বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৫৭ পি.এম
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীতে যৌথ অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ২২ হাজার মিটার অবৈধ মাছ ধরার জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নৌ পুলিশের একটি দল সহায়তা করে।
মৎস্য বিভাগের সূত্রে জানা যায়, এই অভিযানে নদী থেকে প্রায় ৪ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ১০টি 'চায়না দুয়ারী' জাল এবং ১৮ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ২টি 'বাঁধা জাল' জব্দ করা হয়েছে। জব্দ জালের বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
পরে জব্দ করা জালগুলো শহরের গুরুধাম এলাকায় নিয়ে পুড়িয়ে ধংস করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ক্ষতিকর অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে 'মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন,-১৯৫০' বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের দ্বিতীয় শীতলতম রাজধানী হিসাবে পরিচিত কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানা। এই শহরটি বছরের বড় একটি সময় তীব্র শীতের জন্য পরিচিত। বর্তমানে এটি নজিরবিহীন তাপপ্রবাহের কবলে রয়েছে। চলতি গ্রীষ্মেই ভেঙেছে কয়েক দশকের পুরোনো তাপমাত্রার রেকর্ড। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সাময়িক কোনো আবহাওয়াগত অস্বাভাবিকতা নয়; বরং মধ্য এশিয়াজুড়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা জলবায়ুরই স্পষ্ট প্রতিফলন। এই পরিস্থিতির ফল ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্য, কৃষি, পানি এবং খাদ্যনিরাপত্তার ওপর আরও গভীর প্রভাব ফেলবে।
গ্রীষ্ম মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই আস্তানায় দুটি রেকর্ড গড়া তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। গত ১৪ জুলাই শহরটির তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে। এতে ৩৪ বছর আগে একই দিনে রেকর্ড হওয়া ৩৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা ভেঙে যায়। এরও আগে, ২৩ জুন তাপমাত্রা পৌঁছায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা ১৯৪১ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যায়।
শুধু রাজধানী নয়, তীব্র গরমে পুড়ছে পুরো কাজাখস্তান। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি, আর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও তা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছে। নাগরিকদের সতর্কতা দেওয়ার জন্য জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা কাজহাইড্রোমেট জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলে ৩৫ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে।
অবস্থা এতটাই ভয়াবহ যে, গত সপ্তাহজুড়ে জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা ‘১১২’-এর মাধ্যমে নাগরিকদের বারবার সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে প্রচণ্ড রোদের উত্তাপে গরম হয়ে যাওয়া রাস্তার ওপর ডিম ভেজে দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, কাজাখস্তানের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকা জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্যকর অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার শহরের তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর সংখ্যা তিন গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
কিন্তু কাজাখস্তানে তাপপ্রবাহে প্রতিবছর কত মানুষ মারা যান, তার নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় পরিসংখ্যান নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরনের মৃত্যুর জন্য এখনো আলাদা কোনো তথ্যভাণ্ডার বা সূচক চালু হয়নি। এর পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশ অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ হিট-হেলথ অ্যাকশন প্ল্যানও এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। যদিও প্রবীণ, শিশু এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সতর্কতা ও স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
ডব্লিউএইচওর ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক হ্যান্স অঁরি পি. ক্লুজের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে মধ্য এশিয়ায় তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর হার দ্রুত বাড়বে। বিশেষভাবে কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তান সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকবে। তাই পরবর্তী গ্রীষ্মের আগেই প্রতিটি দেশের কার্যকর হিট-হেলথ অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন করা জরুরি।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, যেসব দেশ পরিকল্পনা কার্যকর করেছে, সেখানে তাপপ্রবাহজনিত অতিরিক্ত মৃত্যু প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান তাপপ্রবাহ যে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফল। কাজহাইড্রোমেটের তথ্য বলছে, বিশ্বের গড়ের তুলনায় কাজাখস্তান দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে। ২০২৫ সাল ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর। ওই বছরে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ দশমিক ৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।
এর ফলে ৩০ ও ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিনের সংখ্যা বাড়ছে। একসাথে বাড়ছে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন বনাঞ্চলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। যদিও অধিকাংশ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, তবুও দীর্ঘস্থায়ী গরমের কারণে নতুন করে দাবানলের আশঙ্কা রয়ে গেছে।
অন্যদিকে, আগেভাগে তুষার গলে যাওয়ার কারণে বসন্তের বন্যা দ্রুত দেখা দিচ্ছে। এতে সেচের জন্য জলাধারে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তুলনামূলক উষ্ণ শীতের ফলে মাটির গভীরে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতাও পৌঁছাচ্ছে না, যা কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ সালের পর থেকে কাজাখস্তানের হিমবাহগুলো তাদের মোট ভরের ১৪ থেকে ৩০ শতাংশ হারিয়েছে। বর্তমানে হিমবাহ দ্রুত গলার কারণে নদীতে সাময়িকভাবে পানির প্রবাহ বাড়লেও শতাব্দীর শেষ দিকে পরিস্থিতি উল্টো হয়ে ভয়াবহ পানিসংকট দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সির দরিয়া, ইলি ও অন্যান্য পার্বত্য নদীর পানিপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে মধ্য এশিয়াজুড়ে পানি, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়ে যাবে।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম রপ্তানিকারক দেশ কাজাখস্তানের জন্য দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও খরা কৃষি উৎপাদন, চারণভূমি ও পানির সরবরাহকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এর প্রভাব শুধু দেশে নয়, পুরো অঞ্চলের খাদ্যনিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে। সূত্র: ইউরো নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ শাখায় কর্মরত রাস্তার বাতির সুইচ অন-অফকারীদের, যাদের লাইটম্যান বলা হয়, কাজের সুবিধার্থে সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ‘সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ’ শীর্ষক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কর্মচারীদের হাতে এসব প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন লাইটম্যানদের মাঝে সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কে স্থাপিত স্ট্রিট লাইট নিয়মিত ও নির্ধারিত সময়ে চালু ও বন্ধ রাখার দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যুৎ শাখার মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা।
তাদের দায়িত্ব পালনে গতি ও কার্যকারিতা বাড়ানোর পাশাপাশি বর্ষাকালে প্রতিকূল আবহাওয়ায় নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে কাজ করার সুবিধা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন।
তারা আরও বলেন, সাইকেল সরবরাহের ফলে কর্মীরা দ্রুত বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
সाथে, রেইনকোট ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও নির্ধারিত সময়ে রাস্তার বাতি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।
এতে নগরবাসী আরও উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সচিব রুম্পা শিকদারসহ কর্মকর্তা, বিদ্যুৎ শাখার দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন আবারও তাইওয়ান প্রণালিকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের এক দিন পরেই বেইজিং ফুজিয়ান উপকূলসংলগ্ন এলাকায় সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই মহড়া দুই দিন চলবে এবং এটি চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের উপকূলঘেঁষা তাইওয়ান প্রণালির একাধিক এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে।
এই মহড়ার ঘোষণাটি আসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠকের পর। আলোচনায় বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয়বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার মধ্যে গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানের বিষয়টির গুরুত্বও ছিল। চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে এসেছে, যদিও তাইপে সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে চলছে।
চীনের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ফুজিয়ানের দংশান দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোলাবর্ষণ মহড়া অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, দংশান দ্বীপটি গুয়াংডং প্রদেশের সীমান্তবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
এর আগে গত ডিসেম্বরে চীন তাইওয়ানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছিল। ওই মহড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের জন্য রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল।
ওই সময় চীনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড প্রায় ১০ ঘণ্টাব্যাপী সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া চালিয়ে তাইওয়ানের উত্তর ও দক্ষিণের জলসীমার দিকে রকেট নিক্ষেপ করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে এবং বেইজিং ও ওয়াশিংটন সম্পর্কের উপরেও নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কে-পপ ব্যান্ড ব্ল্যাকপিঙ্ক-এর থাই সদস্য লালিসা মনোবান, যিনি সারা বিশ্বে ‘লিসা’ নামেই পরিচিত, তাকে নিয়ে নির্মিত প্রথম একক পূর্ণদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এই তথ্যচিত্রটি ‘অলওয়েজ লালিসা’ শিরোনামে পরিচিত। এর প্রিমিয়ার হবে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬-এ, যেটি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব হিসেবে পরিচিত। তথ্যচিত্রটির পরিচালক সু কিম, এবং এটি ৯৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের। এই তথ্যচিত্রের মধ্যে লিসার ব্যক্তিগত জীবন, সংগ্রাম এবং বিশ্বতারকায় পরিণত হওয়ার যাত্রা তুলে ধরা হয়েছে। তথ্যচিত্রে প্রকাশিত হবে এমন বিষয়সমূহ, কীভাবে থাইল্যান্ডের একটি সাধারণ কিশোরী তার স্বপ্নকে অনুসরণ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি জমান। এরপরই ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্য হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করেন এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীত তারকায় পরিণত হন। নির্মাতাদের বক্তব্য অনুসারে, ‘অলওয়েজ লালিসা’ শুধু একজন শিল্পীর সাফল্যের কাহিনী নয়; বরং তার জীবনের অজানা অধ্যায়, সংগ্রাম, স্বপ্নপূরণের চেষ্টার কথা এবং বিশ্বমঞ্চে পৌঁছানোর আবেগঘন যাত্রা এটি ধারণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ