ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমরা আমাদের‘কোচকে জয়ের মাধ্যমে প্রতিদান দিতে চাই’


আমরা আমাদের‘কোচকে জয়ের মাধ্যমে প্রতিদান দিতে চাই’

গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও, এবার সেমি-ফাইনালের বাধা পার করতে পারে না ফ্রান্স। ফলে তাদের পথচলা শেষ চারে থেমে গেছে। তবে দলটি টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বিদায়ও হয়নি। কারণ তাদের দেশে ফেরার আগে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ।

মায়ামি স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৩টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ আরেক সেমি-ফাইনালে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড। ইংলিশরা আগেই জানিয়েছে, অর্থহীন এই ম্যাচ খেলার তাদের কোন ইচ্ছা নেই।

এবার ফ্রান্সের ফুটবলার-কোচেরও একই মূল্যায়ন করেছে। তারাও বলছে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নামের এই ম্যাচে মাঠে নামার অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, দলের ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে এই ম্যাচের নাম দিয়েছেন চকলেট মেডেলের ম্যাচ।

আরও পড়ুন: ১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

অবশ্য খেলার তেমন ইচ্ছা না থাকলেও, কোচ দিদিয়ের দেশমের জন্য এই ম্যাচটি জিততে চায় ফ্রান্স। কারণ, ফ্রান্সের ডাগআউটে দেশমের দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে এই ম্যাচ দিয়েই। এরপর আর জাতীয় দলের সঙ্গে দেখা যাবে এক কিংবদন্তি কোচকে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কোচের জন্য জয়ের লক্ষ্য কোনাতের। তিনি বলেন, “আমরা কেউই তৃতীয় স্থানের জন্য ম্যাচটি খেলতে চাইনি, কিন্তু আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা আমাদের কোচকে প্রতিদান দিতে চাই। তিনি ফ্রান্স দলের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আমাদের অবশ্যই তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে হবে এবং এই ম্যাচটি জেতার জন্য আমাদের সবকিছু করতে হবে... এই চকলেট মেডেল, এই ব্রোঞ্জ মেডেলটি পাওয়ার জন্য।”

কোনাতের মতো দেশমও বলেছেন, এই ম্যাচ খেলার কোনো ইচ্ছা নেই তার। তাই মনকে বাধ্য করে আগামী শনিবার দলকে মাঠে নামাবেন তিনি।

“এই ম্যাচটির জন্য আমার একটি দায়িত্ব আছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়। এটি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। খেলোয়াড়, স্টাফ ও আমার দায়িত্ব হলো এই শেষ লক্ষ্যটি অর্জন করা। যদিও এটি ফাইনালের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। তবুও আমরা এখানে।”

আরও পড়ুন: সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে

নিজের বিদায়ী ম্যাচের আবেগ যেন কাউকে ছুঁয়ে না যায় সে ব্যাপারে দেশম আগেভাগেই সতর্ক করলেন।

“আমাদের লক্ষ্য স্থির করতে হবে যেন তৃতীয় স্থান অর্জন করতে পারি এবং এই শেষ লক্ষ্যটিকে বাস্তবে রূপ দিতে পারি। এই জার্সি গায়ে থাকলে আমাদের এই দায়িত্ব পালন করতেই হয়। আমার মনে আমি জানি যে, এটি আমার শেষ ম্যাচ। আমি চাই না কেউ কাঁদুক। শেষ ঘনিয়ে এসেছে, কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে আরও ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ এম


বাংলাদেশে আরও ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে সৃষ্ট ধাক্কার ফলে বাংলাদেশে নতুনভাবে অন্তত ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) এক বিশ্লেষণ গত বৃহস্পতিবার এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে।

"দরিদ্র পরিবারের শিশুদের ওপর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব" শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতির গতিবিধি পাল্টে দিয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি পড়েছে। বিশেষ করে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, শাকসবজি, মাছ ও মুরগির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ার ফলে নিম্নআয়ের ও সীমিত আয়ের পরিবারগুলোতে আর্থিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনভাবে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে যে, এই চাপ অনেককেই নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে ঠেলছে।

বিশ্বব্যাপী ১৬৭টি দেশের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদন দেখাচ্ছে কিভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানি ব্যয়ের বৃদ্ধি ঘটছে। বাংলাদেশসহ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলো বাহ্যিক ধাক্কায় অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সংকটের তীব্রতা এখানে বেশি হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ইউনিসেফ সতর্ক করে জানিয়েছে, এই সংঘাতের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এশিয়া ও আফ্রিকার দরিদ্র পরিবারগুলো।

এই এলাকায় চলতি বছরের শেষে অতিরিক্ত দুই কোটি ৩৪ লাখ শিশু তীব্র আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল এই বিষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছেন, যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূরের দেশের সাধারণ মানুষ ও শিশুরা আজ এই সংঘাতের ফল পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে দরিদ্র পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য ও শিক্ষার খরচ দিতে পারছে না। ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি তাদের পুরো জীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে ইউনিসেফ বাংলাদেশসহ বিশ্বনেতাদের কাছে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে, দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য নগদ অর্থ সহায়তা বৃদ্ধি করার এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ অক্ষুণ্ন রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব দেশ ঋণের বোঝা বহন করছে, তাদের ঋণ পরিশোধ সাময়িকভাবে স্থগিত করে সেই অর্থ মানবতার মৌলিক চাহিদা মেটাতে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি সতর্ক করেছে, যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে বিগত কয়েক দশকের কষ্টার্জিত উন্নয়ন অগ্রগতি সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে যাবে যা লাখ লাখ শিশুর ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন বছর ধরে অচল কক্সবাজারের ডপলার রাডার, হুমকিতে সমুদ্র ও আকাশপথের নিরাপত্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ এম


তিন বছর ধরে অচল কক্সবাজারের ডপলার রাডার, হুমকিতে সমুদ্র ও আকাশপথের নিরাপত্তা

মাছ ধরতে প্রতিদিন সমুদ্রসৈকতে প্রবাহিত হন শত শত জেলে; এবং সেখানে হাজারো পর্যটকও নেমে আসেন। আকাশে নিয়মিত উড়ান দেয় বিমান। কিন্তু কক্সবাজারের ডপলার আবহাওয়া রাডার, যা প্রাণ এবং সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, গত তিন বছর ধরে অচল হয়ে আছে। ফলে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৪০০ কিলোমিটার এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, বজ্রঝড়, ভারি বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার গতিপ্রকৃতি আগে থেকে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে দুর্যোগের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় ব্যাপক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এতে জেলে, ট্রলার মালিক, পর্যটক ও উপকূলের মানুষের উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে।

কক্সবাজার একটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় জেলা। প্রতিদিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান শত শত জেলে; সৈকতে ভিড় করেন হাজার হাজার পর্যটক এবং বিমানবন্দর দিয়ে নিয়মিত উড্ডয়ন ও অবতরণ করে বিমান। অথচ পুরো উপকূলের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা কক্সবাজার ডপলার রাডার তিন বছরের বেশি সময় ধরে অচল।

এই রাডারটি ঘূর্ণিঝড়, বজ্রঝড়, ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার গতিপ্রকৃতি দ্রুত শনাক্ত করে ঢাকায় তথ্য পাঠাত। কিন্তু যন্ত্রাংশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে এটি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, রাডারের ভূমিকাটি উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস ও মেঘের সৃষ্টি এবং গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। কক্সবাজারের বিমানবন্দর থাকায় রাডার তথ্য বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণেও বিশেষভাবে সহায়ক। অল্প সময়ে তৈরি হওয়া মেঘের অবস্থান, প্রকৃতি এবং গতিপথ নির্ধারণে এর গুরুত্ব অসীম। রাডার থেকে প্রাপ্ত তথ্য ঢাকায় পাঠান হয়, যেখানে বিশেষজ্ঞগণ সেগুলি বিশ্লেষণ করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করেন। কিন্তু রাডার অচল থাকায় এখন সরাসরি এই তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিমানবন্দরের জন্য আবহাওয়ার তথ্য সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, প্রতি ঘণ্টায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মাধ্যমে পাইলটদের বিভিন্ন তথ্য যেমন তাপমাত্রা, শিশিরাঙ্ক (ডিউ পয়েন্ট), আর্দ্রতা, কিউএনএইচ (বায়ুচাপ), দৃশ্যমানতা, বাতাসের গতি ও দিকসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা হয়। বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে, যেমন বজ্রঝড় বা ঘন মেঘের সময়, প্রত্যেকে প্রতি আধা ঘণ্টা পর পর তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্যাটেলাইটসহ অন্যান্য প্রযুক্তি দিয়ে পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও কক্সবাজারের স্থানীয় পর্যায়ে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। গভীর সমুদ্রে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে, জেলেদের একমাত্র ভরসা হচ্ছে রেডিও। তাই হঠাৎ দুর্যোগের প্রতিরোধের জন্য ডপলার রাডার ছিল সবচেয়ে কার্যকর প্রযুক্তি। এটা শুধু জেলেদের জন্য নয়, বরং সমুদ্রসৈকতে থাকা পর্যটক এবং বিমান চলাচলের নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলে বাদশা মিয়া বলেন, যখন তারা সমুদ্রে কিছু দূরে চলে যান, তখন অনেক সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। তখন আবহাওয়া খারাপ হলে অভিভাবকরা জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না। এতে তাদের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।

এফবি গালিব ট্রলারের মাঝি শামশুল আলম বলেন, কক্সবাজার উপকূল থেকে ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে গেলেই মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। অথচ তারা অনেক সময় ২০০ থেকে ২২৪ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। ফলে ঝড় বা ঘূর্ণিঝড়ের আগাম তথ্য জানার সুযোগ থাকে না। নির্ভরযোগ্য আবহাওয়ার তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে অনেক দুর্ঘটনা, প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, রাডার স্টেশন অকার্যকর থাকার কারণে সময়মতো সমুদ্রের আবহাওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এতে হাজারো জেলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মাছ ধরা একটি ট্রলারে কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। দুর্ঘটনা ঘটলে প্রাণহানির পাশাপাশি বিশাল আর্থিক ক্ষতি হয়। তাই দ্রুত রাডার সচল করা প্রয়োজন।

সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাডার অকার্যকর থাকার কারণে প্রয়োজনীয় সময়ে নির্ভুল আবহাওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। কক্সবাজার ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হওয়ায় আগাম তথ্য পাওয়ার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আরও কার্যকর প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব হবে এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে।

২০২৩ সালে কক্সবাজারের রাডার সচল করতে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার কাছে কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাড়া না পাওয়ায় সরকার নিজস্ব অর্থায়নে রাডার আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৪ সালে জাপানি বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করে ভবনটি ব্যবহারযোগ্য বলে মত দিয়েছে তবে নতুন যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কাজ শুরু করা হয়নি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, কক্সবাজারের রাডারটি ২০০৭ সাল থেকে ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। পরবর্তী সময়ে যন্ত্রাংশের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় এবং এটি বন্ধ হয়ে যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা কয়েক দফা চেষ্টা করেও এটিকে সচল করতে সক্ষম হননি। কক্সবাজার ছাড়া পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও মৌলভীবাজারের রাডারও একইভাবে আধুনিকীকরণের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। এ জন্য একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইও সম্পন্ন হয়েছে। জাপানের প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, বর্তমান ভবন ও অবকাঠামো ব্যবহারযোগ্য, তবে পুরানো যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন করতে হবে। প্রকল্পটি এখনো মন্ত্রণালয়ে রয়েছে এবং প্রতি মাসেই এ বিষয়ে ঢাকার দফতর থেকে চিঠি আসে কিন্তু প্রকল্প অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।

কক্সবাজারকে ‘মাল্টি হ্যাজার্ড’ জেলা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখানে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, জলাবদ্ধতা, ভূমিধস ও ভারি বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বেশি। ২০২৪ সালে এক দিনেই ৫৫০ মিলিমিটার এবং সাত দিনে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে। এ ধরনের দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কতায় আধুনিক আবহাওয়া রাডারের বিকল্প নেই। দ্রুত নতুন রাডার স্থাপন করা গেলে জনগণকে আরও কার্যকর আবহাওয়া সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।

আবহাওয়া অফিসের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, কক্সবাজার অফিস মূলত একটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। সেখানে সরাসরি পূর্বাভাস তৈরি করা হয় না। বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বাতাসের গতি ও দিকসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। বেলুনের মাধ্যমে ঊর্ধ্বাকাশের তথ্যও পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্রীয়ভাবে পূর্বাভাস তৈরি করে তা গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়। রাডার অচল থাকায় বর্তমানে পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ ও ঢাকায় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আ. মান্নান জানান, বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় অবগত রয়েছে এবং এর আগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউস-সংলগ্ন পাহাড়ের চূড়ায়, সমতল থেকে ১৬০ ফুট উপরে অবস্থিত এই রাডার স্টেশনটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ২০০৭ সালে জাপানের সহায়তায় এটিকে আধুনিক ডপলার আবহাওয়া রাডারে উন্নীত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরে বিক্ষোভে হত্যার বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানালো জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ এম


পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরে বিক্ষোভে হত্যার বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানালো জাতিসংঘ

পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনার প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি ইসলামাবাদের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন।

আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনকে সামনে রেখে গত মাস থেকে চলতে থাকা সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জন প্রাণ হারিয়েছে এমন তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী ও আন্দোলনকর্মীদের একটি সমন্বিত সংগঠন জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে। যদিও এই আন্দোলনটি মূলত ক্রমবর্ধমান খাদ্যপণ্যের মূল্য ও পরিষেবা শুল্কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে শুরু হয়েছিল, বর্তমানে কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত বিধানসভার আসন নিয়ে আইনি বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। জেএএসি এই আসনগুলো বিলুপ্ত করার দাবিতে আগ্রহী। তাদের যুক্তি হলো, এই আসনগুলো অনাবাসীদের স্থানীয় রাজনৈতিক ফলাফল পরিবর্তন করার সুযোগ দেয়। জাতিসংঘের কর্মকর্তাগণ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী জেএএসিকে 'একটি নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশ্বজুড়ে এই সংস্থাটি সতর্ক করেছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং ব্যাপক ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া সংগঠন গঠনের স্বাধীনতার প্রতি গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

পাকিস্তানে একটি সেনা বহরে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ৪৫ জন পাকিস্তানি সেনা প্রাণ হারান। বেলুচিস্তানে নিষিদ্ধ সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। গত এক মাসে এটি চতুর্থবারের মতো সেনা বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি। অন্যদিকে, খাইবর পাখতুনখোয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিজানে ২৪ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বেলুচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) বিবৃতির ভিত্তিতে বলা হয়, পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কালাত জেলায় সেনাবাহিনীর একটি বহরের ওপর হামলায় ৪৫ সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এই মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিত করেনি পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

বিএলএর দাবি, তাদের বিশেষ ইউনিট 'ফতেহ স্কোয়াড' এবং 'মাজিদ ব্রিগেড' যৌথভাবে এই হামলা চালায়। মুস্তং জেলার খডকোচা এলাকায় সেনা সদস্যদের বহনকারী বাসের ওপর হামলা হয়। হামলার সূচনায় একটি বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি সেনা কনভয়ে আঘাত করে। পরে ছোট গাড়ির ধাক্কায় বিস্ফোরণ ঘটে। এর ফলস্বরূপ, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ শুরু হয়।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার বিকালে সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখাওয়ার বান্নু জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ২৪ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) থেকে দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বান্নু জেলা ও এর সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং আত্মঘাতী বোমা হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ঘটনাগুলোতে ভারতের মদদপুষ্ট ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে।

সূত্র: আলজাজিরা, ডন ও ইন্ডিয়া টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় ‘কনফিডেন্স স্পার্ক অ্যাওয়ার্ড’ জিতলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ এম


মালয়েশিয়ায় ‘কনফিডেন্স স্পার্ক অ্যাওয়ার্ড’ জিতলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

 

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল লিডারশিপ সামিট ২০২৬-এ সিলেটের তরুণ শিক্ষক, লেখক ও শিক্ষাউদ্যোক্তা জয় দাস আন্তর্জাতিক ‘কনফিডেন্স স্পার্ক অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। এই সম্মাননার পাশাপাশি সম্মেলনে তার নেতৃত্বের দক্ষতার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ সনদও পেয়েছেন।

গত ১০ থেকে ১২ জুলাই মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ)-এ তিন দিনব্যাপী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের ১৪টি দেশের ৩৫০-এর বেশি তরুণ প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গবেষক ও বিভিন্ন পেশাজীবী এতে অংশ নেন। সম্মেলনে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), নেতৃত্ব বিকাশ, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের ধারণা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করেন। জয় দাস তার দলের ষষ্ঠ বক্তা হিসেবে ‘এক্সপেক্টেড ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কনক্লুশন’ পর্বে ‘প্রজেক্ট পিউরস্টেপ’ শীর্ষক প্রকল্প উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলা, প্রকল্পটির সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য যে, এই প্রকল্পটি জাতিসংঘের এসডিজি-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ), এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মালয়েশিয়ার অধ্যাপক ফারাহ হানিফ, ভারতের ড. সারভিন্দার কৌর সান্ধু, আলবেনিয়ার অধ্যাপক ফাতমির শেহু এবং বাংলাদেশের ড. নাজমুস সায়াদাত সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার মূল্যায়ন করেন। তাদের মূল্যায়নে জয় দাস গঠনমূলক অংশগ্রহণ, কার্যকর নেতৃত্ব এবং মানসম্মত উপস্থাপনার জন্য ‘কনফিডেন্স স্পার্ক অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন।

সম্মেলনের অন্যতম আয়োজক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্ব ফাতিহা আয়াত। তিনি জাতিসংঘ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও টেডএক্সের বক্তা হিসেবে পরিচিত। ফাতিহা তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে কাজ করে আসছেন। জয় দাস কানাইঘাট উপজেলার বাসিন্দা এবং তিনি ‘লার্ন উইথ জয়’-এর প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি লিডিং ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত এবং গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইংরেজি ভাষা ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে জয় দাস থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ৩৬তম ওয়ার্ল্ড স্কুল সামিট ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক ‘বেস্ট এডুকেটর অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা অর্জন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%