ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরে একই পরিবারের ৪ সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আরপিএমপি কমিশনার


রংপুরে একই পরিবারের ৪ সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আরপিএমপি কমিশনার

রংপুর, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার মো. মাহবুবুর রশিদ বলেছেন, রংপুর একই পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের আসল কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘রংপুর মহানগরীতে সংঘটিত এই চারটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা আমাদের দায়িত্ব। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণের পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শুক্রবার দুপুরে আরপিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রংপুর মহানগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একই পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতির বার্তা জেলা পরিষদ প্রশাসক পলাশের, শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ

এই বেদনাদায়ক ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, নতুন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা অত্যন্ত জরুরি ও ইতিবাচক।

নতুন পুলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছেন। এই ঘটনা এবং মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ। তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, তদন্তকালে অনেক প্রশ্ন উঠবে এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা ঠিক তাই করছি। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এই মামলাটি নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি আলোচনার প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং যথাযথ জবাবদিহিতার মাধ্যমে মামলাটিকে সঠিক পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা। যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

নিহত শিক্ষিক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন যে তিনিও এই মতামত শুনেছেন। তিনি বলেন, আসলে প্রমাণ ধুয়ে ফেলার মতো কিছুই নেই। এটা একটা অপরাধস্থল, প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত প্রক্রিয়ায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় কারিগরি ও গোয়েন্দা সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় হাতেম আলীর কাঠের ক্রেনে ভেসে যায় চায়ের কাপ!

আরপিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) যদি আমাদের কোনো নতুন তথ্য-সূত্র দেন, আমরা তদন্ত করবো। এটা পুলিশের কাজ, কিন্তু আমাদের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক শুধু রংপুরের সমস্যা নয়; এটা সমগ্র দেশের সমস্যা। এই মুহূর্তে এটা একটা সামাজিক সমস্যা। আমি আজ সকালে আমার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে কথা বলেছি এবং তাদের সময় দিয়েছি। তিনি বলেন, আমি আশা করি আপনারা (সাংবাদিকরা) এক সপ্তাহের মধ্যে এ ব্যাপারে একটি পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

এদিকে, রংপুর মহানগরীতে একই পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড ইতোমধ্যেই ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

কয়েকদিন আগে রংপুর জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত জনপ্রিয় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থি (২৫) এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়মকে (১২) তাদের বাড়িতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন

শনিবার রাতে পুলিশ ওই জনপ্রিয় শিক্ষকের পরিবারের চারজনের মৃতদেহ তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে।

নিহত গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী রোববার বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় চারটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার ভোরে পুলিশ উপ-কমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) একটি বিশেষ ডিবি দল পৃথক অভিযানে শহর থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাছুয়াপাড়া এলাকার কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ১৮

তারা একইদিন রাতে এই চার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের সামনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ব্যাপক আলোচিত এই চার হত্যাকাণ্ড মামলার তদন্ত কোতোয়ালি থানা থেকে আরপিএমপি’র গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরপিএমপি’র গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইন্সপেক্টর মো. জিনাত আলী এই মামলার নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হয়ে এখন তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় এআই এবং তথ্যপ্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


খুলনায় এআই এবং তথ্যপ্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা

খুলনা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : এআই প্রযুক্তি সুযোগ তৈরি করছে, ঝুঁকিও আনছে। ভুয়া ছবি-ভিডিও (ডিপফেক), স্বয়ংক্রিয় ভুল তথ্য তৈরি, অনলাইন প্রতারণা এবং ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহারের মতো ঝুঁকির মধ্যেও খুলছে সম্ভাবনার দুয়ার। 

তাই তথ্য যাচাই না করে বা ফেক নিউজ (ভুয়া খবর) যেকোনো নির্দেশ বা কমান্ড দেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি বড় ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত। যা বিভ্রান্তি তৈরি করে সমাজের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

আজ শুক্রবার খুলনার একটি হোটেলে 'প্রজম্মের মেলবন্ধনে সুরক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ' স্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী 'এআই এবং তথ্যপ্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহার' বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বেসরকারি সংস্থা জনউদ্যোগ খুলনা, এ কর্মশালার আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যক্ষ মাজাহারুল হান্নান ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। 

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ, খুলনার আহ্বায়ক শিক্ষক নেতা মানস রায়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। এআই ও তথ্যপ্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ দেন আইসিটি শিক্ষক জয় বৈদ্য। 

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক দেবদাস মন্ডল, নারী নত্রী নূরুন নাহার হিরা, কৃষ্ণা দাস, দীপ বৈদ্য প্রমুখ।

কর্মশালয় বক্তারা আরও বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে ঝুঁকির মধ্যেও এআই প্রযুক্তি সম্ভাবনার দোয়ার খুলে দিয়েছে। যেমন- মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা যে কাজ করে, এআই সেকেন্ডের মধ্যে করে দিতে পারে। হিসাব-নিকেশ বা ডেটা বিশ্লেষণে এআই মানুষের চেয়ে অনেক কম ভুল করে। এআই ক্লান্ত হয় না, বিশ্রাম লাগে না। রোগ শনাক্তকরণ, সার্জারি ও ওষুধ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখছে। তথ্য খোঁজা, বিশ্লেষণ ও ব্যক্তিগত শিক্ষায় সহায়তা করে।

কর্মশালায় সতর্কতা উল্লেখ করে বলা হয়, কোনো নিউজ পেলে তার তথ্যের উৎস যাচাই করতে হবে। এটি কোনো নির্ভরযোগ্য মূলধারার গণমাধ্যমের কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।

অচেনা বা সন্দেহজনক ওয়েবসাইটের তথ্য এড়িয়ে চলতে হবে। একাধিক মাধ্যমে ক্রস-চেক করে নিশ্চিত হতে হবে। গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে খবরটি লিখে সার্চ করে দেখতে হবে। ফ্যাক্ট-চেক ওয়েবসাইটের সাহায্য নিলে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে। ভাইরাল কোনো ছবি বা ভিডিওর ক্ষেত্রে রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করলে ভালো হবে। সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখুন সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। হুট করে কোনো তথ্য শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করা যাবে না।

অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, এআই এবং তথ্যপ্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহার করতে হবে। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তি আইন জানতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পশুপাখি সংযোজনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


রাজশাহী চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পশুপাখি সংযোজনের উদ্যোগ

রাজশাহী, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় নতুন পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান।

আজ শুক্রবার সকালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শনকালে তারা চিড়িয়াখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং পশুপাখি সংযোজন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব দিয়েছেন। 

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরবাসী রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

তিনি বলেন, নগরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় নতুন পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহোদয়ের কাছে উপস্থাপন করেছি। 

এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করে গেছেন। আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছেন। 

আমরা আশা করছি, এর মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে নতুন রূপে সাজানোর কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান বলেন, প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন মহোদয় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের বিষয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা একটি টিম নিয়ে চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শনে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের টিম ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে। স্টাডির ভিত্তিতে চিড়িয়াখানাটি কীভাবে সাজানো হলে আরও আকর্ষণীয়, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব হবে সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হবে। সারা বিশ্বে যেভাবে আধুনিক চিড়িয়াখানা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, সেই আদলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা) ড. মো. বজলুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সফিকুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার অধিকারী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈনসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম মালিবাগে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


পশ্চিম মালিবাগে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

রাজধানীর পশ্চিম মালিবাগ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানের জন্য জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মালিবাগ এলাকায় এই মানববন্ধন আয়োজন করা হয়, যেখানে কয়েক শতাধিক বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পশ্চিম মালিবাগের বিভিন্ন সড়ক ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে পানি নিষ্কাশন না হওয়ার ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেছেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলমান হলেও এর স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। জমে থাকা পানির কারণে রাস্তাঘাট ও আশপাশের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে মশার প্রজনন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত ও পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সাবেক তিনবারের কমিশনার আরিফুল ইসলাম আরিফ, অত্র সোসাইটির জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহবুব আলম তৌহিদ এবং এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, পশ্চিম মালিবাগ রাজধানীর একটি ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এর আশপাশে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস হাই স্কুল ও সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী দাবি করেন, পশ্চিম মালিবাগের জলাবদ্ধতার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তারা বিদ্যমান ড্রেন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও সংস্কার, প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার বিষয়েও বিবেচনা করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে ৬ হাজার ৫০০ বস্তা চাল-গম-ধান গায়েব, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে ৬ হাজার ৫০০ বস্তা চাল-গম-ধান গায়েব, অতঃপর...

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্য গুদামে মজুত যাচাই করতে গিয়ে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ বস্তা চাল-গম-ধান কম পাওয়ার ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক তথা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্রী বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। কই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্র স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

একই দিন রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আইয়ুব রায়হান।

খাদ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, খাদ্য অধিদপ্তরের গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখের ৪৯০ নম্বর স্মারকে গঠিত কমিটি ঘিওর এলএসডিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে খাদ্যশস্যের মজুত যাচাই করে। এ সময় ১০০ টন চাল ও ২০ টন গম কম, ৪১ টন ধান বেশি এবং ৬ হাজার ৫০০টি বস্তা কম পাওয়া যায়। কমিটি বিষয়টি উপপরিচালক (সংস্থাপন), প্রশাসন বিভাগকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবহিত করে।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক তথা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্রী বিপুল কুমারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের স্বার্থে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ১২ অনুযায়ী ফারহানা আক্তার ও শ্রী বিপুল কুমারকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে, গত বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পরিদর্শন শেষে উপজেলা খাদ্য গুদামটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন জেলার সকল উপজেলার খাদ্য গুদামের শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিশেষ অডিট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘিওরে আসে। তারা গুদামে মজুতকৃত খাদ্যশস্যের খাতাপত্র ও প্রকৃত মজুদের হিসাব মেলান। অডিট কার্যক্রম চলমান থাকায় হিসাবের গরমিল ও তথ্যে অসংগতি যাচাইয়ের লক্ষ্যে সাময়িকভাবে গুদামটি সিলগালা করা হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে ঘিওর উপজেলা খাদ্য গুদামের পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ) শ্রী বিপুল কুমারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

মানিকগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আইয়ুব রায়হান বলেন, আমাদের ডিজি স্যারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আমাদের প্রত্যেকটা খাদ্য গুদাম বিশেষ অডিট পরিচালনা করা হয়। এই অডিট চলাকালে আমরা ঘিওরের খাদ্য গুদামে গরমিল খুজে পাই এবং যারা এর সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তের স্বার্থে তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে খাদ্য গুদামটি আমি বন্ধ করে দিয়েছি।

তিনি আরও জানান, আমাদের গুদাম গুলোতে প্রতি মাসে দুইবার পাক্ষিক প্রতিবেদন দেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। সর্বশেষ গত ১৫ আগষ্ট আমার নিকট প্রতিবেদন আসে, সেখানে সব কিছু ঠিকঠাক ছিলো।

প্রসঙ্গত, সরকারি খাদ্যগুদামে মজুত যাচাইয়ের সময় বিতরণ করা খাদ্যশস্যের খালি বস্তার হিসাবও নেওয়া হয়। এসব খালি বস্তা অডিট টিমের কাছে প্রদর্শন করা না গেলে তা চুরি বা মজুত ঘাটতি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।   

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%