ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
চুয়েটে অচলাবস্থার ১৩ দিন

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করলেন তিন সমিতির প্রতিনিধিরা


ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করলেন তিন সমিতির প্রতিনিধিরা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা ১৩ দিন ধরে ‘শাটডাউন’ অব্যাহত রয়েছে। এই চলমান অচলাবস্থার ফলে ক্যাম্পাস কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, এবং ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের নতুন কোনো কর্মসূচি না থাকলেও, রোববার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাদের কর্মবিরতিও চলমান রয়েছে।

এদিকে, চলমান সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে শনিবার সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, সরকারের কোন পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মিলবে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা

চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির এ বিষয়ে বলেন, শনিবার চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির প্রতিনিধিরা সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে চুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। প্রতিনিধিরা তাদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি ও বাস্তবতা তুলে ধরেন।

তিনি সরকারের ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে শুনেছেন এবং প্রতিনিধিদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। আমরা আশা করি, উপস্থাপিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ চুয়েটের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে, চলমান সংকট সমাধানের বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক পরামর্শ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সুসংহত সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, অচিরেই তারা সফল হবেন।

আরও পড়ুন: ঢাবির অমর একুশে হলে ১০ শিক্ষার্থী পেলেন প্রভোস্ট অ্যাওয়ার্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও অধ্যবসায় করতে হবে : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও অধ্যবসায় করতে হবে : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার

রাজশাহী, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির পিপিএম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপন অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীরের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘকাল সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব।

তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তাঘাটের অনিয়ন্ত্রিত ভাজাপোড়া ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি ২০২৪ ও ২০২৫-এর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মানী, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক সহকর্মীদের সন্তানদের মেধার স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে এ মেধাবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

মেধাবৃত্তি লাভ করা অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি অর্জন, কারণ সকল বিষয়ে ৮০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে এ প্লাস অর্জন করতে হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া জীবনের একটি ধাপ মাত্র; এখান থেকেই জীবনের নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়।

শিক্ষার্থীরা বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, মেডিকেল কলেজ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে, যা অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। ভবিষ্যতে তারাই সমাজ, দেশ ও বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী মোট ৬৯ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সম্মানী, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর)-এর দায়িত্বে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. নূর আলম সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) মো. গোলাম রব্বানী শেখ পিপিএম (বার), উপ-পুলিশ কমিশনার (মতিহার) মাঈনুল ইসলাম পিপিএম (বার), উপ-পুলিশ কমিশনার (ইঅ্যান্ডডি) মো. আবুল কালাম সাহিদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপির মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান পিপিএমসহ আরএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উপস্থিত কৃতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে গাফিলতি ও উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ এম


শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে গাফিলতি ও উত্তেজনা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট তুলকালামের পেছনে বিমানের মদিনা স্টেশনের গাফিলতি এবং ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার অভিযোগ উঠে এসেছে।

মদিনা থেকে আসা বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের ১৮টি কনটেইনারের মধ্যে ১৭টি যথাসময়ে ঢাকায় পৌঁছালেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি মদিনাতেই পড়ে থাকে। অভিযোগ রয়েছে যে, কনটেইনারটির প্রয়োজনীয় তথ্য ঢাকার ব্যাগেজ কন্ট্রোলকে যথাযথভাবে জানানো হয়নি।

এই কারণে ঢাকায় পৌঁছে যাত্রীদের জমজমের পানি পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে বিমানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন কয়েকজন যাত্রী এবং তাদের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা।

পরে এ ঘটনায় মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।

যেভাবে শুরু

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে ১৮টি কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে ১৭টি যথাসময়ে অফলোড করা হলেও জমজমের পানি থাকা ১৮ নম্বর কনটেইনারটি পড়ে থাকে। ঢাকায় থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাগেজ কন্ট্রোল কর্তৃপক্ষকেও কনটেইনারটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হয়নি।

ফলে বিমানবন্দরে যাত্রীরা তাদের লাগেজ পেলেও জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হয়। যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিমান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় বিমানের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে মদিনা স্টেশন নিয়ে

জমজমের পানি নিয়ে সৃষ্ট ঘটনার পর বিমানের মদিনা স্টেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

যুগান্তরের তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ওই স্টেশনের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা নেই বলে বিমানের একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে এ ধরনের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও তার ছিল না বলে সূত্রটির দাবি।

বিমান সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামান্য সমন্বয়হীনতাও বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। মদিনার ঘটনা তারই উদাহরণ।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, বিদেশি স্টেশনগুলোয় দক্ষতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকলে এর প্রভাব যাত্রীসেবা ও ফ্লাইট পরিচালনায় পড়ে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট আইন, নিরাপত্তাবিধি ও অপারেশন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি।

জমজমের পানি থেকে মামলা

জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্বকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে বিমানবন্দরে উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গেলে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তাকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মূল গাফিলতি কোথায়?

ঘটনার শুরু জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব থেকে। আর সেই বিলম্বের পেছনে মদিনা স্টেশনে কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও তথ্য আদান-প্রদানে গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অর্থাৎ, একটি কনটেইনার সময়মতো অফলোড না হওয়া এবং সেটির তথ্য ঢাকায় যথাযথভাবে না পৌঁছানোর কারণেই প্রথমে যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয়।

এরপর সেই ক্ষোভ থেকেই বিমানবন্দরে উত্তেজনা এবং শেষ পর্যন্ত মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। ফলে জমজমের পানি নিয়ে শাহজালালে যে তুলকালাম হয়েছে, তার নেপথ্যে শুধু যাত্রীদের উত্তেজনা নয়, বিমানের বিদেশি স্টেশন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও বড় প্রশ্ন হয়ে সামনে এসেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিদেশি স্টেশনগুলোর ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে। নতুন পদায়নে সংশ্লিষ্ট পদের দায়িত্ব, যোগ্যতা, টেকনিক্যাল জ্ঞান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, এসব পরিবর্তন শুধু প্রশাসনিক আদেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিদেশি স্টেশনগুলোয় যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন নিশ্চিত করে বাস্তব পরিবর্তন আনা হবে? শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮–২৯ অক্টোবর ইলিশে নিষেধাজ্ঞা: মা ইলিশ রক্ষায় মঠবাড়িয়ায় নদীপথে প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


৮–২৯ অক্টোবর ইলিশে নিষেধাজ্ঞা: মা ইলিশ রক্ষায় মঠবাড়িয়ায় নদীপথে প্রচার

মা ইলিশ রক্ষায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা। আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ বন্ধ রাখতে জেলে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নদীপথে নেমেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। ‘মা ইলিশ রক্ষা করি, সোনালি ইলিশে দেশ ভরি’—স্লোগানে বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় চলছে পথসভা ও প্রচার-প্রচারণা।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় হ্যান্ডবিল, ব্যানার ও ফেস্টুন বিতরণ করা হয়।

মৎস্য বিভাগ জানায়, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরলে বা অবৈধ জাল ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, তুষখালী, কাটাখাল, মাছুয়া, জলাঘাটা ও সাংরাইলসহ কয়েকটি এলাকায় নিষেধাজ্ঞার সময় অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরার প্রবণতা রয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র জেলেদের এ কাজে সহযোগিতা করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ট্রাফিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ট্রাফিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সড়ক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিতকরণে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম এর সভাপতিত্বে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা ও সদস্যদের উপস্থিতিতে ট্রাফিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৪ অক্টোবর ২০২৬) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ট্রাফিক অফিস, ফৌজদারহাটে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ পরিদর্শকবৃন্দ, বিভিন্ন ট্রাফিক জোনের ইনচার্জ এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কনফারেন্সে চট্টগ্রাম জেলার যানজট নিরসন, সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ট্রাফিক আইন ও বিধিবিধান কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, অবৈধ পার্কিং ও বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং পথচারীসহ সকল সড়ক ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, ট্রাফিক পুলিশ সড়কে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। যানজট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সড়ক ব্যবহারকারীদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার পরিবেশ বজায় রাখতে ট্রাফিক পুলিশকে আরও আন্তরিক, পেশাদার ও জনবান্ধব ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার, মাঠপর্যায়ে কার্যকর তদারকি, দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সড়ক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক, বাজার ও ব্যস্ততম এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কনফারেন্সে “শৃঙ্খলিত সড়ক, নিরাপদ যাত্রা” এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও গতিশীলতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%