মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নির্বাহী সহকারী নাটালি হার্পের একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি দাবি করা হচ্ছে যে, ট্রাম্প গলফ কোর্সে হার্পের সঙ্গে চুম্বনে লিপ্ত রয়েছেন। যদিও ভাইরাল এই ছবিটি নিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন বিতর্ক চলছে, তবে এর সত্যতা প্রমাণ করার জন্য কোনো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ছবিটিতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরিহিত একজন পুরুষ একটি নারীর কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। নারীর হাতে গলফ খেলার সামগ্রী রয়েছে এবং পেছনে গলফ কার্ট ও মাঠ দৃশ্যমান। ভাইরাল ছবির মধ্যে থাকা দুজনকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নাটালি হার্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ায় এবং বিভিন্ন স্থানে হার্পকে তার সঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণে ছবিটি দ্রুত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
তবে নেটিজেনদের মতে, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শনাক্তকারী টুল ব্যবহার করে ছবিটি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং এটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। ছবির পরিষ্কার সংস্করণে দেখা যায়, নারীর এক হাতে ছয়টি আঙুল রয়েছে।
এছাড়া ছবিটির মধ্যে আরও কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছে, যেমন—গলফ কার্টের পেছনে গলফ ক্লাব রাখার নিয়ম থাকলেও, সেগুলো সামনের সিটে রাখা হয়েছে। গলফ ক্লাবগুলোর আকৃতি অদ্ভুত এবং মেকি মনে হচ্ছে, পতাকায় কোনো ক্লাবের লোগো নেই এবং ট্রাম্পের ডান কানের পাশে পরিচিত ক্ষতচিহ্নটি এই ছবিতে অনুপস্থিত।
আগে ট্রাম্পের বিভিন্ন গলফ খেলায় এবং সফরে নাটালি হার্পকে তার সঙ্গে দেখা গেছে। তবে তাদের পূর্বের আসল ছবিগুলোর অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও, এটি বোঝা যাচ্ছে যে চুম্বনের এই ছবিটি সত্যি নয়।
সব মিলিয়ে, ছবিটি স্পষ্টভাবে ভুয়া, যা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের পরিচালিত পৃথক অভিযানে ৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর, বংশাল এবং হাজারীবাগ থানা পুলিশ এই অভিযানের দায়িত্ব পালন করেছে।
ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে আজ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার মোহাম্মদপুর থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— আবুল (৫০), নূরনবী (২৭), মাজেদ (৪২), মেহেদী হাসান সৌরভ (৩২), রবিউল (৩০), আব্দুল সামাদ (২৫), নূর রাব্বি (২২), সাব্বির (২২), হাসান (২৬), প্রদীপ (২৩), ইব্রাহিম (৩৯), ইমন বুলেট ইমন (২০), তাজির (৩০), সাব্বির হোসেন সাহিল (১৯), সজীব (২৬), ইয়াসিন (২৩), ইয়াসিন (২২), রুবেল (২৬), সজীব কুমার (১৯), সোহাগ বাবু (৩০) এবং আনোয়ার হোসেন (৪৪)।
এদিকে, সোমবার বংশাল থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মো. আমিনুল ইসলাম আমিন, মো. আনোয়ার হোসেন রোকন, মো. ফয়সাল, মো. ফাহিম, বিশাল চন্দ্র দাস, নবী হোসেন এবং মো. তাওহীদ। এছাড়া, সোমবার হাজারীবাগ থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সিন্ধু মিয়া, মো. আসিফ ওরফে আশিক, মো. মামুন, সেলিম রেজা, মোহাম্মদ শামীম, মো. হাফিজুর রহমান রাজু, মোহাম্মদ জসিম, সেলিম সিকদার, তানভীর ফয়সাল ফারহান, সাকিবুর রহমান রিশাদ, মোহাম্মদ দুলাল, মো. মোকলেস, মোহাম্মদ সানির হোসেন, জিহাদ হাওলাদার, মো. ইমরান হোসেন, মো. জাকির, মো. মুরাদ, মো. রনি এবং মো. ফয়সাল।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেলর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলার মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, যা প্রায় ১২ বছর পর ঘটেছে। মাঠে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের বিশ্ব রেকর্ড নিজের নামে করেছেন।
ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার শচীন টেন্ডুলকারের আগে এই রেকর্ডটি ছিল। টেন্ডুলকার ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত ওয়ানডে খেলেছিলেন, যার ফলে তার ক্যারিয়ারের দৈর্ঘ্য ছিল ২২ বছর ৯১ দিন।
২০০৪ সালের এপ্রিলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে টেলরের। মঙ্গলবার হারারেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সময়কাল ২২ বছর ১৪৭ দিনে পৌঁছেছে। এর ফলে ৪০ বছর বয়সী এই ব্যাটার টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচে খেললে তার রেকর্ডের ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পাবে।
তবে, ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ও রান সংগ্রহের রেকর্ড এখনও টেন্ডুলকারের দখলে রয়েছে। ৪৬৩টি ওয়ানডেতে তিনি ১৮ হাজার ৪২৬ রান সংগ্রহ করেছেন, যা বিশ্ব রেকর্ড।
অন্যদিকে, টেলর এখন পর্যন্ত ২০৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ৩৯টি ফিফটি, মোট রান ৬ হাজার ৭০৪।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষার্থীদের প্রকৃত আর্থিক প্রয়োজন ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইকুইটি-বেসড ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদানে প্রচলিত সমতার ধারণার পরিবর্তে এই বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
তিনি উল্লেখ করেন, "সরকারি সহায়তার প্রতিটি টাকা এমন শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য এই সহায়তা শিক্ষা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন।"
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, পিপিআরসি ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে ‘প্রমাণ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ: বিদ্যালয় পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা (School Level Improvement Plan-SLIP)-এর কার্যকারিতা বিষয়ক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে সহায়তা করলেই শিক্ষায় প্রকৃত সমতা নিশ্চিত হয় না। যার প্রয়োজন বেশি, তাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াই প্রকৃত ন্যায্যতা।"
তিনি জানান, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের একটি শিশুর জন্য সামান্য আর্থিক সহায়তাও বিদ্যালয়ে তার উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বৃত্তি-উপবৃত্তির নীতিতে পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা, শিশুর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি এবং শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
এছাড়া, তিনি বলেন, "সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো পরিবার যদি আর্থিক সক্ষমতা থাকা অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেই পরিবারের জন্য একই ধরনের সরকারি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে বিবেচনা করা যেতে পারে।"
অন্যদিকে, যে পরিবার সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বহনে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের শিশুকে সহায়তার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সরকারের সীমিত সম্পদকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন শিশুর কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব।"
ববি হাজ্জাজ বলেন, "সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ে শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করা নয়, কোনো শিশু যেন দারিদ্র্য, আর্থিক সংকট বা অন্য কোনো বাধার কারণে শিক্ষা থেকে ছিটকে না পড়ে তা নিশ্চিত করা।" তিনি জানান, এ জন্য বৃত্তি, উপবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, স্কুল ফিডিংসহ সব ধরনের সহায়তা কর্মসূচিকে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি জানান, সরকারি সহায়তার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী চিহ্নিত করার সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা হিসেবে সাঁতার শেখানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, "দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের জলাশয়, নদী ও পানিবেষ্টিত পরিবেশের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বসবাস করতে হয়। তাই সাঁতারকে শুধু একটি ক্রীড়া হিসেবে না দেখে জীবনদক্ষতা ও নিরাপত্তার অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "শিশুকে শুধু বইয়ের জ্ঞান দিলেই হবে না; তাকে নিজের জীবন রক্ষা করার প্রয়োজনীয় দক্ষতাও দিতে হবে।"
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন ইউনিসেফের শিক্ষা বিশেষজ্ঞ জয় মিলান মালের। গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শংকর ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ এবং মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের দাবিতে আটটি দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাখা ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ক্যাম্পাসের বটতলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সম্মেলনে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম, পাঁচ হলের শাখা সভাপতি এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, আবাসিক হল রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তারের জায়গা হতে পারে না এবং দলীয় লোকজনকে নিয়মবহির্ভূত আশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই। হলের সিট পাওয়ার অধিকার একজন শিক্ষার্থীর বৈধ অধিকার, যা মেধা, বৈধতা, জ্যেষ্ঠতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে নির্ধারণ হওয়া উচিত।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সংগঠনটির প্রধান দাবিসমূহ হলো: বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ করা; রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় সুপারিশ বা প্রশাসনিক প্রভাবে সিট বরাদ্দ বন্ধ করা; মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করে নিয়মিত সিট বরাদ্দ দেওয়া; ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এবং হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সিট বাণিজ্যের সুযোগ বন্ধে প্রতিটি হলের সিট বণ্টনের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
এছাড়া, হলগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করা এবং রাজনৈতিক অপচর্চা মুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নিতে হবে। হলের ডাইনিংগুলোতে সুষম খাদ্য এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
শাখা শিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, "আমরা সংঘাত চাই না, ন্যায়সংগত সমাধান চাই। আমরা সিট দখলদারিত্ব বা দলীয় প্রভাব চাই না, মেধা ও বৈধতার ভিত্তিতে আবাসিক ব্যবস্থা চাই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন চাই।" তিনি আরও বলেন, "প্রশাসন যদি এসব দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ না নেয়, তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের আয়োজন করবো।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ