০২:৩২ এম
কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় যিনি প্রত্যাহারের (ক্লোজড) শিকার হয়েছেন, সেই সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন নিজের ক্ষোভ এবং অসন্তোষ।
একেএম বারী রহমান নামক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডির পোস্টটি ইতোমধ্যেই এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ফেসবুক পোস্টে তিনি ক্ষোভ ঝাড়েন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি বড় মাদকের চালান গায়েব করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানা অপরাধ বিভাগের এসআই মো. ইমাম উদ্দিন এবং এএসআই হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এই বিষয়টি যখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে, তখন প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ওসি আবদুল বারীকে দাউদকান্দি মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার
এই প্রত্যাহারের আদেশ জারির পর থেকে ওসি আবদুল বারী পদে বহাল হতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। বুধবার তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে ঘোষণা করেন যে তিনি ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’। সেই পোস্টে তিনি প্রত্যাহারের বিষয়টিকে পুলিশের হঠকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন।
পোস্টটির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল সেই পোস্টে ওসি বলেন, ‘মাদক নিয়ে নিউজ হয়েছে এসআই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, আর ক্লোজ হয় ওসি। আমি পুলিশ পলিটিক্সের শিকার! যতদিন এই পুলিশ পলিটিক্স বন্ধ না হবে দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক হবে না। চ্যালেঞ্জ করলাম আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরি ছেড়ে দেব। এসব কিছু হলুদ সাংবাদিকতার জন্য এবং আমাদের কিছু পুলিশ অফিসারের হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য পুলিশের মনোবল দুর্বল হচ্ছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, বিভাগীয় শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কারণেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সিলেটের কিছু এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন