রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর লক্ষীপুর এলাকায় এক নারীকে শ্লীলতাহানি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: লক্ষীপুর এলাকার মৃত গোলাম কিবরিয়া জিকিরের ছেলে লাবিব সারাফাত রিদান (২১) ও হামিদুল আলম সনি (৩০)।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে আর রহমান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে ওই নারী, তাঁর স্বামী ও স্বজনদের পথরোধ করা হয়। এজাহার অনুযায়ী, ওষুধ কেনার একটি প্রস্তাবে তাঁরা রাজি না হলে তাঁদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেখানে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই নারীকে টানাহেঁচড়া এবং তাঁর স্বজনদের মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।
নগরীর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তৌহিদ রাজপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা রুজু করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে রবিবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ নওগাঁ জেলা পরিষদের উদ্যোগে গত বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২১৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাবৃত্তি তুলে দেন নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপি'র সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান মুরাদ, মেহেজাবিন উশা প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২১৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ থাইল্যান্ডে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এই সপ্তাহে, সেখানকার প্রধান মালয়-মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর একটি শীর্ষ নেতা ঘোষণা করেছেন যে, নিজেদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের লড়াই অব্যাহত রাখবেন।
বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)-এর শান্তি আলোচনা প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি, বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে বলেন, "এই সংগ্রাম শেষ সময় (কিয়ামত) পর্যন্ত চলবে। যতক্ষণ না আমাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।"
১৯৬০-এর দশক থেকে বিআরএন-এর সশস্ত্র বিদ্রোহীরা থাইল্যান্ডের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করে আসছে। তবে, এই সংঘাতের বর্তমান ধারাবাহিকতা ২০০৪ সালে নতুন করে শুরু হয়।
মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় ২০১৩ সাল থেকে থাইল্যান্ড সরকার বিআরএন-এর সাথে আলোচনা চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ উচ্চপর্যায়ের আলোচনা গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তবে, সেই আলোচনা প্রক্রিয়া বারবার থমকে গেছে। গত জুলাই মাসে এক হামলায় পাঁচ থাই সেনা নিহত হওয়ার পর ব্যাংকক সব ধরনের সংলাপ স্থগিত ঘোষণা করে।
নিকমাতুল্লাহ বলেন, "আমাদের উদ্দেশ্য একই রয়ে গেছে—আর তা হলো স্বাধীনতার দাবি।" দক্ষিণে শরিয়াহ আইন চালু করার লক্ষ্য নিয়ে থাইল্যান্ডের দক্ষিণ অঞ্চলটি একসময় ঐতিহাসিক মালয়-মুসলিম পাত্তানি সুলতানি সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। কিন্তু ১৯০০-এর দশকের শুরুর দিকে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাইল্যান্ড (তৎকালীন সিয়াম) এলাকাটি নিজের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়।
সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'দীপ সাউথ ওয়াচ'-এর তথ্যমতে, ২০০৪ সাল থেকে এই সংঘর্ষে বিদ্রোহী, থাই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকসহ ৭,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
নিকমাতুল্লাহ বিআরএন-এর সাম্প্রতিক সহিংসতায় জড়িত কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তাদের দলই এই লড়াইয়ের মূল "চালিকাশক্তি"।
তিনি জানান, তার গোষ্ঠী ব্যাংককের সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে কোনো নির্বাচন ছাড়াই বিআরএন ক্ষমতায় বসবে।
"আমরা রাজনৈতিক ক্ষমতা চাই। তার মানে মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছের থাইল্যান্ডের চারটি প্রদেশ নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলে বিআরএন শাসন পরিচালনা করবে।" তিনি জানান, এলাকাটি ইসলামিক আইন অনুসরণকারী শরিয়াহ পুলিশ এবং আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত হবে—তবে এটি কেবল মুসলিমদের জন্যই প্রযোজ্য হবে।
তিনি আরও বলেন, "৫ বা ১০ বছরের একটি অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় থাকবে যার মধ্যে আমরা শাসন পরিচালনা করব। এরপর আমরা গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা জনগণের হাতে তুলে দেব।"
চেকপোস্ট এবং সান্ধ্য আইন (কারফিউ)
নিকমাতুল্লাহ অভিযোগ করেন যে, জাতিগত মালয় মুসলিমরা তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে "স্পষ্ট বৈষম্যের" শিকার এবং তারা "কখনও নিরাপদ বোধ করেনি"—যদিও থাইল্যান্ড সরকার সবসময় এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
অগাস্টে স্থানীয় গণমাধ্যমকে থাইল্যান্ডের প্রধান মধ্যস্থতাকারী থানুত সুবর্ণানন্দ বলেন, "আলোচনার টেবিলে বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।" এপ্রিল মাসে নিযুক্ত হওয়া থানুত জানান, যুদ্ধবিরতি অঞ্চল ঘোষণা করা এবং চেকপোস্টসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত করে এমন অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনার অধীনে রয়েছে।
২০০৫ সাল থেকে এই অঞ্চলটি বিশেষ নিরাপত্তা আইনের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই আইনের ফলে থাই কর্তৃপক্ষ বিচার ছাড়াই সন্দেহভাজনদের আটক করতে এবং সান্ধ্য আইন জারি করতে পারে—যা নিয়ে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো কঠোর সমালোচনা করেছে।
নিকমাতুল্লাহ জানান, বিগত দুই দশকে বিআরএন-এর সামরিক শাখার ১,০০০ যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, "যুদ্ধ ছিল আমাদের শেষ অবলম্বন।" ১৮ বছর বয়সে বিআরএন-এ যোগ দেওয়া এই থাই-জন্মা নেতা বলেন, "আমরা কোনো দুর্বল বা নিরীহ শ্রেণিকে লক্ষ্যবস্তু বানাই না—আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সরকার।"
গত মাসে বেশ কয়েকটি জায়গায় সুসংগঠিত রাতের হামলায় কয়েকজন আহত হন এবং সরকারি সম্পত্তি ও বেসরকারি ব্যবসার ক্ষতিসাধিত হয়।
থাই কর্তৃপক্ষের মতে, গত জুলাই মাসে এক চেকপোস্টে গুলি ও বোমা হামলায় পাঁচ থাই সেনা নিহত এবং ছয়জন সাধারণ নাগরিক আহত হন।
নিকমাতুল্লাহ স্পষ্ট কিছু বলেননি যে এই হামলায় বিআরএন জড়িত ছিল কি না। তিনি উল্টো মন্তব্য করেন, "আমরা ঔপনিবেশিকদের গোয়েন্দা সংস্থা নই।" তবে থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এএফপি-কে নিশ্চিত করেছে যে, সেনাসদস্যদের মৃত্যুর পরই থাইল্যান্ড আলোচনা স্থগিত করেছে। তবে তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য মূলত তিনটি বিষয়ে ফোকাস করছে: "আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং শান্তি আলোচনা।"
অনানুষ্ঠানিক বা পিছনের দরজার আলোচনা
কালো চামড়ার জ্যাকেট এবং ঐতিহ্যবাহী কালো টুপি 'সংকক' পরা নিকমাতুল্লাহ নিজের বর্তমান বাসস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু বলেননি। তবে তিনি দাবি করেন যে বিআরএন-এর পেছনে স্থানীয় মানুষের সমর্থন রয়েছে এবং সদস্যদের অনুদানেই এই দল পরিচালিত হয়।
অস্ত্রশস্ত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা তাদের "শত্রুদের" কাছ থেকেই অস্ত্র ছিনিয়ে নেন। "আমরা বিনামূল্যে সেগুলো নিই, কারণ তারা এখানে এসে আমাদের মাটিতে তাণ্ডব চালাচ্ছে।"
মালয়েশীয় মধ্যস্থতাকারীর অনুপস্থিতির কারণে শান্তি আলোচনা ব্যাহত হয়েছে উল্লেখ করে নিকমাতুল্লাহ জানান, আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডের সাথে তাদের "অনানুষ্ঠানিক বা পিছনের দরজার আলোচনা" শুরু হতে পারে।
এএফপি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ খালেদ নরদিন জানিয়েছেন, নতুন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়টি "বিবেচনাধীন" রয়েছে। কুয়ালালামপুরের প্রধান অগ্রাধিকার হলো শান্তিপূর্ণ সমাধান।
তিনি বলেন, "মালয়েশিয়া থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে এবং স্বীকার করে যে নাগরিকদের সম্পর্কিত বিষয়টি থাইল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ এখতিয়ারের অংশ।"
সহিংসতার জন্য কাউকে সরাসরি দায়ী না করে তিনি বলেন, "সহিংসতার আশ্রয় নেয় বা শান্তি প্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করে—এমন কোনো পক্ষকে আশ্রয়স্থল বা লুকানোর জায়গা হিসেবে মালয়েশিয়া নিজেকে ব্যবহার করতে দেবে না।"
দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে নিকমাতুল্লাহ বলেন, "এটি কোনো স্বল্পস্থায়ী সংগ্রাম নয়। এতে দীর্ঘ সময় লাগবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের চা খাতের অর্থনৈতিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
তিনি উল্লেখ করেন, চা শিল্পকে শুধুমাত্র ঋণনির্ভর খাত হিসেবে না রেখে রাজস্ব, কর ও ভ্যাটের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে নিয়মিত অবদান রাখতে সক্ষম একটি কার্যকর শিল্পে রূপান্তরিত করতে হবে।
আজ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের চা শিল্পের উন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটির প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চা শিল্পের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের জীবন-জীবিকা জড়িত রয়েছে। কোনো বাগান বন্ধ হলে বা দেউলিয়া হলে তার সরাসরি প্রভাব শ্রমিক পরিবার ও স্থানীয় সমাজের ওপর পড়ে। তাই শ্রমিকদের সুরক্ষা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে এ খাতকে টেকসই ও লাভজনক করা জরুরি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, একসময় বাংলাদেশ চা রপ্তানি করলেও উৎপাদন ব্যাহত হলে দেশ আবার আমদানিনির্ভর হয়ে পড়তে পারে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে চা শিল্পের সংকট কাটিয়ে একে শক্তিশালী অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
সভায় চা বাগানের মূল বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে অনাবাদি ও অব্যবহৃত জমিতে নির্দিষ্ট মেয়াদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন, কৃষি ও বিকল্প বনায়ন এবং ক্লাস্টার বা নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
বক্তারা জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে চা প্রবেশ এবং নিলামের বাইরে সরাসরি বিক্রির কারণে বৈধ ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন এবং সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব হারাচ্ছে। নিলামে প্রতি কেজি চায়ের দাম ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা হলেও চোরাই চা ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর যৌক্তিক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সভায় আরো বলা হয়, শুধু সরকারি প্রণোদনা, আবর্তন তহবিল বা ঋণের ওপর নির্ভর না করে চা বাগানগুলোর ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বাগানভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং ও নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান, কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবীর আহামদ, বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান কামরান টি রহমান এবং টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহ মাঈনুদ্দিন হাসানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ