বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০০ পি.এম
মানিকগঞ্জে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, "মানিকগঞ্জের মানুষের মধ্যে ধর্ম-বর্ণের কোনো ভেদাভেদ নেই। এখানে আমরা মুসলমান, হিন্দু ও খ্রিষ্টান সবাই মিলেমিশে বসবাস করছি। মানিকগঞ্জের মতো এত সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের জেলা হয়তো খুব কমই আছে। এর প্রতিফলন আপনারা নির্বাচনের সময়ও দেখেছেন।"
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রথযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। এর পর মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
এই শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বী হাজারো নারী-পুরুষ ভক্ত অংশ নেন। মন্ত্রী এই প্রসঙ্গে বলেন, তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ জেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে মানিকগঞ্জের উন্নয়নে একে অপরের পাশে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
রথযাত্রা উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে সাত দিন ধরে একটি অস্থায়ী মেলা বসেছে। এছাড়া, ২৪ জুলাই বিকেলে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে এ বছরের রথযাত্রা উৎসবের সমাপ্তি হবে।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবিটি মন্ত্রণালয়ের।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার কোনো নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করতে চায় না। বরং, তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারিত হোক।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নীতিগতভাবে, আমরা চাই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ভাগ্য, কোনো নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হোক। এটাই বিএনপির দীর্ঘদিনের অবস্থান।’
তিনি বলেন, সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনে সংশোধনী আনার পর রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং গণহত্যার জন্য সংগঠনগুলোকে বিচারের আওতায় আনার সুযোগ করে দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘পূর্বে এই আইনের অধীনে কেবল ব্যক্তিদের বিচার করা যেত। এখন সংশোধিত বিধানের অধীনে সংগঠনগুলোকেও বিচারের আওতায় আনা যাবে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকার বিশ্বাস করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী এবং যথাযথ তদন্তের পর দলটিকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত শেষ হলে এবং ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে, সেই সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে এবং আদালত সেই দলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মেডিকেল সেন্টারে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে ২৩টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ১০টি প্রজেক্টর বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর মেডিকেল সেন্টারে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম হাতেই হন। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানও উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরকারি হাসপাতালের তুলনায় কম খরচে সিবিসি, লিপিড প্রোফাইল, ক্রিয়েটিনিন, গ্লুকোজ, ইউরিক অ্যাসিড, এসজিপিটি, এএলপি, ডেঙ্গু পরীক্ষা, ইসিজিসহ আরও অনেক ধরনের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
এরপর সকালের ১১টায় উপাচার্য তার কার্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের প্রধানদের হাতে ২৩টি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ১০টি প্রজেক্টর তুলে দেন।
এ সময় অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে 'জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬' যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম মহোদয়।
সভায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। বক্তারা তাঁদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেম চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান।
তিনি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর না হলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।
জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে।
তিনি যোগ করেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের কারণে বিজ্ঞাপনের বৃহৎ অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে। এ সময় তিনি সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাকেই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি হিসাবে উল্লেখ করে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ