০৫:১২ পি.এম
ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে সামরিক দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ানোর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজারে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৭৫ হাজার। রোববার সন্ধ্যায় ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য হাজার হাজার সামরিক তলব আদেশ জারির পর পালিয়ে বেড়ানো ব্যক্তির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সামরিক দায়িত্ব এড়িয়ে চলা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্য। তাদের হারেদি নামে পরিচিত।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
এত বিপুলসংখ্যক মানুষ সামরিক পরিষেবা এড়ানোর পরও—এবং সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়ার পরও—বাস্তবিকভাবে আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়াটি কার্যত স্থবির হয়ে আছে; হাতে গোনা কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে সামরিক দায়িত্ব এড়িয়ে চলা ১৪ জন হারেদি ইহুদি এবং অন্য সম্প্রদায়ের আরও ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কর্তৃপক্ষ।
চলতি মাসে এ ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। তবে গ্রেপ্তারের দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেওয়ায় অভিযানটি বাতিল করা হয়।
অভিযান পরিচালনায় সহায়তার জন্য পুলিশ সেনাবাহিনীর কাছে ৩০০ সেনাসদস্য চেয়েছিল। কিন্তু সেনাবাহিনী এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। তাদের যুক্তি, সামরিক দায়িত্ব এড়িয়ে চলাদের গ্রেপ্তার করা সেনাবাহিনীর দায়িত্বের আওতাভুক্ত নয়।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন