বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৭ পি.এম
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করেছে।
এ তথ্য বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ছাগলনাইয়া সীমান্তে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ৩৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত গাঁজার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় থানায় জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, "সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সজাগ, সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সীমান্তে সর্বাত্মক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, প্রাথমিকের নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের শ্রবণ (লিসেনিং) ও কথন (স্পিকিং) দক্ষতার বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পড়া ও লেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শুনে বোঝা, সঠিকভাবে কথা বলা এবং নিজের ভাবনা প্রকাশের দক্ষতা গড়ে তোলার জন্য কারিকুলামে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও কার্যক্রম রাখা হবে।
আজ বুধবার ঢাকা পিটিআইয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টিএমটিই (ট্রেনিং অব মাস্টার ট্রেনার্স ইন ইংলিশ) সদস্য সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভাষা শিক্ষার চারটি মৌলিক দক্ষতা- শুনে বোঝা, বলে প্রকাশ করা, পড়ে বোঝা এবং লিখে প্রকাশ করা, সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ‘শুনে বোঝার’ দক্ষতা তৈরির ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ ভাষা শেখার ক্ষেত্রে শ্রবণ ও অনুশীলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, একজন বিজ্ঞানী, চিকিৎসক বা প্রকৌশলীর জন্য নিজ নিজ বিষয়ে দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও প্রকৌশলী তৈরি হয় শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। তাই শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক জ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগও তাদের দিতে হবে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষায় যে বিপুল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান সংরক্ষিত রয়েছে, সেই জ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বাড়ালেই শিক্ষিত সমাজ তৈরি হয় না। আমাদের এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে, সেই জ্ঞান প্রয়োগ করতে পারবে এবং বিশ্বজ্ঞান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য গ্রহণ করতে পারবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা হতে হবে সবার অধিকার এবং সবার দুয়ারে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা হতে হবে দক্ষতাভিত্তিক, ক্যারিয়ারমুখী ও নৈতিকতাসম্পন্ন। এই লক্ষ্য অর্জনে ভাষা শিক্ষাকে শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় শুধুমাত্র পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষাদান যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের শেখানোর ক্ষেত্রে ভিডিও, ওয়ার্কবুক, ডিজিটাল কনটেন্ট, খেলা ও অন্যান্য আধুনিক শিক্ষণ-উপকরণ কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা পরিবর্তন চাই। কিন্তু সেই পরিবর্তন হতে হবে সুনির্দিষ্ট, বাস্তবভিত্তিক এবং ফলাফলনির্ভর। আপনারা কী চান, সেটি স্পষ্টভাবে বলুন; প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আমরা আলোচনা করব এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেব।
টিএমটিই বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের উপপরিচালক মারিয়া রেহমান। অনুষ্ঠানে টিএমটিই বাংলাদেশের সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিন্দি ইউনিয়নে একটি অবৈধ সার কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে এবং কারখানাটি সিলগালা করেছে।
কেরানীগঞ্জের কালিন্দি ইউনিয়নের গদারবাগে অবস্থিত এই কারখানায় অবৈধভাবে ভেজাল টিএসপি ও ডিএপি সার উৎপাদনের দায়ে মালিক মো. জামালকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে সব মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করে।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যৌথ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঞা।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার বাসস’কে জানান, অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে কারখানা মালিক মো. জামালকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেন যে, তিনি কোনো প্রকার অনুমোদন বা সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে টিএসপি ও ডিএপিসহ বিভিন্ন সার তৈরি করে আসছিলেন। পরে এসব সার দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হতো, যা মূলত: কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যবহৃত হতো।
তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাজারে এসব অনুমোদিত সারের মূল্য বস্তা প্রতি ১ হাজার ৩৫০ টাকা হলেও তিনি মাত্র ৪৫০ টাকায় ভেজাল সার বিক্রি করে প্রান্তিক কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসিকিউশন দাখিল করলে ‘সার (ব্যবস্থাপনা) (সংশোধন) আইনে আসামিকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে সমুদয় মালামাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ, র্যাব-১০ এবং গোয়েন্দা বাহিনীর একটি দল অভিযানে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, কৃষি ও মৎস্য খাত রক্ষায় ভেজাল বিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ছাগলে শিমগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে কুলছুমা (৩০) নামে এক নারীর শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। গুরুতর আহত কুলছুমা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভুক্তভোগীর বাবা মো. জামসেদ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আব্দুল গনি কুলছুমাকে বিয়ে করেন। গনির আগের সংসারের ছেলে সাইফুলের একটি ছাগল কয়েকদিন আগে কুলছুমার রোপণ করা একটি শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে কুলছুমা প্রতিবাদ করলে সাইফুল ও তার বোনদের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে কুলছুমার শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে দেয় সাইফুল ও তার বোনেরা। এতে তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা বিষয়টি কৌশলে পুলিশ বা স্থানীয় কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখার চেষ্টা করেন। তারা গোপনে চিকিৎসা করানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ৫ হাজার টাকা দেয় এবং পরে আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘটনাটি চেপে যেতে বলে। তবে প্রতিশ্রুত টাকা না দেওয়া এবং কুলছুমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পার হলেও বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে গোপন রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে নাজমা ও আকলিমা নামে দুই অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থের অভাবে কারও শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বন্ধ হবে না, এ কথা বলেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "যে কোনও অসুস্থ মানুষকে সেবা দেওয়া সরকারের মৌলিক দায়িত্ব।"
বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব সিস্টিক ফাইব্রোসিস দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। এ সময় মন্ত্রী আরও জানান, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে সমাজের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছিল।" তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সেবার পরিধি বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিশু হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। শিশু হাসপাতালে বিরল এ রোগের আধুনিক ‘স্টেম সেল থেরাপি’ কার্যক্রম চালু করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর এবারই স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনে বিএনপি কোনো গতানুগতিক ইশতেহার দেয়নি। বরং দীর্ঘ গবেষণা ও সময়ের সমন্বয় করে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি দফা প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এফবিআই (এফবিআই) স্ট্যান্ডার্ডের ডিএনএ ল্যাব চালু করা হবে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যায়েই হত্যা, ধর্ষণ কিংবা অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণের মতো জটিল মামলার নির্ভুল আলামত পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্য খাতে বর্তমান সরকারের বাজেট বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি একই সঙ্গে গবেষণার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ৯৬টি দেশে আনুমানিক দুই লাখ মানুষ প্রাণঘাতী ‘সিস্টিক ফাইব্রোসিস’ (সিএফ) রোগে আক্রান্ত। তবে তাদের মাত্র ৫৯ শতাংশের রোগ নির্ণয় সম্ভব হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, জীবন রক্ষাকারী আধুনিক ‘ইটিআই’ (ইটিআই) চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন মোট রোগীর মাত্র ২৭ শতাংশ। রোগ শনাক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের বড় একটি অংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বসবাস করছেন।
তাদের মতে, রোগ নির্ণয়ের অপ্রতুলতা এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার সুযোগ সীমিত থাকায় এসব অঞ্চলের আক্রান্ত ব্যক্তিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে রয়েছেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, কর্মকর্তা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ