারণে তাকে দুইবার শোকজ করা হয়েছে। তার বেতন বন্ধ করার জন্য সিভিল সার্জনকে অবগত করা হবে।" কুষ্টিয়ার তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক বছর আগে এবং রাজবাড়ীর তদন্ত প্রতিবেদন ৬ মাস আগে শৃংখলা শাখায় গেলেও কোন দৃশ্যমান সমাধান পাওয়া যায়নি। প্রশাসনিক কারণে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বদলি হওয়া ছাড়া কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আবার শোনা যাচ্ছে, মোজাহার আলী মোল্লা কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি হওয়ার জন্য মন্ত্রী পাড়ায় দৌঁড়ঝাপ করে চলেছেন। কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অভিযোগকারীরা বলেছেন, "যদি তাকে এখানে পুনরায় বদলি করা হয় তাহলে কর্মস্থলের পরিবেশ অস্বাভাবিক হয়ে উঠবে। আমাদের অনেকের জীবনের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে।" গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমটিইপিআই মোজাহার আলী মোল্লার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন