০৭:২৩ এম
গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও, এবার সেমি-ফাইনালের বাধা পার করতে পারে না ফ্রান্স। ফলে তাদের পথচলা শেষ চারে থেমে গেছে। তবে দলটি টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বিদায়ও হয়নি। কারণ তাদের দেশে ফেরার আগে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।
মায়ামি স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ আরেক সেমি-ফাইনালে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড। ইংলিশরা আগেই জানিয়েছে, অর্থহীন এই ম্যাচ খেলার তাদের কোন ইচ্ছা নেই।
এবার ফ্রান্সের ফুটবলার-কোচেরও একই মূল্যায়ন করেছে। তারাও বলছে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নামের এই ম্যাচে মাঠে নামার অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, দলের ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে এই ম্যাচের নাম দিয়েছেন চকলেট মেডেলের ম্যাচ।
আরও পড়ুন: ১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল
অবশ্য খেলার তেমন ইচ্ছা না থাকলেও, কোচ দিদিয়ের দেশমের জন্য এই ম্যাচটি জিততে চায় ফ্রান্স। কারণ, ফ্রান্সের ডাগআউটে দেশমের দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এই ম্যাচ দিয়েই। এরপর আর জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা যাবে এক কিংবদন্তি কোচকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কোচের জন্য জয়ের লক্ষ্য কোনাতের। তিনি বলেন, “আমরা কেউই তৃতীয় স্থানের জন্য ম্যাচটি খেলতে চাইনি, কিন্তু আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা আমাদের কোচকে প্রতিদান দিতে চাই। তিনি ফ্রান্স দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আমাদের অবশ্যই তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে এবং এই ম্যাচটি জেতার জন্য আমাদের সবকিছু করতে হবে... এই চকলেট মেডেল, এই ব্রোঞ্জ মেডেলটি পাওয়ার জন্য।”
কোনাতের মতো দেশমও বলেছেন, এই ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তাই মনকে বাধ্য করে আগামী শনিবার দলকে মাঠে নামাবেন তিনি।
“এই ম্যাচটির জন্য আমার একটি দায়িত্ব আছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়। এটি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। খেলোয়াড়, স্টাফ ও আমার দায়িত্ব হলো এই শেষ লক্ষ্যটি অর্জন করা। যদিও এটি ফাইনালের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। তবুও আমরা এখানে।”
আরও পড়ুন: সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে
নিজের বিদায়ী ম্যাচের আবেগ যেন কাউকে ছুঁয়ে না যায় সে ব্যাপারে দেশম আগেভাগেই সতর্ক করলেন।
“আমাদের লক্ষ্য স্থির করতে হবে যেন তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পারি এবং এই শেষ লক্ষ্যটিকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি। এই জার্সি গায়ে থাকলে আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতেই হয়। আমার মনে আমি জানি যে, এটি আমার শেষ ম্যাচ। আমি চাই না কেউ কাঁদুক। শেষ ঘনিয়ে এসেছে, কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন