বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ এম
জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার জন্য কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উল্লেখ করেছেন, ইরান নিজের আত্মরক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার পাশাপাশি দেশের স্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কূটনীতির পথ অবলম্বনে তারা যথেষ্ট আন্তরিক।
নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি বার্তায় আরাগচি জানান, সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী ইরানি প্রতিনিধিদল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি সাত দিনের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। মূলত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পনাটি প্রস্তাব করা হয়েছিল।
তবে, এই প্রস্তাব পেশ করার পরের দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। এরপর যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে একটি পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক শুরু হচ্ছে। এই বৈঠক আগামীকাল শুক্রবার শেষ হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ দুই দেশের বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা, পাটপণ্যের ওপর অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক এবং স্থলবন্দরের জটিলতা নিয়ে আলোচনা করবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ঢাকা ছেড়ে বৈঠকে যোগ দিতে গেছে। প্রতিনিধিদলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ তার ব্যবসাসংক্রান্ত প্রায় সব দাবিই উত্থাপন করবে, তবে ভারতীয় পক্ষের আলোচনা বিষয় এখনও নিশ্চিত নয়। উল্লেখ্য, এটি শুধুমাত্র আলোচনা হবে, এখানে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের বড় ফারাক বা বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টিও আলোচিত হবে। কারণ, ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের তুলনায় আমাদের রপ্তানি অনেক কম। তবে আলোচিত সিইপিএ চুক্তিটি এবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চীনের পর ভারত আমাদের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানির উৎস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে ১৭৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, আর ভারত থেকে ১ হাজার ৯৬ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। দেশের ব্যবসায়ীরা মূলত ভারত থেকেই কারখানার কাঁচামাল, কাপড় ও তুলা নিয়ে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটিতে প্রায় ২,৭০০ বিড়াল চুরি করে মাংস বিক্রির চক্রের জন্য ১২ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজনরা রাতে ছোট দলে বিভক্ত হয়ে মোটরসাইকেলে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়াত। তারা বিড়ালগুলো কোন বাড়িতে রাখা হয় তা জানার পর মাছের টুকরোকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে ঘরের বাইরে ফাঁদ পেতে রাখত।
প্রতিটি দল রাতে গড়ে চার থেকে দশটি বিড়াল চুরি করত। গত ৮ জুলাই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০টি বিড়াল, বিড়াল ধরার ফাঁদ, পশম ছাড়ানোর যন্ত্র ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে। পরে ১২ জন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা প্রায় ২,৭০০ বিড়াল চুরির কথা স্বীকার করে।
উদ্ধারকৃত বিড়ালগুলোর মধ্যে ১৩টি ইতোমধ্যে তাদের আসল মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোকে একটি প্রাণী কল্যাণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
প্রাণী সুরক্ষা সংস্থা ‘হিউম্যান ওয়ার্ল্ড ফর অ্যানিমেলস’ জানায়, ভিয়েতনামে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ কুকুর এবং ১০ লাখ বিড়াল মাংসের জন্য চুরি, পাচার ও জবাই করা হয়। দেশটিতে কুকুর ও বিড়ালের মাংস খাওয়া আইনসম্মত হওয়ায় অনেক রেস্তোরাঁয় তা খোলাখুলি বিক্রি করা হয়, তবে বিক্রেতাদের কাছে প্রাণীগুলোর উৎস প্রদর্শনের অনুমতিপত্র থাকতে হয়।
যদিও অন্যান্য এশিয়ান দেশের তুলনায় ভিয়েতনামে এই প্রথা বেশি প্রচলিত, তবে তরুণ সমাজ ও পোষা প্রাণীর মালিকদের মধ্যে এর বিরোধিতাও ক্রমেই বাড়ছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ সাল, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
• ফজর- ভোর ৪:৩৯ মিনিট
• যোহর- দুপুর ১১:৫০ মিনিট
• আসর- দুপুর ৪:০২ মিনিট
• মাগরিব- সন্ধ্যা ৫:৪৪ মিনিট
• এশা- রাত ৬:৫৭ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ১০৬ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা, ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন, সাতজনকে নিয়মিত মামলায়, ১৩ জনকে আগের মামলায় এবং দুজনকে আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, দুজনকে সামারি ট্রায়ালে আদালতে সোপর্দ এবং চারজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
থানাভিত্তিক হিসাবে, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ২৮৯ জন, বেগমগঞ্জে ১৮৩ জন, কোম্পানীগঞ্জে ১৩১ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১২৫ জন, চরজব্বরে ১১০ জন, সোনাইমুড়ীতে ৯২ জন, কবিরহাটে ৬০ জন, চাটখিলে ৫৯ জন ও সেনবাগে ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ