শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা উল্লেখ করেছেন, দেশের উন্নয়ন সাধনের জন্য সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে মিলেমিশে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি বলেন, "দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।" শুক্রবার দুপুরে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের সবাইকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে শপথ নিতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, "আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না।" খাদ্য মন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে সকলকে একে অপরের পাশে থাকতে হবে। তিনি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। মানিকগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বিশাল র্যালিটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পিপি নুরতাজ আলম বাহার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রনব শিকদার, এবং মানিকগঞ্জ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাধারণত সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র সরকার। উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে নেচে গেয়ে শহর মাতিয়ে তোলেন নারী, পুরুষ, শিশু সহ সকল বয়সের লোকজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশীয় এলএসডি ভ্যাকসিনের মাধ্যমে গবাদিপশুর সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, যা খামারিদের জন্য ক্ষতি কমাবে।
আজ শুক্রবার কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার রাইচু ঈদগাঁহ মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ও গোটপক্স ভ্যাকসিনের টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী এ সময় আরও উল্লেখ করেন, গবাদিপশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ছড়িয়ে পড়লে খামারিরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। দেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ভাইরাল এলএসডি ভ্যাকসিন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভ্যাকসিন বাজারজাত হলে খামারিদের ব্যয় কমবে, সহজলভ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রাণিসম্পদ খাত আরও টেকসই হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশে প্রতি বছর প্রায় আড়াই কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়। এতদিন বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভর করতে হতো, কিন্তু এখন দেশেই এই ভ্যাকসিনের উদ্ভাবন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
গবাদিপশুর খাদ্য ব্যয় কমাতে নতুন উদ্ভাবিত উচ্চ-পুষ্টিমানসম্পন্ন ঘাস চাষের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বিএলআরআই উদ্ভাবিত নতুন ঘাসের জাতটিতে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে। এই ঘাস চাষের মাধ্যমে খামারিরা কম খরচে উন্নতমানের পশুখাদ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন এবং দানাদার খাদ্যের ওপর নির্ভরতা কমবে।
তিনি জানান, দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের জন্য সরকার নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এর আওতায় ইউনিয়নভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি, প্রশিক্ষণ প্রদান, উন্নত জাতের ছাগল সরবরাহ এবং বিপণন সহায়তা প্রদান করা হবে। নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের এই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের লাম্পি স্কিন ডিজিজ এবং গোটপক্সের প্রাদুর্ভাবের সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সার্বিক সহায়তায় আজকের ক্যাম্পেইনের আওতায় ২ হাজার ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন ও ১০০ ডোজ গোটপক্স ভ্যাকসিন উপজেলার গবাদিপশুতে প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করেছেন। ছবি: আরটিভি
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমানোর উদ্দেশ্যে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল কাশেম এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল হাসান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর মেহেদীবাগস্থ বাসভবনে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান।
সাক্ষাৎকালে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ওপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে বড়দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও জানান।
এ বিষয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
পরে, সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। স্মারকলিপিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির লাইন সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সম্প্রসারণসহ সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সীতাকুণ্ড সমুদ্রউপকূলে মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ করে সীতাকুণ্ড অংশে বড়দারোগারহাট হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করার জন্য দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। মন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় সার্বজনীন শ্রীশ্রী মদন মোহন জিউর মন্দির ও আখড়াবাড়ী মন্দিরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শোভাযাত্রা বের হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস। সার্বজনীন আখড়াবাড়ী কমিটির সভাপতি শ্রী দিলীপ কর্মকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইশতিয়াক আহমেদ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ জেড এম সালেহ ফারুক, বরগুনা চেম্বার অব কমার্স এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল হোসেন নাইব, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আতাউর রহমান বাবুল। সভা পরিচালনা করেন, সার্বজনীন শ্রীশ্রী মদন মোহন জিউর মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক উত্তম কর্মকার।এ অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, আমরা এমন একটা দেশ গড়বো যেখানে সব মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।আলোচনা সভা শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আখড়াবাড়ি মন্দিরে এসে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতি, ধর্ষণ ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভা ও কোতয়ালী থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে আহাম্মেদ সফি (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে ডাকাতি সংগঠনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাঙামাটি জেলার কোতয়ালী থানাধীন ৬ নম্বর বালুখালী ইউনিয়নের আদার পাহাড় এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৬) নামে আরেকজনকে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার স্থায়ী ঠিকানা হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এবং বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের বায়জিদ বোস্তামী থানাধীন জালালাবাদ এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযানে মাদক কারবারের অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—শাহাবু্উদ্দিন (৩২), মিছকাত (১৮), দেলোয়ার হোসেন (২০), মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৭) এবং মোঃ খোকন খান (২৫)। তাদের মধ্যে কয়েকজন রাঙামাটির মানিকছড়ি ও চম্পকনগর এলাকার বাসিন্দা।
অন্যদিকে মাদক সেবনের অপরাধে রবিউল (১৮), ইদ্রিস আলী (৫৩) ও সাফিন মাহামুদ রাফি (২০) নামে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিউল মানিকছড়ি এলাকার, ইদ্রিস আলী বর্তমানে রাঙামাটির কৃষিকলোনী এলাকার বাসিন্দা এবং সাফিন মাহামুদ রাফি আসামবস্তি এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃত ১০ জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ